বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অষ্টম শ্রেণীতে থাকতে বালিকাকে বললাম,
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
বালিকা বললো, ভালোবাসা কি?
হতাশ হলাম না।বালিকাকে ভালোবাসা বুঝার জন্য বড় হতে দিলাম।
দশম শ্রেণীতে থাকতে বালিকাকে বললাম,
বালিকা তোমায় খুব ভালোবাসি।
বালিকা বললো,আমিও তোমাকে খুব খুব খুব ভালোবাসি।
এত্তো ভালোবাসে?
অবাক হলাম না।তখন ছিলো আবেগের বয়স।
ইন্টার ২য় বর্ষে থাকতে বালিকাকে বললাম,বালিকা সত্যিই তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
বালিকা বললো, সত্যি করে বলো একথাটা ক'জনকে বলছো?
ভাবলাম মেয়েরা সন্দেহ প্রবন কেন?
অনার্স ২য় বর্ষের সময় বললাম,
বুড়ি তোকে খুব ভালোবাসি।
বালিকা বললো,দেখো এখন আবেগের সময় না।ভালোই যদি বাসো তো আমায় বিয়ে করে ফেলো।
বালিকার কন্ঠটা বিজ্ঞদের মতোই মনে হয়েছিল।সে ভালোবাসা নিয়ে সিরিয়াস।
অনার্স ৩য় বর্ষের সময় বললাম,
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
বালিকা বললো, আজ সাত বছর থেকে একই কথা বারবার শুনে আসছি।কই একবারওতো বললে না বিয়ে করবে?
আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।ভালো থেকো।
এবার নিশ্চুপ রইলাম।যদি ওকে বিয়ে করি তাহলে আমরা খাবো কি?চাকুরী পাবো কই?
গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে সবে চাকুরীতে জয়েন করছি।
বিয়ে করার প্রস্তুতি চলছে।কারন এখন আমি বেকার নই।সবই আছে শুধু বউ প্রয়োজন!
বালিকার খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম,
বালিকা এখন দু'সন্তানের জননী।
অতঃপর সক্রেটিসের মতো দার্শনিক হয়ে গেলাম এবং উপলব্ধি করতে পারলাম।
"আমার বিয়ের পাত্রী নিশ্চই এখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী।"
লেখাঃ বালকের অভিমান।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now