বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বাবুই ও বাবু

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Samim Hossain(সাইকো) (০ পয়েন্ট)

X সকাল ৭:৩৩ . ঘুম থেকে উঠার জন্য রাব্বিকে ডাকতে লাগলো ইমু।..... . ইমু : ওইইই, কয়টা বাজে হিসাব আছে?? উঠো এখন। আজ অফিসে যাবে না?? তারাতারি উঠে রেডি হয়ে নাও। এতো বেলা করে কেউ ঘুমায়!!!! . রাব্বি : আর একটু, প্লিজ!!! . ইমু : না, অনেক হইছে নাক ডাকাডাকি। উঠো নইলে পানি ঢেলে দিবো। . রাব্বি : উফফ!!! উঠতেছি.....(একটু রাগি স্বরে) . ইমু : এইতো, লক্ষি বাবু টা..!!! . রেডি হয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে অফিসের জন্য রওনা হলো রাব্বি। দরজা দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে আবার ফিরে এসে ইমুর কপালে আলতো করে একটি চুমু একে দিলো।....... ইমু : এইই!!!! কতবার না বলছি যাওয়ার সময় পিছন ফিরে আসবা না!!! ফাজিলের হাড্ডি। রাব্বি দাত বের করে একটা হাসি দিয়ে চলে গেল আর রাগ দেখিয়কথাটা বললেও মনে মনে খুশি হলো ইমু। আর এইটা তাদের ডেইলি রুটিন। ১ বছর হলো তাদের বিয়ের। তাদের মধ্যে সবকিছু প্রতিদিন নতুনভাবে সজ্জিত হয়। আর দুইজন প্রতিদিন টম-এন্ড জেরির মত ঝগড়া করতে ভুলে না। তবে টম-এন্ড জেরির মত ওদেরও একটা মিল আছে। একজন আরেকজনকে ছাড়া থাকতে পারেনা। । কয়েকবছর আগে.......!!! . রাব্বি তখন নতুন ইউনিভারসিটি--তে উঠেছে। সাথে তার তিন বন্ধু জয়, নয়ন আর সাকিব। তারা চারজন একইসাথে থাকে। কিন্তু তাদের সাথে নয়ন আর সাকিবের নব বিবাহিত স্ত্রী রাও থাকে!!! তারাও একই ভার্সিটি তে সেম ইয়ারে পড়ে। নয়নের বউয়ের নাম নিশি আর সাকিবের টা তমা। একটা বড় ফ্ল্যাট ভাড়া করে একসাথে থাকে ছয়জন। বাসা থেকে সম্পর্ক মেনে নেয়নি বলে রাব্বি নয়ন আর সাকিবের পালিয়ে বিয়ে দিয়ে এখানে এনেছে। সবাই আউটসোর্সিং করে আর পড়ালেখাও চালিয়ে যাচ্ছে। কলেজ শেষে সবাই বাসায় ফিরে আসলো। . জয় : দোস্তো আজ জিএফ এর সাথে দেখা করতে যামু। তুই আয় না সাথে?? . রাব্বি : তোর আবার জিএফ আসলো কোথা থেকে?? . জয় : আজ্জব। শাম্মির সাথে আমার এতোদিনের এফবি রিলেশন চলতাছে এইডা তুই নতুন জানলি নাকি??? . রাব্বি : অহ!! তাই বল। আচ্ছা ঠিক আছে। যাবো..... । বিকাল ৪:০০......!! . পার্কের বেঞ্চে বসে গিটার বাজাচ্ছে আর সিগারেট খাচ্ছে রাব্বি। আর জয় বারবার ঘড়ির সময় দেখছে..... . রাব্বি : এতো টেনশিতো হওয়ার কিছু নাই। চলে আসবে। মেয়েরা একটু লেট করেই। . জয় : হুম তা ঠিক। সাথে নাকি আবার ওর একটা ফ্রেন্ড আসতেছে। . রাব্বি : তাইলে হইছে। ডাবল টাইম