বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বান্ধবীর সাথে ইটিসপিটিস---০১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X -কিরে কুত্তা! কই তুই? কখন থেকে ক্যাম্পাসে বসে আছি তোর কোনো খবর নেই।[জেনিয়া] . -সরি আপু! আপনি হয়তো ভুল নাম্বারে কল করছেন! এখানে কুত্তা নেই। মানুষ আছে।[আমি] . -ঐ ফাজলামো রাখ! এখন বল কোথায় তুই? [জেনিয়া] . -এইতো বাসা থেকে বের হইছি মাএ। ১০মিনিট ওয়েট কর। [আমি] . -বাসা থেকে আসতে তো ১-বাসা থেকে আসতে তো ১০মিনিট লাগার কথা না! ২মিনিটেই আসা যায়। তো এতোক্ষন কি করবি? . -তোর জন্য একটা বর খুজে দেখছি পাই কিনা। আর কতো একা একা থাকবি।[ফাজলামো করে] . -ঐ তোর নাক ফাটাবো। ৫মিনিটে ওয়েট করে না আসতে পারলে চলে যাবো।[জেনিয়া] . -ওক্কে দোস নো চিন্তা ডু মাস্তি! সামনে তাকিয়ে দেখ এসে গেছি।[লাইনটা কেঠে দিয়ে] . -কুত্তা,বিলাই,হনুমান, বান্দর। এখানে থেকেই আমার সাথে ফাজলামো করলি না।[জেনিয়া] . -দেখছিলাম তুই আমাকে ভালোবাসিস কিনা।[রাগানোর জন্য] . "ডিসুম ডিসুম" ভাই কেউ ওকে ধরেন আজকে মনে হয় খলনায়ক নিশা খানের ফাইট করবে। . -ঐ ব্যাথা পাচ্ছি কিন্তু।[আমি] . -তুই ব্যাথা পাবি তাতে আমার কি কুত্তা। [আরো জোরে জোরে ঘুসি দিয়ে] . -তোরি তো সব! অকালে বিদবা হবি। বলেই দিলাম এক দৌড়। . -কিহ্।ঐ দাড়া আজকে তুই। তোর হাত-পা সব গুড়ো করে দিবো।[পিছন থেকে ঢিল ছুড়ে] . ও আপনাদের তো পরিচয় দিতেই ভুলে গিয়েছিলাম! আমি পাভেল। বাবা মায়ের তৃতীয় সন্তান। এবার অর্নাস ২য় বর্ষ। আর যার সাথে ঝগড়া হলো ও হলো জেনিয়া। আমার বেষ্ট ফের্ন্ড। বাবা মায়ের একমাএ বড় রাজকন্যা। . তবে ও আমার থেকে একবছরের সিনিয়র! এখন ভাবছেন সিনিয়র তাহলে ফের্ন্ড হলো কিভাবে। ও অনেক কথা। এটা না হয় অন্যদিন শুনলেন। . এক দৌঁড়ে ক্লাসের সামনে গিয়ে দাড়ালাম। . -মে আই কামিং কাক্কু।[স্যারের অনুমতি চেয়ে] . ক্লাসের সবাই এটা শুনে হো হো করে হাসছে। . -কোন হতচ্ছাড়া আমাকে কাক্কু ডাকে রে।[আমার দিকে তাকিয়ে] . -আমি চ্যার।[এক হাত তুলে] . -ও পাভেল। আমি জানতাম এটা তোর মতো ফাজিল ছাড়া আর কেউ বলবে না। আমি তোর কাক্কু হলাম কোনদিন থেকে রে?[চোঁখ বড় বড় করে] . -স্যার যেদিন থেকে আম্মু বলছে "বড়দের সম্মান করে কাক্কু ডাকবি বাবা" ঐ দিন থেকেই আপনি আমার কাক্কু।[স্যারের দিকে তাকিয়ে] . -বেয়াদপ কোথাকার বস এখানে।[ঝাড়ি দিয়ে] . কি আর করার। ভদ্র ছেলের মতো একটা মেয়ের পাশে গিয়ে বসলাম। . -মে আই কামিং স্যার।