বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বাহলুল

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান kamran (০ পয়েন্ট)

X ( ৭৮৬ - ৮০৯খ্রি. ) বাহলুল নামে এক পাগল ছিল । যে অধিকাংশ সময় কবরস্থানে কাটাতো । কবরস্থানে থাকা অবস্থায় একদিন বাদশাহ হারুনুর রশীদ তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন..... বাদশাহ তাকে ডাক দিলেন: বাহলুল ! ওই পাগল ! তোর কি আর জ্ঞান ফিরবে না ? বাহলুল বাদশাহর এ কথা শুনে নাচতে নাচতে গাছের উপরের ডালে চড়লেন এবং সেখান থেকে ডাক দিল: হারুন ! ওই পাগল ! তোর কি কোনদিন জ্ঞান ফিরবে না ? বাদশাহ গাছের নিচে এসে বাহলুলকে বললেন, আমি পাগল নাকি তুই, যে সারা দিন কবরস্থানে বসে থাকে ? বাহলুল বলল, আমিই বুদ্ধিমান । বাদশাহ: কীভাবে? বাহলুল রাজপ্রাসাদের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বললেন: আমি জানি এই রঙ্গীলা দালান ক্ষণিকের আবাসস্থল, এবং এটি (কবরস্থান) স্থায়ী নিবাস; এজন্য আমি মরার পূর্বেই এখানে বসবাস শুরু করেছি । অথচ তুই গ্রহণ করেছিস ঐ রঙ্গশালাকে আর এই স্থায়ীনিবাসকে (কবর) এড়িয়ে চলছিস । রাজপ্রসাদ থেকে এখানে আসাকে অপছন্দ করছিস ! যদিও তুই জানিস এটাই তোর শেষ গন্তব্য । এবার বল, আমাদের মধ্যে কে পাগল ? বাহলুলের মুখে এ কথা শোনার পর বাদশাহর অন্তর কেঁপে উঠল, তিনি কেঁদে ফেললেন। তাঁর দাড়ি ভিজে গেল । তিনি বললেন: আল্লাহ'র কসম ! তুমিই সত্যবাদী । আমাকে আরও কিছু উপদেশ দাও ! বাহলুল: তোমার উপদেশের জন্য আল্লাহর কিতাবই যথেষ্ট । তাকে যথার্থভাবে আকড়ে ধর । বাদশাহ: তোমার কোন কিছুর অভাব থাকলে আমাকে বল, আমি তা পূরণ করব । বাহলুল: হ্যা, আমার তিনটি অভাব আছে, এগুলো যদি তুমি পূরণ করতে পার তবে সারা জীবন তোমার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করব । বাদশাহ: তুমি নিঃসঙ্কচে চাইতে পার । বাহলুল: মরণের সময় হলে আমার আয়ূ বৃদ্ধি করতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: আমাকে মৃত্যুর ফেরেশতা থেকে রক্ষা করতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: আমাকে জান্নাতে স্থান করে দিতে হবে এবং জাহান্নাম থেকে আমাকে দূরে রাখতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: তবে জেন রাখ, তুমি বাদশাহ নও বরং তুমি অন্য কারও অধীনস্থ । অতএব তোমার কাছে আমার কোন চাওয়া বা প্রার্থনা নেই । "প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে..." [ সূরা আল-ইমরান, আয়াত - ১৮৫ ]( ৭৮৬ - ৮০৯খ্রি. ) বাহলুল নামে এক পাগল ছিল । যে অধিকাংশ সময় কবরস্থানে কাটাতো । কবরস্থানে থাকা অবস্থায় একদিন বাদশাহ হারুনুর রশীদ তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন..... বাদশাহ তাকে ডাক দিলেন: বাহলুল ! ওই পাগল ! তোর কি আর জ্ঞান ফিরবে না ? বাহলুল বাদশাহর এ কথা শুনে নাচতে নাচতে গাছের উপরের ডালে চড়লেন এবং সেখান থেকে ডাক দিল: হারুন ! ওই পাগল ! তোর কি কোনদিন জ্ঞান ফিরবে না ? বাদশাহ গাছের নিচে এসে বাহলুলকে বললেন, আমি পাগল নাকি তুই, যে সারা দিন কবরস্থানে বসে থাকে ? বাহলুল বলল, আমিই বুদ্ধিমান । বাদশাহ: কীভাবে? বাহলুল রাজপ্রাসাদের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বললেন: আমি জানি এই রঙ্গীলা দালান ক্ষণিকের আবাসস্থল, এবং এটি (কবরস্থান) স্থায়ী নিবাস; এজন্য আমি মরার পূর্বেই এখানে বসবাস শুরু করেছি । অথচ তুই গ্রহণ করেছিস ঐ রঙ্গশালাকে আর এই স্থায়ীনিবাসকে (কবর) এড়িয়ে চলছিস । রাজপ্রসাদ থেকে এখানে আসাকে অপছন্দ করছিস ! যদিও তুই জানিস এটাই তোর শেষ গন্তব্য । এবার বল, আমাদের মধ্যে কে পাগল ? বাহলুলের মুখে এ কথা শোনার পর বাদশাহর