লাগবে!!! কি আর করার অপেক্ষা কর। দুইজন আবার অপেক্ষা করতে লাগলো। একজন সিগারেট আর গিটারের দিকে আর একজন মোবাইলে সময়ের দিকে। । হঠাত করেই শাম্মিকে আসতে দেখা গেলো আর তাকে দেখে রাব্বি উঠে অন্যদিকে গেলো যাতে ওরা একা থাকতে পারে। রাব্বি অন্য একটি বেঞ্চে বসে আরেকটি সিগারেট ধরালো। আর পিছন থেকে একটা মেয়েলি গলা শুনতে পেলো : . মেয়েটি : এইযে মি: , আপনার কি কোনো কান্ড-জ্ঞান নেই?? এইভাবে এখানে বসে সিগারেট খাচ্ছেন!! হ্যা আপনাকেই বলছি!! এভাবে পরিবেশ দূষন করার কোনো মানে হয়!!! রাব্বি একবার তাকিয়ে দেখে কোনো পাত্তা না দিয়ে আবার সিগারেট খেতে থাকে। মেয়েটি রাগি মেজাজ নিয়ে জয় আর শাম্মির কাছে যায়। শাম্মি : কিরে কোথায় গিয়েছিলি?? . জয় : উনি কে?? ঠিক চিনতে পারলাম না। . শাম্মি : আরে বলেছিলাম না আমার সাথে আমার একটি ফ্রেন্ড আসবে। ওই হলো আমার ফ্রেন্ড ইমু। . ইমু : কোথায় আর যাবো। এমনেই হাটছিলাম। দ্যাখ ওই ছেলেটাকে। কিভাবে পাবলিক প্লেসে বসে সিগারেট খাচ্ছে। ভদ্রতা জ্ঞানটুকুও নেই। আমাকে দেখেও আমার সাথে কোনো কথা বলল না!!! . জয় : আরে ও ওইরকমই ,অপরিচিত মেয়েদের সাথে কথা বলে না। . শাম্মি : হ্যা, আর অভদ্র নয় খুব ভদ্র আর পরোপকারী। . ইমু : কেমন ভদ্র সেটা তো দেখতেই পাচ্ছি। . শাম্মি : ওহ, হ্যা!! শুধু একটু বেশিই সিগারেট খায়। তোদের সাথেই তো পড়ে একই কক্লাসে, দেখিসনি কখনো?? . ইমু : আমি অভদ্র ছেলেদের দিকে তাকাই না। . সেদিনের মতো তারা সবাই দেখা করে চলে আসলো আর পরেরদিন কলেজে গেলো। । ক্লাসে জন্য রাব্বি একটু লেট করে ফেলেছে তাই জোড়ে উঠতে লাগলো আর ইমুর সাথে ধাক্কা খেলো। . ইমু : আপনি!!! এখানেও চলে এসেছেন। . রাব্বি : দেখেন!!! কলেজটা আপনার বাবার নয় যে অনুমতি নিয়ে আসতে হবে। . ইমু : দেখেন, বাবা নিয়ে কথা বললে কিন্তু....... . রাব্বি : ধুর!!!!! . রাব্বি ক্লাসের দিকে ছুটলো আর ইমু পিছন পিছন। দেরি হয়েছে বলে দুইজন পিছনে যেয়ে বসলো। ক্লাস শেষে বেরিয়ে এসে রাব্বি, জয়, নয়ন, সাকিব, তমা আর নিশি সবাই মিলে ক্যাম্পাসে আড্ডা দিতে লাগলো। ইমুও তাদের সাথে যোগ দিলো আর জয় সবার সাথে ইমুকে পরিচয় করিয়ে দিলো। আড্ডার ভিতরে সবাই নানারকম কথা বলছিলো কিন্তু রাব্বির কথাগুলো শুনে ইমুর রাগ লাগছিলো। রাব্বিকে একটুও সহ্য হয়না তার। আড্ডা শেষ করে সবাই বাসায় চলে গেলো। বিকালে ইমু তার কোচিং শেষ করে বাসায়, যাচ্ছিলো কিন্তু একটু দূর থেকে একটি পুকুরের পাশ থেকে গিটারের শব্দ আসছিলো যা ইমুর খুব ভালো লাগছিলো। সাথে গানও শোনা যাচ্ছিলো। কাছে এগিয়ে যেয়ে দেখে ছেলেটা রাব্বি। গান গাইছে, নিকষ কালো