বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাতে বাসার সবাই হাই ভলিউমে টিভি দেখায় পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে না পারাটা মেইন সমস্যা না। মেইন সমস্যা হচ্ছে হাই ভলিউমের সাউন্ড হলেও কোন সাবজেক্টগুলো, কোন টপিকগুলা পড়া যাবে সেগুলা খুঁজে বের করে ট্রাই না করা।
.
বাসায় রেগুলার আত্মীয়-স্বজনের আনাগোনা আর চিল্লাফাল্লার কারণে পড়তে পারিনা বলে অভিযোগ করইন্না পোলাপানরে যদি জিজ্ঞেস করি- ভোর চারটার সময় কি কেউ হাই ভলিউমে গান ছাড়ে, বা চিল্লাফাল্লা করে? তুমি কয়দিন ভোর চারটার সময় উঠে পড়ার চেষ্টা করছো? তখন আর মামুর কথা বের হয় না।
.
বাসায় কেউ অসুস্থ, কারেন্ট থাকে না, আরেকজনের সাথে রুম শেয়ার করতে হয়, পড়ার টেবিলের উপরে ফ্যান নাই, অন্য কেউ জোরে জোরে ফোনে কথা বলে- এরকম দু-চারটা প্রবলেম প্রায় সব লোয়ার মিডেল ক্লাস ফ্যামিলিতেই থাকে। তবে এদের মধ্যে যারাই সমস্যাগুলার সাথে এডজাস্ট করে নিজের পড়ার স্টাইলটা এডজাস্ট করে নিবে। দরকার হলে বারান্দায়-লবিতে দাঁড়িয়ে, বাসে-টেম্পুতে যাওয়ার সময় পায়ের উপর বই খুলে রেখে পড়ারমতো অপশনগুলো খুঁজে বের করবে তারাই এগিয়ে যাবে। বাকিরা শুধু অজুহাত আর আফসোসের লিস্টটা বড় করবে।
.
চাইলে ডিস্টার্ব হওয়ার সময় চিত্র আঁকা, অঙ্ক প্রাকটিস করা, প্রাকটিক্যাল খাতায় ছবি আঁকা, কিংবা হেডফোন লাগিয়ে, দরজা বন্ধ করে অথবা নিজেই জোরে জোরে পড়ে- এমন সল্যুশন যত বেশি ট্রাই করতে থাকবে, যত বেশি উপায় খুঁজতে থাকবে, তত সহজে একটা না একটা পেয়ে যাবেই। তোমার মতো করেই একটা সল্যুশন দাঁড়িয়ে যাবে।
.
মনে রাখবে, যতক্ষণ ডাইরেক্টলি বা ইনডাইরেক্টলি একটা সমস্যা ওভারকাম করার চেষ্টা করতে থাকবে, ততক্ষনই এগুতে থাকবে। ততক্ষনই সিলেবাস কমতে থাকবে। আর যখনই হাত-পা ছেড়ে দিয়ে সমস্যার সাথে আপোষ করবে, তখনই সমস্যা- সমস্যা হয়ে তোমার উপর, তোমার ফিউচারের উপর ঝেঁকে বসবে।
আর্ট অফ আতলামি- ১২
writter : Jhankar Mahmub.
(অামার প্রিয় লেখক)....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now