বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যখন আমি বুঝতে পেরেছি যে আমাদের জীবনের কোথাও ছিটেফোঁটা আনন্দ নেই
কিছুদিন থেকে আমার দিনকাল বেশি ভালো যাচ্ছে না। আসলে শুধু কিছুদিন না–আমি যদি একটু চিন্তা করি তা হলে মনে হতে থাকে যে অনেকদিন থেকেই আমার দিনকাল বেশি ভালো যাচ্ছে না। আমি যদি সবকিছু ছেড়েছুঁড়ে অনেকক্ষণ ধরে খুব গভীরভাবে চিন্তা করি তা হলে মনে হয় আমি বের করে ফেলতে পারব যে আসলে কখনোই আমার দিনকাল বেশি ভালো যায় নাই। (তবে আমি কখনোই কোনো কিছু নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে পারি না-যে কোনো জিনিস নিয়ে একটুক্ষণ চিন্তা করলেই আমার কেমন জানি দম আটকে আসে।)
আমার যে দিনকাল ভালো যাচ্ছে না সেটা বোঝার জন্যে খুব বেশি চিন্তা করার দরকারও হয় না-চিন্তা না করেও সেটা বের করে ফেলা যায়। আমরা দুই ভাই, আমার বড় ভাইয়ের নাম টিটু আমার নাম তিতু। বড় ভাইকে সবাই ঠিক করে ডাকে টিটু, বেশিরভাগ মানুষ আমাকে তিতু না ডেকে ডাকে তিতা। যারা আবার একটু বেশি ঢং করতে চায় তারা মুখটা সুচালো করে নাকি সুরে বলে তেঁতো, তারপর এমনভাবে মুখের একটা ভঙ্গি করে যেন কেউ সত্যি সত্যি তাদের মুখে তেতো করলার রস ঢেলে দিয়েছে। আমি ঠিক করেছি বড় হওয়া মাত্রই হাইকোর্টে মামলা করে আমার নামটা বদলে ফেলব। কী নাম নেব এখনো ঠিক করি নাই–তবে সেই নাম নিয়ে কেউ যে ঢং করতে পারবে না সেটা আমি এখন থেকেই ঘোষণা দিয়ে রাখতে পারি।
আমাদের বাসায় আমরা টিটু তিতু এই দুই ভাই ছাড়াও আছে আমার আব্বু, আম্মু আর ফুলি খালা। আব্বু ব্যাংকে চাকরি করেন আম্মু একটা স্কুলে পড়ান আর বলা যেতে পারে ফুলি খালা আমাদের সবাইকে দেখেশুনে রাখেন। ফুলি খালার মেজাজ অবশ্যি খুবই গরম, দুই তিনদিন পরে পরেই চিৎকার করে বলেন, “আমি আর এই বাসায় থাকব না! এই বাসায় কোনো মানুষ থাকতে পারে না। এখানে কোনোরকম নিয়মনীতি নাই, কোনো রকম শৃঙ্খলা নাই, আমি একজন মানুষ কতো কাজ করব? বাসায় কাজ করি তার মানে কি আমি ক্রীতদাস? শপিংমল থেকে আমাকে কিনে এনেছে?”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now