এই আধারে স্মৃতিরা সব খেলা করে রয় শুধু নিরজনতা, নিরজনতায় আমি একা.... . ইমু ভাবতে থাকে, রাব্বি এতো গম্ভীর কেন? বন্ধুদের সাথে তো ঠিকই দুই পাটি দাত বের করে হাসে। আমার সাথে একটু ভালোভাবে কথা বললে কি হয় ওর!! ঠিক তখনই পিছন থেকে জয় এসে চমকে দেয় ইমুকে। । জয় : ভয় পেয়ে গেলেন তো!! হা হা হা। . ইমু : হ্যা। আচ্ছা ভাইয়া আপনার ওই বন্ধুটা এমন গম্ভীর কেন?? ঘারে ভুত আছে নাকি!! . জয় : তা বলতে পারবো না। তবে ও যখন বন্ধুদের সাথে থাকে তখন দুনিয়ার সবথেকে হাসিখুশি ব্যাক্তি আর যখন একা বা মন খারাপ থাকে তখন সবচেয়ে গম্ভীর। এর থেকে বেশি ওর বেপারে বলতে পারব না। ও যদি জানতে পারে যে কোনো মেয়েকে ওর বেপারে বলেছি তাহলে আমি খতম। . ইমু : হুম। মনে হয় ছ্যাকা খাইছে!!! হা হা হা.... . দুজনেই হেসে উঠলো তারপর ইমু বাসায় চলে গেলো আর জয় রাব্বির কাছে। তারপর থেকে প্রতিদিনই ইমু রাব্বির কথা ভাবতো। শুধু একটি কথাই ভাবতো যে হাসলে রাব্বিকে কেমন দেখাবে। পরের কলেজ ক্যাম্পাসে একা বসে গিটার বাজাচ্ছিলো রাব্বি আর ইমু দূর থেকে দেখছিলো। তারপর রাব্বি কলেজের বাইরে যেতে লাগলো সিগারেট খেতে। দেখলো একটা অন্ধ লোক রাস্তার পার হতে পারছেনা। রাব্বি তাকে পার করে দিলো আর ইমু সেটা দেখে খুশি হলো। এই প্রথম রাব্বির কোনো কাজ ইমুর ভালো লাগলো। রাব্বি তারপর সিগারেট খেয়ে কলেজে যেয়ে বসলো আর ইমুও এগিয়ে গিয়ে রাব্বির পাশে বসলো। । ইমু : কেমন আছেন? . রাব্বি : আজ সূর্য কোনদিকে উঠেছে?? আপনি আমার সাথে এসে এইভাবে কথা বলছেন!! . ইমু : এমনি!! আচ্ছা আমি কি আপনার বন্ধু হতে পারি?? শুনলাম আপনি নাকি অপরিচিত মেয়েদের সাথে কথা বলেন না। . রাব্বি : কে বলেছে??? . ইমু : কেউ না। আপনার ফেসবুক আইডিটা দেয়া যাবে?? প্লিজ না করবেন না। প্লিজ!!! . অনেক জোরাজোরি করে রাব্বির ফেসবুক আইডি নিয়ে রিকুয়েস্ট দেয় ইমু আর রাব্বি এক্সেপ্ট করে। তারপর তাদের কথা হত এফবিতে। আর সেখানেই শুরু হয় বন্ধুত্ব। কয়েকবছর পার হলো তাদের বন্ধুত্বের কিন্তু রাব্বির কোনো চেঞ্জ আনতে পারেনি। ইমু রাব্বিকে ভালোবেসে ফেলেছে রাব্বিও ইমুকে অনেক ভালোবাসে কিন্তু একটি কারনে এখনো রাব্বি ইমুকে সেটা বলেনি। রাব্বিদের ফাইনাল ইয়ার এক্সাম শেষ। সবাই এখন যার যার মত আলাদা হয়ে যাবে। সাকিব আর নয়নের বিয়ে বাসা থেকে মেনে নিয়েছে। আর জয়ের বিয়ের কথা চলছে শাম্মির সাথে। সবাই মিলে সেই খুশিতে একটা পার্টি এরেঞ্জ করলো। সেইখানে তারা সবাই আসলো। সন্ধার পর শুরু হলো পার্টি। । পার্টিতে সবাই আনন্দ করছে। সাকিব, জয়, নয়ন আর রাব্বি একটু দূরে আড্ডা দিচ্ছে। সাকিব : শালা