বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছোট ছোট লাল গাড়িতে আমার চোখ আটকে যেতো,টিনের পিস্তলের টুসটাস্ আমি এখনো শুনতে পাই!.এগুলো যে খেলনার গাড়ি আমার বুঝতে সময়লেগেছিলো এক যুগ্, মার্বেলের ভিতরের কারুকার্যদেখে পার করেছি কতটা দিন,.চৌধুরীর বাড়ির ছেলের ইয়া রাজ কপাল ছিলো,তার বন্দুক আমার আমার সমান ছিলো, সেখানে সাতরং খেলা করতো, আমি স্বপ্ন দেখতাম, একদিনআমারও হবে!.সেই দিনগুলোতে আমরা সবকিছু দেখে অবাক হতাম,নেড়ে চেড়ে দেখতাম নিজের বন্দুকটিও,.সেন্টু গেঞ্জিতে লেগে থাকা অহেতুক স্টিকারওআমাদের মুগ্ধ করতো, কত সহজে আনন্দ পেতাম, সেটালাগিয়ে রাখতাম লাল গাড়িতে ৷.একদল শিশুরা আমার খেলনার দিকে ফ্যালফ্যালকরে তাকিয়ে থাকতো, তারা আজ কাচ্চিবিরিয়ানীর প্যাকেটের দিকে,.পৃথিবীতে একদল মানুষের জন্ম হয়েছে যেনোফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকার জন্য, তারা শুধুদেখে মজা নেই, তাদের আঙ্গুলেও স্পর্শ আছে!.ব্যাট বল না থাকায় রোজ ফিল্ডিং আর বল কুঁড়েনিয়ে আসা বালকটি এখনো জীবনের বাউন্ডারিরবাহিরে বসে আছে ৷.রোজ অন্যের খেলা দেখে হাততালি মারতেমারতে তার ভাগ্য রেখা উঠে গেছে, তবুও জীবনচলছে! চলবে!.মাত্র কয়েকটা বছরে খুব বেশী বদলে গেছি, কবেযেনো খেলনার বাক্স ফেলে দিয়ে এসেছি মনেনেই,.পুতুলের বিয়ে দিয়ে পাশে চিৎ করিয়ে শুয়ে দিতাম,এটাই ছিলো ভালবাসা আজ ভাবি তাদের একেরউপ্রে আরেক করে শুয়ে না দেওয়া ছিলো ছোট্টবেলার মানবাধিকার লঙ্ঘন ৷.লাল ফড়িংয়ের পিছন পিছন ছুটে চলার আনন্দ, ধরতেনা পারার আক্ষেপ, খেলুম না বলে এসে শুয়ে থাকা,.জীবনের কোন মারপ্যাঁচ তখন মাথায় ছিলো না ৷তবুও জীবন ছিলো ৷ সেই রকম এক্কান জীবন!.চুষতে থাকা চকলেট মুখ থেকে বের করে জরিনাকেবলেছিলাম, বড় হলে তোমাকে রোজ চকলেট কিনেদেবো, কিন্তু সে আজ চকলেট বয় সাথে নিয়ে হাঁটে,.ঠিক সন্ধ্যা নামার বুকে হয়তো আর কখনো নীড়েফেরা হবে না ৷
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now