[জেনিয়া] . -হু মা আসো। আহা কি ভালো ছাত্রী। ৩য় বর্ষের ক্লাস না হলে ২য় বর্ষের সাথে এসে ক্লাস করে। তাও ক্লাস ফাঁকি দেয়না। এইরকম ছাত্রী কলেজে আর ২য় টা দেখিনা। জেনিয়া আমাদের গর্ব। [স্যার] . -স্যার একটা কথা বলবো[পিছন থেকে ওঠে দাড়িয়ে] . -তুই এখন আবার কি বলবি?[রাগী চোঁখে আমার দিকে তাকিয়ে] . -জ্বী স্যার জেনিয়া আমাদের গর্ব। জেনিয়া এই স্কুলে ঝগড়াটে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করবে[আমি] . আমার কথা শুনে ক্লাসের সবাই হো হো করে হাসতে লাগলো। . -ঐ ঐ ঐ। দাড়া বার করছি তোর পন্ডিতি। [ব্যাগ থেকে হ্যার্ন্ড গ্লাবস বের করে] . আল্লাগো এ তো দেখছি সত্যি সত্যি গুন্ডি। চাচা আপন প্রান বাচাঁ। দিলাম এক দৌড়। . -কিরে দোস এই ভাবে দৌড়াচ্ছিস কেনো[দিপু] . -আর বলিস না জে জে জে.......![তোতলাতে তোতলাতে] . -কি হলো তোতলাচ্ছিস কোনো[দিপু] . -আবে হালায় পিছনে তাকাঁ।[পিছনের দিকে তাকিয়ে থেকেই] . -ওয়াও দোস। কলেজে নতুন মনে হচ্ছে।তোর চয়েস আছে বস।[মেয়েটার দিকে তাকিয়ে] . -এইযে মিস্টার আপনি আমাকে এই ভাবে দেখছেন কেনো?[মেয়েটা] . -কই নাতো আমি ঐ দিকে এমনি তাকিয়ে ছিলাম।[ডাহা মিথ্যা কথা] . বালিকা কিছু না বলেই চলে গেলো . -কিরে তুই এখানে কি করিস। আর ঐ মেয়েটা কে ছিলো।[জেনিয়া] . -জানিনা দোস। ঐ মেয়েটাকে আমার পছন্দ হয়ছে। তুই একটা কিছু করনা দোস প্লিজ।[জেনিয়াকে উদ্দেশ্য] . -সত্যিই কি তুই মেয়েটাকে পছন্দ করেছিস।[মন খারাপ করে] . -হু দোস খুব পছন্দ হয়ছে।[মিথ্যা বললাম] . -ঐ মেয়েটাকে তো আমি ছিনি। মেয়েটার নাম কি শুনবি?[জেনিয়া] . -হু বল তাড়াতাড়ি। . -আয় কানে কানে বলি।[আমার মাথাটা কাছে নিয়ে] . -হু বল।[ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে] . -মেয়েটার নাম হলো গিয়ে... দেখ এবার কেমন লাগে[হাত দুটো রশি দিয়ে বেধে] . -এটা কি হলো। হাত বেধেছিস কেনো।[আমি] . -তোকে দিয়ে ডিসুম ডাসুম খেলবো। প্রেম করা না বার করছি তোর প্রেমের শখ [হাতে গ্লাবস পড়ে] . আল্লাগো বাচাঁও বাচাঁও। . -ঐ চিল্লাবি তো প্রথমটাই নাকটার মধ্যে দিবো।[রাগী চোঁখে] . -ও জান আমার প্রান আমার। ছেড়ে দেওনা জান।[ঢপ দিয়ে] . -কি বললি আমি তোর জান,প্রান। এবার আর তোর রক্ষা নেই।[আরও শক্ত করে বেধেঁ] . এটা কেমন কথা। ঢপ দিতে গিয়ে তো দেখছি উল্টো ফেসে গেছি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৯৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বান্ধবীর সাথে ইটিসপিটিস---০১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now