ভালোবাসিস তাহলে বলতে সমস্যা কি?? . নয়ন : আরে প্রোপোজ কর আজ রাজি হইয়া যাইবো। . জয় : হুম। আজকের পর আবার কবে দেখা হইবো ঠিক নাই। . রাব্বি : প্লিজ। তোরা অন্তত জানিস আমার পরিবারের কথা। . সাকিব : আরে আন্টি-আংকেল তো তোর ফ্রেন্ডের মতো। তাদেরও লাভ ম্যারেজ তোর প্রব্লেম বুঝবে। . রাব্বি : না রে। বাদ দে ওইসব কথা। এনজয় কর সবাই। . রাব্বি বারান্দায় বারান্দায় যেয়ে সিগারেট খাচ্ছিল। ইমু এসে রাব্বিকে আজকের দিনটার জন্য রিকুয়েস্ট করলো সিগারেট না খেতে। রাব্বি এই প্রথম কোনো মেয়ের জন্য সিগারেট ফেললো। তারপর ইমু খুশি হয়ে নিশি, তমা আর শাম্মির কাছে গেলো। । তমা : বাব্বাহ!!! আজ পর্যন্ত কেউ যা পারেনি তুমি কিভাবে পারলে?? . নিশি : হুম!! সিগারেট যেহেতু ফেলেছে তারমানে রাব্বি ভাইয়া ভালোবাসে তোমাকে। . শাম্মি : কিন্তু রাব্বি জীবনেও মুখফুটে এইটা বলবেনা যে ভালোবাসে। তুই যেয়ে বল না। . ইমু : কিন্তু যদি রেগে যায়!! আর কথাই না বলে!! . নিশি : কিচ্ছু হবেনা। তুমি বলো। . তমা : হ্যা এরপর আবার কবে দেখা হবে সেটাও ঠিক নেই। . ইমু : আচ্ছা খাওয়া-দাওয়া শেষে বলবো। . রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে রাব্বি ছাদে গেলো। আর ইমুও ছাদে যেয়ে রাব্বির পাশে দাঁড়ালো। । ইমু : রাব্বি, তোমাকে একটা কথা বলার ছিলো। . রাব্বি : হ্যা বলো। . ইমু : তুমি অন্যাদিকে তাকাও আগে!! . রাব্বি : ওকে!! (অন্যদিকে তাকালো) . ইমু : আমি তোমাকে ভালোবাসি!!! (এক নিশ্বাসে বলে ফেললো) . রাব্বি : কিন্তু আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না। আমার বাবা আমি ছোট থাকতে তার বিজনেস পার্টনার এর মেয়ে তাসনুভার সাথে আমার বিয়ের জন্য কথা দিয়ে রেখেছেন। আমি চাইনা বাবা কথার খেলাফ করুক। আমাকে পারলে ক্ষমা কোরো। আর কোনোদিন তোমার সাথে দেখা হবেনা। বাই!! . রাব্বি কথাগুলো বলে ছাদ থেকে নেমে চলে গেলো। আর পরেরদিন সবাই যার যার মত চলে গেলো। তাদের জন্য একসাথে কাটানো এতোগুলা বছর কখনোই ভোলার মত না। । কয়েকমাস পর....!!! . আজ তাসনুভার সাথে রাব্বির বিয়ে। জয় আর শাম্মির বিয়ে হয়ে গেছে। তারা রাব্বির বিয়েতে এসেছে। নয়ন-নিশি, সাকিব-তমা ওরাও এসেছে। সবাই বিয়েতে খুব মজা করছে। সন্ধায় বিয়ে শেষ করে রাব্বি আর তাসনুভাকে একসাথে বসানো হলো। রাব্বি তাসনুভার দিকে তাকিয়েও দেখছে না। সবাই তাদের সাথে ছবি তুলছে। রাব্বির বন্ধুরা খুব হাসাহাসি করছে কিন্তু রাব্বির মুখে হাসি নেই। যেইটুকু হাসি আছে সেটুকু ফেইক, লোক দেখানো। বিয়ে শেষে রাতের বেলা রাব্বি বাসরঘরে ঢুকলো। দেখতে পেলো একহাত লম্বা ঘোমটা টেনে তাসনুভা