অন্তর কেঁপে উঠল, তিনি কেঁদে ফেললেন। তাঁর দাড়ি ভিজে গেল । তিনি বললেন: আল্লাহ'র কসম ! তুমিই সত্যবাদী । আমাকে আরও কিছু উপদেশ দাও ! বাহলুল: তোমার উপদেশের জন্য আল্লাহর কিতাবই যথেষ্ট । তাকে যথার্থভাবে আকড়ে ধর । বাদশাহ: তোমার কোন কিছুর অভাব থাকলে আমাকে বল, আমি তা পূরণ করব । বাহলুল: হ্যা, আমার তিনটি অভাব আছে, এগুলো যদি তুমি পূরণ করতে পার তবে সারা জীবন তোমার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করব । বাদশাহ: তুমি নিঃসঙ্কচে চাইতে পার । বাহলুল: মরণের সময় হলে আমার আয়ূ বৃদ্ধি করতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: আমাকে মৃত্যুর ফেরেশতা থেকে রক্ষা করতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: আমাকে জান্নাতে স্থান করে দিতে হবে এবং জাহান্নাম থেকে আমাকে দূরে রাখতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: তবে জেন রাখ, তুমি বাদশাহ নও বরং তুমি অন্য কারও অধীনস্থ । অতএব তোমার কাছে আমার কোন চাওয়া বা প্রার্থনা নেই । "প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে..." [ সূরা আল-ইমরান, আয়াত - ১৮৫ ]( ৭৮৬ - ৮০৯খ্রি. ) বাহলুল নামে এক পাগল ছিল । যে অধিকাংশ সময় কবরস্থানে কাটাতো । কবরস্থানে থাকা অবস্থায় একদিন বাদশাহ হারুনুর রশীদ তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন..... বাদশাহ তাকে ডাক দিলেন: বাহলুল ! ওই পাগল ! তোর কি আর জ্ঞান ফিরবে না ? বাহলুল বাদশাহর এ কথা শুনে নাচতে নাচতে গাছের উপরের ডালে চড়লেন এবং সেখান থেকে ডাক দিল: হারুন ! ওই পাগল ! তোর কি কোনদিন জ্ঞান ফিরবে না ? বাদশাহ গাছের নিচে এসে বাহলুলকে বললেন, আমি পাগল নাকি তুই, যে সারা দিন কবরস্থানে বসে থাকে ? বাহলুল বলল, আমিই বুদ্ধিমান । বাদশাহ: কীভাবে? বাহলুল রাজপ্রাসাদের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে বললেন: আমি জানি এই রঙ্গীলা দালান ক্ষণিকের আবাসস্থল, এবং এটি (কবরস্থান) স্থায়ী নিবাস; এজন্য আমি মরার পূর্বেই এখানে বসবাস শুরু করেছি । অথচ তুই গ্রহণ করেছিস ঐ রঙ্গশালাকে আর এই স্থায়ীনিবাসকে (কবর) এড়িয়ে চলছিস । রাজপ্রসাদ থেকে এখানে আসাকে অপছন্দ করছিস ! যদিও তুই জানিস এটাই তোর শেষ গন্তব্য । এবার বল, আমাদের মধ্যে কে পাগল ? বাহলুলের মুখে এ কথা শোনার পর বাদশাহর অন্তর কেঁপে উঠল, তিনি কেঁদে ফেললেন। তাঁর দাড়ি ভিজে গেল । তিনি বললেন: আল্লাহ'র কসম ! তুমিই সত্যবাদী । আমাকে আরও কিছু উপদেশ দাও ! বাহলুল: তোমার উপদেশের জন্য আল্লাহর কিতাবই যথেষ্ট । তাকে যথার্থভাবে আকড়ে ধর । বাদশাহ: তোমার কোন কিছুর অভাব থাকলে আমাকে বল, আমি তা পূরণ করব । বাহলুল: হ্যা, আমার তিনটি অভাব আছে, এগুলো যদি তুমি পূরণ করতে পার তবে সারা জীবন তোমার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করব । বাদশাহ: তুমি নিঃসঙ্কচে চাইতে পার । বাহলুল: মরণের সময় হলে আমার আয়ূ বৃদ্ধি করতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: আমাকে মৃত্যুর ফেরেশতা থেকে রক্ষা করতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: আমাকে জান্নাতে স্থান করে দিতে হবে এবং জাহান্নাম থেকে আমাকে দূরে রাখতে হবে । বাদশাহ: আমার পক্ষে সম্ভব নয় । বাহলুল: তবে জেন রাখ, তুমি বাদশাহ নও বরং তুমি অন্য কারও অধীনস্থ । অতএব তোমার কাছে আমার কোন চাওয়া বা প্রার্থনা নেই । "প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে..." [ সূরা আল-ইমরান, আয়াত - ১৮৫ ]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বাহলুল
→ খলীফা হারুনুর রশীদ এবং বাহলুল পাগলা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now