বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
আপনার লক্ষ্য
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Samir♥ (০ পয়েন্ট)
X
আজ আমরা ইসলাম থেকে দূরে সরে গিয়েছি। আমরা ডুবে আছি দুনিয়াকে জয় করার লক্ষ্য নিয়ে। আগেকারদিনে সকল সাহাবীগণ তার নিজের পুত্র-কন্যাদের দ্বীনি শিক্ষায় সুশিক্ষিত করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যেত কিন্তু বর্তমানে বড়ই আফসসের বিষয় প্রত্যেক পিতা-মাতায় চায় তার ছেলে-মেয়ে বড় হয়ে অফিসে চাকরী করে, ডাক্তার হয়ে, ব্যাংকার হয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ুক আর এই ক্যারিয়ার গঠন করার জন্য তারা সর্বান্তক চেষ্টা চালিয়ে যায়। কিন্তু এমন মা-বাবা পাওয়া যাবে না যে, তার নিজের পুত্র-কন্যাদের ফজরের নামাযের জন্য ডেকে দেয়। ফজরের নামাযের কথা নাহয় বাদই দিলাম, অনেক পিতা-মাতা তো নিজেই নামায আদায় করে না, তাহলে সে তার সন্তানদের কেনো বলবে নামায আদায় করার জন্য। অথচ; নামায আদায় করা ফরজ আর যে নামাযের মতো একটা ফরজ কাজ থেকে বিরত থাকে, সে কিভাবে মুমিন থাকে!! আপনার কি একটুও মনে হয় না!! যে ফরজ কাজ থেকে বিরত থাকে সে ফরজ কাজকে অস্বীকার করছে। যদি না মনে হয় তাহলে আসুন একটা উদাহরণ দিই, ধরুন আপনি একটি অফিসে চাকরী করেন আর আপনার বস আপনাকে প্রতিদিন খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করতে দেয়, আর আপনি যদি এই কাজ প্রতিদিন ইচ্ছা করে না করে দেন তাহলে আপনার বস মনে করবেন, আপনি ইচ্ছা করেই তার অফিসের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন, এইজন্য আপনার বস আপনাকে কখনোই তার অফিসে রাখতে চাইবেন না। কারন আপনি বসের আদেশ-নিষেধ অমান্য করেছেন আর এই অমান্য করাটাই হলো অস্বীকার। আর আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়ালা আমাদেরও আদেশ করেছেন নামায আদায় করার জন্য।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,
আর তোমরা সালাত কায়েম কর ও যাকাত দাও এবং যে নেক আমল তোমরা নিজদের জন্য আগে পাঠাবে, তা আল্লাহর নিকট পাবে। তোমরা যা করছ নিশ্চয় আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা।(সূরা বাকারহ, ১১০)
আর আপনারা(পিতা-মাতা) চিন্তা করবেন না, আপনি তো আপনার ছেলে-মেয়েদের সঠিক পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন না(যদিও আপনারা সত্য সম্পর্কে অবগত আছেন) আর আপনি তো আপনার ছেলে-মেয়েদের জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন সাথে আপনিও জাহান্নামের দিকে যাচ্ছেন। আসলে আজ ডিজিটাল(আস্ত একটা ফিজিটাল মার্কা, এই ডিজিটালের কারনে আরো বেশী লোক ইসলাম থেকে সরে যাচ্ছে) যুগে আমরা এই যুগের সাথে তাল মেলানোর চেষ্টা করছি। আমরা কিন্তু এখন মারাত্মক ফিতনার যুগে বসবাস করছি।
কিয়ামতের অন্যতম নিদর্শন হল ‘দাববাতুল আরদ’ বের হওয়া।
ইমাম আহমদ (র.) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দশটি নিদর্শন না দেখা পর্যন্ত কিয়ামত হবে না তন্মধ্যে অন্যতম হল, দাববাতুল আরদ বের হওয়া। ইবন কাছীর বলেন, শেষ যামানায় যখন মানুষ সৎকাজের আদেশ দেবে না, অসৎ কাজ হতে নিষেধ করবে না, সত্য দীন পরিবর্তন করবে এবং চারদিকে ফিতনা-ফাসাদ ছড়িয়ে পড়বে তখন ‘দাব্বাতুল আরদ’ বের হবে।
আমরা কিন্তু এখন এই ফিতনার যুগেই বসবাস করছি, আর বিভিন্ন রকমের(অসংখ্য) তাগুতি মিডিয়া চালু হয়েছে, যেখানে একজন আলেম, দ্বায়ী, মুজাহিদদের প্রতি ভুলভাল খবর প্রচার করে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করছে। যেমন ধরুন, মুসামা বিন লাদেনের মতো নিষ্পাপ মুজাহিদের বিরুদ্ধে ভারতের চ্যানেল National Geography তে কিছু ফিল্ম তৈরী হয়েছে যা দ্বারা সহজেই একজন মুসলিম বিভ্রান্ত হবে। আজ বাংলাদেশের শাসন-ব্যবস্থার দিকে তাকালেও দেখা যায় এখানে ইসলামি শরীয়াতের সাথে কোনো মিল নেই। আমরা যতোদিন না ইসলামি শরীয়াহ প্রতিষ্ঠা করতে পারবো! ততোদিন দুনিয়াতে কোনোদিন শান্তি ফিরে আসবে না, আর যারা ইসলামি শরীয়াহ প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীহাদ করে, এদের বিরুদ্ধে কিছু ভন্ড পীর-আলেম ফতুয়া দেয় এরা জঙ্গী, এরা সমাজে অশান্তি তৈরী করবে। আবার কিছু ফতুয়াবাজরা জীহাদের মতো উত্তম ইবাদত থেকে মুমিনদেরকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন আজগভী ফতুয়া দিয়ে দূরে সরিয়ে রাখে। আমার কথায় কি আপনার গায়ে লাগছে!! লাগবেই তো, সত্য কথা বললে তো গায়ে লাগবেই। নিজেকে কি মনে করেন আপনি!! আপনি ইসলামের মৌলিক বিধান গুলো না মেনে নিজে একাই জান্নাতে যাবেন, আর আমরা কি ঘোড়ার লাগাম ধরে বসে থাকবো। কাউকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনি কি জান্নাতে যাবেন নাকি জাহান্নামে যাবেন?? অবশ্যই উত্তর আসবে, আমি জান্নাতে যাবো। আরে ভাই আপনি জান্নাতে যাবেন, কি এমন কাজ করেছেন যে আপনি জান্নাতে যাবেন, যখন পৃথিবীর একপ্রান্তে মুসলিম শিশু-নারী ও যুবকরা অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে। সেখানে আপনি বাড়িতে বসে বসে খাচ্ছেন আর আরামে ঘুমাচ্ছেন, চিন্তা করবেন না!! আপনার জন্যও শাস্তি অপেক্ষা করছে। আপনার এক মুসলিম ভাই অত্যাচার-নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে, আর আপনি সেটা চুপচাপ মেনে নিচ্ছেন, যদি আপনাকেও সেই পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয় তখন কি করবেন!!
হে মুসলিম ভাই ও বোনেরা!! আপনাদের প্রতি আমার উপদেশ, আপনারা নিজেকে প্রস্তুত করুন, আর যদি নিজেই প্রস্তুতি না নিয়ে থাকেন তাহলে ইহুদিরা আপনাকে আপনার বাড়িতেই মেরে রেখে যাবে।
(বি, দ্র, আশা করি আপনাদের বোঝাতে পেরেছি, আর যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে তাহলে মাফ করবেন)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now