বসে আছে। রাব্বির কাছে পুরাটাই বিরক্তিকর মনে হচ্ছে। রাব্বি তাসনুভার ঘোমটা না খুলে বলতে শুরু করলো। . রাব্বি : দেখুন আমি জানিনা আপনি কে!! ছোটবেলায় দেখেছিলাম আপনাকে। বাবার কথায় আমি বিয়ে করেছি। আপনি এই বাড়ির বউয়ের সম্পূর্ণ মর্যাদা পাবেন। কিন্তু আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না। . তাসনুভা : কেনো?? (ঘোমটার ভিতরে মুখ খুললো) . রাব্বি : কারন আমি ইমু নামের একটি মেয়েকে ভালোবাসি। . তাসনুভা : যদি আমি তাকে এনে দেই তাহলে আমাকে কি দিবেন?? . রাব্বি : (একটু উত্তেজিত হয়ে) পারবেন??!!! আপনি যা চাইবেন আমি তাই দিবো!!! প্রমিস!!! . তাসনুভা : তাহলে আজ থেকে তোমার সিগারেট খাওয়া বন্ধ!!! (ঘোমটা খুলে ফেললো তাসনুভা কিন্তু রাব্বি দেখলো ইমু বসে আছে ঘোমটার ভিতরে) . রাব্বি : একি!! তুমি!!! (খুশিতে চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে গেছে) . ইমু : হ্যা রে পাগল টা!!! তুমি আমার পুরা নাম শুনো নাই!!! তাসনুভা জাহান ইমু!!! তোমার আব্বু-আম্মু আর আমার আব্বু-আম্মু মিলে এই প্ল্যান করেছেন!!! . রাব্বি : মানে কি!!! . ইমু : আরে তারাও তো বুঝেন যে একজন অপরিচিত মানুষের সাথে জীবন কাটানো সম্ভব নয়। তাই তারা ইচ্ছা করেই আমাকে তুমি যেই কলেজে পড়ো সেইখানে ভর্তি করেছেন যাতে একে অপরকে আমরা জানতে পারি। কিন্তু দেখো আমরা দুজন দুজনের প্রেমে পড়ে গেলাম। . রাব্বি : ওহ!! তারমানে তোমরা সবাই মিলে আমাকে বোকা বানালে তোহ্!!! . ইমু : হ্যা গো বাবুটা!!! . রাব্বি : আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি বাবুই!!! . ইমু : ওইই!! বাবুই কি?? . রাব্বি : বাবু এর feminine gender.!!! gj . ইমু : হা হা হা....... । তারপর থেকেই তাদের জীবনে একসাথে পথচলা শুরু হয়। রাব্বি এখন তার বাবার ব্যাবসার দেখাশোনা করে আর তার বাবা-মা তাকে সব বুঝিয়ে দিয়ে গ্রামে চলে গেছেন। বাকি জিবনটা সেখানেই কাটাতে চায় তারা। । দুপুর : ১:৪৫....!!! . ইমুর ফোনে রাব্বি কল দিলো। . রাব্বি : হ্যালো। তুমি খেয়ে নিয়েছো?? . ইমু : না এখন খাবো। তুমি খেয়েছো? . রাব্বি : এইতো খেতে বসলাম। . ইমু : এইতো গুড বয়। . রাব্বি : তুমি খেয়ে নাও . ইমু : হ্যা। . রাব্বি : এই শুনো। একটা ইম্পরট্যান্ট কথা আছে। . ইমু : হ্যা বলো। . রাব্বি : আই লাভ ইউ বাবুই!!! . ইমু : আই লাভ ইউ টু বাবু!!!...... (অনুরোধে প্রকাশ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বাবুই ও বাবু
→ বাবুইয়ের ভুড়িতে বেঁধা কাঁটা
→ বাবুইয়ের ভুড়িতে বেঁধা কাঁটা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now