বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-তুমি কি বলছ? এটা কখনো হতে পারে না। আমার বাবা খুব ভালো মানুষ।(কাঁদছে)
-ইতি শান্ত হও। বাকিটা শোনো তাহলে বুঝতে পারবে তোমার বাবা আসলে ভালোর মুখোশ পড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। -এতোকিছুর পরেও আমি তাকে কিছুই বলতাম না। ও তোমাকে বলা হয়নি আমি তোমার ঘরেই থাকতাম আর এই আয়নাটাও এই ঘরেই লাগানো ছিলো। একদিন রাতে তোমার বাবা আমাকে একটা কাগজ দিয়ে বললো সাইন করে দিতে। হাতে নিয়ে দেখলাম ডিভোর্স পেপার।
এই প্রথম আমি তার বিরুদ্ধে কথা বললাম।কিছুতেই রাজি হচ্ছিলাম না ডিভোর্স দিতে শুধুমাত্র আমার অনাগত সন্তানের মুখে চেয়ে। আমি একা হলে ডিভোর্স দিয়ে চলে যেতাম। অনেক বোঝালাম তাকে। সে আমাকে বললো ডিভোর্স দেওয়ার সাথে সাথে গর্ভপাতও করাতে হবে কারণ যদি বাচ্চাটার কথা তার সেই ভালোবাসার মানুষ মানে বর্তমানে তোমার মা যদি জানতে পারে তাহলে তোমার বাবাকে কিছুতেই বিয়ে করবে না। তোমার মাকে কিছু না জানিয়েই তার সাথে সম্পর্ক চালিয়ে গেছে তোমার বাবা, তাই তোমার মায়ের কোন দোষ নেই, তার উপর আমার কোন রাগও নেই। গর্ভপাতের কথাটা শুনে পায়ের নিচের মাটি সরে গেলো। যে আমার শরীরের অংশ তাকেই মেরে ফেলবো? মা হয়ে আমি তা কিভাবে করি?
রাজি হলাম না। ডিভোর্স দিয়ে চলে যেতে চাইলাম আর আমার বাচ্চাটার প্রাণ ভিক্ষা চাইলাম। তোমার বাবা ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে গেলো। ডাক্তার তো মানুষকে সুস্থ করে কিন্তু তোমার বাবার মাথায় আসলো এক ভয়ংক নীল নক্সা। রেগে গিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো মেঝেতে। ব্যথায় চিৎকার করলাম। একটু সাহায্য চাইলাম ওঠার জন্য। কিন্তু সেই নির্দয় পিশাচটা আমার কথা শুনলো না।
আমার পেটে লাথি মারতে থাকলো। আমি অনেক বোঝাতে চেষ্টা করলাম আমার বাচ্চাটা তো কোন দোষ করেনি, আর এটা তো তারও বাচ্চা, ওর জন্য বার বার প্রাণ ভিক্ষা চাইলাম ঠিক তুমি যেমন আমার কাছে প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছ। বিছানার কাছে আমার ফলের ঝুড়ি আর ফল কাটার ছুড়ি ছিলো, তোমার বাবা সেটা হাতে নিলো। আমি বুঝতে পেরেছিলাম কি ঘটবে। আমি গড়িয়ে গড়িয়ে পিছাতে লাগলাম আর এই আয়নার সামনে এসে ঠেকে গেলাম। ব্যথার নড়ার উঠে দাঁড়ানোর শক্তিটুকুও ছিলো না।
তোমার বাবা কাছে আসতেই তার পায়ে ধরে বললাম,"আমাকে আর আমার সন্তানকে বাঁচতে দাও। আমি অনেক দূরে চলে যাবো ওকে নিয়ে, আমার কথা কেউ জানবে না।" তোমার বাবা বললো,"শত্রুর যেমন বাঁচিয়ে রাখা ঠিক না ঠিক তেমন তোমাকে বাঁচিয়ে রাখা বিপদজনক।" ঠাণ্ডা মাথায় হত্যার পরিকল্পনা করেই রেখেছিলো শয়তানটা। আমার হাজার প্রাণ ভিক্ষা উপেক্ষা করে আমার পেটে ছুড়ি বিধিয়ে দিলো। আমার স্বত্বা, আমার সন্তান, আমার মেয়েটাকে আমার ভেতরে থাকতেই মেরে ফেললো।
মৃত্যু যন্ত্রণা কত কষ্টের তা কেবল মৃত্যু পথযাত্রীই বুঝতে পারে। এতসব কষ্ট ছাপিয়ে আমার অনাগত মেয়েটার জন্য প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছিলো। আমি মরে যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তোমার বাবা আমাকে কষ্ট দিয়েছে। একফোঁটা পানি পর্যন্ত আমার মুখের সামনে ধরেনি। ছটফট করতে করতে জীবনের যবনিকাপাত ঘটেছে আমার আর আমার বাচ্চাটার। নিশ্চয় ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলো বাচ্চাটা। সেই কষ্ট আমি আমার মর্মমূল দিয়ে, মাতৃ মন দিয়ে উপলব্ধি করেছি। মৃত্যু যন্ত্রণার এক পর্যায়ে আমি অভিশাপ দেই তোমার বাবাকে।
