আনন্দময় দিনগুলো
X
আমি ঐশীকে ডাকছি"এই ঐশী ঐশীইইইইইই এ ঐশীইইইই ।"
"কি বলিস?এতো ডাকিস কিসের জন্য?"
"এমনি।"
"এমনি না বল।"
"এতো রাগ কেন রে?ভালো কথায় তো বলছি।"
"ঠিক আছে।"
ইভা আসছে।ইভার সাথে দেখা হলেই প্রথমেই আমি একটা কথা বলি।আজকেও বললাম
"হাই মিতা খাবু কি তিতা?"
এইটা বললে ইভা একটা হাসি দেয়।আজও দিলো।আমি বললাম "এইযে প্রতিদিন বলি তিতা খাওয়ার কথা বলি একদিন সত্যিই খাওয়াবো।"
"হুমম খাওয়াস।"
আমি ঝিলিককে দেখেই বললাম
"হেই ঝিলিক খালি জিলিক পারিস কিসের জন্য?"
"কোথায়?"
"কিছু না যা।ওহ হাই ছন্দা বন্দা (আমি ছন্দাকে দেখলেই এই কথা বলি)
ছন্দা কাছে এসে বলল "হাই বুবলি।"
"কিরে দিনকাল ভালো চলছে তোর?"
"হুমম চলছে ভালো।তোরও তো ভালোই।"
"হ্যা।"
আমি রিফাহর কাছে এলাম।রিফাহ আমাকে দেখেই বলল "এই ইসরাত কোথায় থাকিস তুই?"
আমি বললাম "এইতো স্কুলের ভেতরই ছিলাম।বাইরে তো যাইনি।"
সুবর্ণা বলল"হুমম।তোর তো কাজ খালি স্কুলের ভেতর ঘুরে বেড়ানো।"
ইশা বলল "ইসরাত তোর ব্যাগের ভেতর দেখতো।"
আমি ক্লাসে ঢুকেই দেখতে লাগলাম ব্যাগে কি আছে।এইটা কি?চিঠি?সবার ওপরে লেখা আছে ইসরাত তোর চিঠি।আমি কাগজের ভাঁজ খুলে দেখলাম শূন্য শূন্য চিঠি।কিছুই নেই।আমি রিফাহর কাছে যেয়ে বললাম "চিঠিটা খুব সুন্দর।"
রিফাহ বলল "কি লেখা আছে?"
"লেখা আছে I love U।কে দিয়েছে এই চিঠি?"
"দেখি ওই চিঠি।"
আমি কাগজটা রিফাহরহাতে দিলাম।রিফাহ বলল "এখানে তো কিছুই লেখা নাই।"
আমি বললাম"হ্যা তোরা এরকম চিঠি দিলে তো হবেই।"
সুবর্ণা হেসে উঠলো।আমিও হাসতে থাকলাম।আমি মাঠে বসে পড়লাম।রিফাহ, সুবর্ণা,ইশাও বসলো।আমরা মাঠে বসেই গল্প করি।
অনেক হাসাহাসি গল্প করলাম।আমি জুতা খুলে মাঠে বসে আছি।এখন গল্প শেষ।জুতা খুঁজছি।আমি খুঁজে পাচ্ছি না।কে লুকিয়ে রাখলো?ইস ভালো লাগে না।অনেক খুজলাম।তারপর ইভা এসে বলল "তোর জুতা ঐযে ওখানে।"
আমি ইভাকে তিনচারটা মারলাম আমার জুতা লুকিয়ে রাখার জন্য।আরেকটু পর স্কুল ছুটি দিবে।সাবার কাছে যেয়ে বললাম"সাবা শোন?"
"কি?"
"কিছু না।"
"কিছু না যা।"
"কোথায় যাবো না?আর একটু পর তো স্কুল ছুটিই দিবে তখন চলে যাবো।"
"ঠিক আছে।"
একটু পর আমাদের স্কুল ছুটি দিলো।আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গায় ফিরে গেলাম।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now