বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
(আ)
ডাইনিং রুম, সকাল সাতটা দুই মিনিট। ইকবাল সাহেব বেশ
সন্তুষ্ট নুসরাত ফারিহার সময়জ্ঞানে। বাঙ্গালীদের
সাতটা মানে সাড়ে সাতটা, আর মেয়েদের বেলায়
দশটা বেজে গেলেও কোন অভিযোগ করা
আইনে বারণ। আমেরিকায় বড় হয়েছে বলেই
হয়তো ফারিহা ব্যাতিক্রম, সাতটায় মিট করার কথা বলে
সাতটা একও বাজায়নি, ঠিক সাতটাতেই কলবেল
বাজিয়েছে ইকবাল সাহেবের বাসার দরজায়। ডাইনিং-
এ বসতে বসতে অবাক হয়ে বড় ছুরিটা হাতে
নিয়ে ইকবাল সাহেবের দিকে তাকালেন ফারিহা
কৌতুহলী চোখে। লজ্জার হাসি হাসলেন ইকবাল
সাহেব।
‘ব্যাচেলর মানুষ তো, ব্রেড কেটে ছুরিটা আর
টেবিল থেকে সরানো হয়নি।’ গ্লাভস পরা হাতে
ছুরিটা ফারিহার হাত থেকে নিয়ে সরিয়ে রাখতে
রাখতে ইকবাল সাহেব বললেন।
চোখের ভ্রু নাচালো ফারিহা,‘ব্রেড কাটার ছুরি!
এটা দিয়ে তো জলজ্যান্ত মানুষই কেটে ফেলা
যাবে!হোয়াটএভার,আপনার কেসের
ইনভেস্টিগেশন কতদূর?’ প্রত্যাশার দৃষ্টিতে
তাকালো ইকবাল সাহেবের দিকে।
গম্ভীর হবার চেষ্টা করলেন ইকবাল সাহেব,‘পাঁচটি
খুনের কিনারা করে ফেলেছি প্রায়,এভিডেন্সও
আছে,শুধু…।’
‘শুধু?’ অসহিষ্ণু কন্ঠ ফারিহার।
‘মাহাবুব সাহেব,মানে তোমার বাবার খুনের মোটিভ
খুঁজে পাচ্ছি না।’ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ফারিহার
এক্সপ্রেশন দেখার চেষ্টা করেন ইকবাল।
কিছুটা অপ্রতিভ ফারিহা,‘হুম’ বলে চুপ হয়ে যায়।ডুবে
যায় যেন কোন গভীর চিন্তায়।নাকি দুঃচিন্তায়?
টুকটাক আলাপে ব্রেকফাস্ট শেষ হয় দুজনের।
বিদায় নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে ভরাট
গলায় ডাকেন ইকবাল সাহেব,‘ফারিহা!’একটু থেমে
ফের বলেন,‘সাবধানে থেকো।’
অবাক কিংবা ভীতসন্ত্রস্ত ফারিহার চোখে কি
এড়িয়ে যায় ইকবাল সারোয়ারের অর্থপূর্ণ দৃষ্টি?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now