"আমি আবার ফিরে আসবো। তুমি বেঁচে থাকতেই ফিরে আসবো। তোমার সবথেকে প্রিয় জিনিস হারানোর বেদনা তোমাকে বুঝিয়ে দেবো,শান্তিতে থাকতে দেবো না। আমি এই ঘরে মৃত্যুর সময়ে অভিশাপ দিলাম তোমাকে, এই ঘরেই আমি ফিরবো। আমার সন্তানকে তুমি বাঁচতে দাওনি, আমি তোমাকে শাস্তি দিতে আসবো।" এই কথা শুনে তোমার বাবা আরও কষ্ট দিলো আমাকে। তার অপারেশনের জন্য কেনা নতুন যন্ত্রপাতি বাড়িতে ছিলো।
তারমধ্যে থাকা কাঁচি দিয়ে অভিশাপ দেওয়ার জন্য আমার ঠোঁট কেটে দিলো। বাচ্চার কাথা সেলাই করার সূচ বিঁধিয়ে দিতে লাগলো আমার হাতে,পায়ে, মুখে। চিমটা দিয়ে আমার দুইচোখ বের করে ফেললো। আমি আর প্রাণবায়ু ধরে রাখতে পারলাম না। এই ঘরে এই আয়নাটার সামনেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লাম আমি আর আরেকটি নতুন প্রাণ। আমার লাশটা তোমাদের বাড়ির পেছনে বড় আম গাছের পাশে পুতে রাখা আছে। আমার নিখোঁজ হওয়া নিয়ে কেউ কোন প্রশ্ন তোলেনি কারণ টাকা দিয়ে সবার মুখ বন্ধ করে দিয়েছিলো মানুষরূপী পিশাচ। কিছুক্ষণ থেমে আবারো বলতে শুরু করলো ইশিতা।
তোমার মতোই আমি আয়নায় নিজেকে দেখতে পছন্দ করতাম। দিনের অনেকটা সময় এই আয়নার সামনে কাটতো আমার। তাই আমার অতৃপ্ত আত্মা এই আয়নায় বন্দি হয়ে যায়। আমার পৃথিবীতে ফিরে আসার পথ এই আয়না আবার পৃথিবী থেকে নিজের জগতে ফিরে যাওয়ার পথও এই আয়না। সেই থেকে আমি অপেক্ষার প্রহর গুণেছি, কবে শাস্তি দিতে পারবো তোমার বাবাকে। তোমার বাবা আয়নাটাকে ভয় পেতো কারণ আমি রাতে তাকে ভয় দেখাতাম আয়নায় এসে। তাই সে আয়নাটা বিক্রি করে দেয়।
এখনো তুমি বলবে তোমার বাবা ভালোমানুষ? ইতি কথা বলতে ভুলে গেছে। যে বাবাকে এতো শ্রদ্ধা করতো,ভালোবাসতো কিন্তু সেই মানুষটা দুজনকে খুন করেছে। মেয়ে হিসাবে এটা জানতে পারা কত দুঃখের,লজ্জার। অনেকক্ষণ চুপ থেকে হু হু করে কেঁদে ফেললো ইতি। শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিলো এতক্ষণ। -আমি আজ থেকে বাবাকে ঘৃণা করি। মানুষ কতটা খারাপ এরকম একটা কাজ করতে পারে। আমার ভাবতেও লজ্জা হচ্ছে এই মানুষটা আমার বাবা আর যাকে কিনা আমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা ভেবে এসেছি এতদিন। যে নিজের সন্তানকে হত্যা করতে পারে তার বাবা হওয়ার কোন যোগ্যতা নেই।
তোমার সাথে চরম অন্যায় করা হয়েছে। কিন্তু তুমি তার শাস্তি স্বরূপ আমাকে মেরো না। আমি আর আমার মা তো নির্দোষ, মা এসব কিছু জানে না। -ইতি আমি তোমাকে মারবো না, তোমার মাকেও কিছু করবো না। আমি ইচ্ছা করলে তোমার বাবাকে মেরে ফেলতে পারি। কিন্তু আমি সেটাও করবো না। আমি তাকে এমন কষ্ট দেবো যেরকম সে আমাকে দিয়েছিলো। সন্তান হারানোর যন্ত্রণাটা আমি তাকে বোঝাতে চাই। আমার সন্তানকে সে পৃথিবীর আলো দেখতে দিলো না। এখন সে বুঝবে সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাদের মুখে বাবা ডাক না শোনা, তাদের ভালোবাসা না পাওয়ার কেমন যন্ত্রণা। সন্তানের কষ্টে কেমন কষ্ট সেটাও হারে হারে বুঝবে।
-তারমানে তুমি কি করবে?
