বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আসসালামুআলাইকুম।।।
★★আল্লাহ তায়ালা নারী ও পুরুষকে সৃষ্টি করেছেন আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী করে, আলাদা আলাদা ভাবে।
ইসলামে নারীদের মর্যাযা অধিক। ইসলামে নারী ও পুরুষের কাজকে আলাদা করে দিয়েছেন আর সেভাবেই তৈরী করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা নারীদের পর্দার আড়ালে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আর ঘরে থাকতে বলেছে। তার কাজই হলো ঘরে থাকা, পর্দা করা, সন্তান স্বামীর খেয়াল রাখা, যত্ন নেওয়া।আর ঘরের কাজ সামলানো।
সেজন্য নারীদের দিকেহ নমনীয় কোমল। কারন তাকে বাইরের কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে, কঠোর পরিশ্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে পুরুষদের দেহ কঠিন ও মজবুত। কেননা তাদের সৃষ্টি করা হয়েছে বাইরে পরিশ্রম করে, অর্থ উপার্জন করে নারীর ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া।
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সা) বাইরে থেকে এসে তাঁর স্ত্রীকে ঘরের কাজে সাহায্য করতেন।
ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মে নারীদের এতো সম্মান দেওয়া হয় না। অন্যান্য ধর্মে দেখবেন নারীদের দাসী, অপবিত্র বলে সম্বোধন করা হয়েছে। যারা নারীদের উপর একসময় অত্যাচার, নির্যাতন চালাতো আজ তারাই কিনা নারীদের বলছে যে
"" নারী তুমি পিছিয়ে থেকো না, পুরুষের থেকে তুমি কম কিসের? নারী পুরুষ সমান। তুমিও পুরুষের সাথেই কাজ করো ""
এই বলে নারীদের নিরাপত্তার স্থান ঘর থেকে বের করে, পর্দার আড়াল করে রাস্তায় নামানো হচ্ছে।
পুরুষের সাথে খেটে খুটে পরিশ্রম করানো হচ্ছে।
তাহলে বলুন এরা কি সত্যিই নারীর মঙ্গল চায়???
অন্য দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে,,, নারী পুরুষ উভয়ই একসাথে কাজ করছে।
কাজ সেরে যখন বাড়িতে আসে তখন ঘরের কাজগুলো কে করে, নারী নাকি পুরুষ???
নিশ্চয়ই নারী করেন!!
কেননা আল্লাহ তায়ালা নারীকে এসব কাজের জন্যই সৃষ্টি করেছেন, বাইরের কাজের জন্য নয়। তাহলে বলুন এটাকে কি সমান অধিকার বলে???
এই কোমলমতী নারীদের সমান অধিকারের নামে দ্বিগুন পরিশ্রম করানো হচ্ছে!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now