বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঘটনাটা আমার এক বন্ধুর মামার কাছ থেকে শোনা । নাম পিয়ারুজ্জামান । উনি থাইল্যান্ড এ থাকতেন । তার সাথে থাইল্যান্ডের ই এক বাঙ্গালীর সাথে পরিচয় হয় । তো দেশে দুই জন এক্ সাথেই ফেরেন । ঐ বন্ধুর নাম আখতার । দেশে ফেরার কয়েকদিন পরেই আখতার বিয়ে করেন । বিয়েতে মামাকে দাওয়াত দেন । উনাদের বাড়ি সিরাজগঞ্জের Sahajadpur এ । বিয়ের দুই দিন আগেই মামা সিরাজগঞ্জ যান । ঘটনার দিন আখতার এর গায়ে হলুদ ছিল । গায়ে হলুদের দিনই পাশের বাড়ির এক মেয়ে মারা যায়. মেয়েটি আখতার এর চাচাতো বোন ছিল । তো এমন ঘটনায় সবাই মন মরা হয়ে গেল । বিয়ে দুই দিন পিছিয়ে গেল । ঐ রাতেই মেয়েটির দাফন কাফনের কাজ শেষ হল । রাতে মামা আর আখতার সহ সবাই বাড়ির উঠানে বসে কথাবার্তা বলছে । প্রসঙ্গ: মেয়েটার হঠাৎ মৃত্যু । তো এক সময় বাড়ির কোন এক সদস্য কল পারের গাছের নিচে কিছু একটা নড়তে দেখে । একটু ভাল করে খেয়াল করে দেখে সাদা কাফন পরা ঐ মেয়েটি দাড়িয়ে আছে । ভয়ঙ্কর ব্যপার তখন ঘটে যখন এই ঘটনা সবাই দেখে । শুধু একজন নয় । বাড়ি তে দোয়া দুরুদ পড়া শুরু হয়ে যায় । কোনভাবে রাত পার করে সবাই ।
পর দিন সকালে ফজরের নামাজের সময় আখতার এর বাবা অজু করতে কল পারে গেলেন । তিনি ঠিক তখনো মেয়েটিকে একি জায়গায় দেখলেন । ব্যপারটা তার কাছে অনেক ভয়ঙ্কর মনে হল । সকাল বেলায়ও যে একই ঘটনা ঘটবে তা তিনি ভাবেন নি । তিনি ঘটনাটি নিয়ে মসজিদের ইমামের সাহেবের সাথে আলাপ করেন । ইমাম সাহেব মেয়েটির লাশ কে কবর থেকে তুলতে বলেন । কবর থেকে লাশ তোলার পর ইমাম সাহেব বাড়ির মহিলাদের বলেন মেয়েটির শরীর একবার পরখ করে নিতে । তো মেয়েটির শরীরে কোনো নাপাক কিছু আছে কিনা সবাই ভাল করে দেখল । ভালভাবে দেখার পর দেখা গেল যে মেয়েটি হলুদের অনুষ্ঠান এর জন্য সাজতে গিয়ে হাতে পায়ে nail Polish লাগিয়ে ছিল । তারই কিছু অংশ পায়ের কোন এক নখে লেগে ছিল । গোসল এর সময় সেখানে পানি না যাওয়ার ফলে মেয়েটিকে কবর গ্রহণ কর ছিল না । পরে আবার লাশ টিকে গোসল করানো হয় । এবং পরিপাটি করে কবর দেয়া হয় । এর পর মেয়েটির আত্মা টিকে আর কেউ কল পারে দেখেনি । মামা আরো বলেছেন যে, আজও গভীর রাতে কল পার থেকে নাকি কান্নার শব্দ পাওয়া যায় । কিন্তু কেউ আর মেয়েটির আত্মা টিকে দেখতে পায় না....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now