-আমি তোমার মাধ্যমে তোমার বাবাকে বোঝাবো সন্তানের কষ্টে কেমন লাগে। তোমার বাবা এর জন্য দায়ী। তোমাকে না মারলেও সবসময় শঙ্কার মধ্যে রাখবো তোমার বাবাকে। সবাই ভাববে কেউ তোমাকে মারতে চায়,কিন্তু আমি তোমাকে মারবো না বরং মৃত্যুর কাছাকাছি নিয়ে গিয়ে ফিরিয়ে আনবো। আমার হাতে তোমার মৃত্যু নেই। তুমি আর নিজের মধ্যে থাকবেনা, আমি তোমাকে দিয়ে যা বলাবো সেটাই তুমি বলবে। তবে হ্যা আমি সবসময় তোমাকে ভর করবো না,কিছুসময়ের জন্য তুমি নিজস্ব সত্ত্বায় থাকবে কিন্তু তুমি কাউকে বোঝাতে পারবে না তোমার কি হয়েছে। ইতি কথাটা শুনে ভয়ে শিটিয়ে গেলো। কান্না বেড়ে গেলো।
-তুমি চলে যাও। আমি মানছি তোমার সাথে খারাপ হয়েছে কিন্তু আমাকে কেন তুমি তোমার প্রতিশোধের অংশ হিসাবে নিচ্ছো?
-আমার সত্যিই কিছু করার নেই ইতি। তুমি 'আয়না বলয়ে' প্রবেশ করেছো! ত্রিশ বছর আগে আমিও এভাবে কেঁদেছিলাম আমার মেয়েকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু..... যাই হোক তুমি যেহেতু আমাকে মুক্ত করেছ তাই তোমার জন্য একটা সুযোগ থাকবে 'আয়না বলয়' থেকে বের হওয়ার।
-আয়না বলয়! কিভাবে বের হবো আয়না-বলয় থেকে? কতদিন পর?
-কতদিন লাগবে তা আমি বলতে পারবো না। যদি কেউ এসে এই বলয় ভেঙে ফেলে তাহলে তুমি আয়না বলয় থেকে মুক্তি পাবে আর আমিও এই পৃথিবী থেকে অন্য জগতে চলে যাবো। এই বলয় না ভাঙা পর্যন্ত আমি তোমার সাথেই থাকবো ইতি। আমি আয়না থেকে মুক্তি পেয়েছি ঠিকই তবে আমার আত্মার মুক্তি হয়নি, যেদিন বলয় ভেঙে যাবে সেদিন আমার আত্মা পুরোপুরি মুক্তি পাবে আর ততদিনে আমার প্রতিশোধ নেওয়া পূর্ণ হয়ে যাবে। -আয়না-বলয় ভাঙতে কিভাবে হবে? বলে দাও?
ইতির প্রশ্নের জবাব না দিয়েই ইতির দেহের মধ্যে মিশে গেলো ইশিতার ছায়ামূর্তি!
পরদিন সকালঃ ইতির বান্ধবীরা ইতিকে অজ্ঞান অবস্থায় পায়। অনেক চেষ্টা করার পর ইতির জ্ঞান ফেরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওর বান্ধবীরা লক্ষ্য করে ইতি অস্বাভাবিক আচরণ করছে। ইতির বাবা-মাকে খবর দেওয়া হয়। তারা অনেক চেষ্টার পরেও ইতি স্বাভাবিক হয় না। ওই ঘটনার পর বিগত পাঁচবছর ইতিকে আর স্বাভাবিক দেখা যায়নি। আয়না দেখেই ভয় পায়। চেঁচামেচি করে। বলে-তুমি চলে যাও।
আস্তে আস্তে বাড়ি থেকে সব আয়না সরিয়ে ফেলা হয়। ইতির ঘরের সেই সুন্দর দেওয়াল আয়নাটা আবারো বিক্রি করে দেওয়া হয়। ইতি ওর বাবাকে দেখলেই তেড়ে আসে মারার জন্য আর আজেবাজে কথা বলে। ওর বাবা কখনো ভাবতেও পারেনি তার মেয়ে তার সাথে এরকম করবে। মন ভেঙে যায় তানজীম আহসানের। মেয়ের শোকে দুইবছর পরে তার হার্টে সমস্যা ধরা পড়ে। বড় ছেলের সাথেও সম্পর্কে ভাঙন ধরে। বেঁচে থেকেও সুখে নেই ইতির বাবা। ইশিতা তার নিজের এবং সন্তানের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে পেরেছে।
এই হলো পাঁচ বছর আগের সেই পুরনো অতীত যা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে ইতি। ত্রিশ বছর আগের ঘটনাও জানা গেলো যা এই কাহিনীর মূল। ইশিতার প্রতিশোধ নেওয়া হলেও কাটেনি আয়না-বলয়! অতীতের কুহেলিকা তো কাটলো এবার ফিরে আসি বর্তমানে। ইতি এখন কষ্টে,ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। আগে মাথা তুলে বসে থাকতে পারতো কিন্তু এখন সবসময় মাথানিচু করে মেঝের দিকে তাকিয়ে থাকে কারণ মাথাতুলে তাকালে দেখতে পায় এক রক্তাক্ত মৃত শিশু। ইতি যে একবার রাতে উঠে ছাদে চলে গিয়েছিলো তা নিজের ইচ্ছেয় নয়, গিয়েছে ইশিতার মায়াজালে পড়ে। জিনিসপত্র ছোড়াছুঁড়ি করে ইশিতার নির্দেশে। আয়নার সামনে যেতে ভয় পায় কারণ আয়নায় ইতি নিজেকে দেখতে পায় না আর, আয়নার দিকে তাকালেই দেখতে পায় ইশিতাকে হত্যার দৃশ্য অথবা ইশিতার বীভৎস মুখ। যখন ইশিতার আত্মা ওর ভেতরে প্রবেশ করে তখনই চেঁচামেচি জুড়ে দেয়। আর বাবাকে গালাগালি করে, মারতে যায় নিজস্ব সত্ত্বা থেকে। ভীষণ ঘৃণা হয় বাবাকে দেখলে ওর।
ইতির মধ্যে এখনও নিজস্ব বোধ কাজ করে কিন্তু তা বুঝতে পারে না কেউ কারণ অদৃশ্য আয়না বলয়ে বন্দী সে! কেউ জানে না বোঝে না ইতি কেন এরকম করে, এই রহস্য অজানাই রয়ে গেলো ইতির কাছের মানুষ গুলোর কাছে। জানে শুধু একজন, সে হলো ইতির বাবা।
ইতি অস্বাভাবিক হওয়ার তিন বছর পর ইতির বাবা স্বপ্নে দেখতে পায় কেন তার মেয়ের এই অবস্থা। ইশিতা স্বপ্নে তাকে বলে,"দেখো কেমন লাগে সন্তানের কষ্টে।" নিজের পাপের ফল এভাবেই ভোগ করতে হচ্ছে তাকে। তবে এই কথা সে বলতে পারে না কাউকে, বললে যে তার পাপ সবার সামনে চলে আসবে। এখন মেয়ের এই পরিণতি নিজের চোখের সামনে দেখা ছাড়া কোন উপায় নেই তার। এভাবেই পাপীরা তাদের পাপের শাস্তি পায়। পাপ করলে শাস্তি অবশ্যম্ভাবী।
অতৃপ্ত আত্মার মনে থাকা প্রতিশোধ নেওয়া হয়ে গেলেও এখনো বলয় থেকে বের হতে পারেনি ইতি। হ্যা, আয়না বলয় থেকে বের হওয়ার উপায় অবশ্যই আছে। দূরের এক কুটিরে বসে কেউ একজন বহুদিন ধরে তন্ত্র সাধনা করে চলছে আয়না বলয় ভাঙার জন্য। হয়ত একসময় সে পৌঁছে যাবে ইতির কাছে ভেঙে ফেলবে আয়না বলয়, মুক্ত হবে ইশিতা সহ অতৃপ্ত আত্মার দল, মুক্তি পাবে ইতি। পদার্পণ করবে স্বাভাবিক জীবনে! ___________________সমাপ্ত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now