বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Ambulance

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোশারেফ(guest) (০ পয়েন্ট)

X এক সরকারি হসপিটালে কর্মরত Ambulance চালক কবির। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি লাশ পরিবহন করে আসছেন। অার এ কাজ তাকে দিনে রাতে যেকোনো সময় করতে হয়। লাশ পরিবহন করা তার কাছে বা হাতের খেলা। কবির ভাইয়ের অনেক সাহস। রাত বিরাতে খাল বিল পার করে লাশ, লাশের পরিবারের নিকট পৌছে দিয়ে আসেন। তবে এবার তার সাহসের পরীক্ষা দেবার পালা। রাত ১০ টার সময় খবর এল হসপিটাল থেকে : ভাই আপনাকে আজ একটা পোস্টমডাম করা একটা Deadbody পৌঁছেদিতে হবে। কবির বললেন: ও! That's right. আবার হসপিটালের লোক বললেন: Brother! ওটা That's right না That's alright হবে। কবির ভাই মনে মনে বললেন : হতরছাড়ারা বেশি Tinglish জানে আমরা মনে হয় Tinglish যানি না। তাড়াহুড়ো করে লাশ নিতে আসেন তিনি তার হসপিটালে। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন লাশ নাকি তাকে বরিশাল পাঠাতে হবে। তার কাজের জায়গা থেকে প্রায় ৮০ কিমি দূরে। রেগে মেগে জোরাজুরি করে লাশটাকে Ambulance -এ তোলেন। আর জোরে জোরে বলতে থাকেন এত Rock আমি করতে পারব না আমার দিয়ে এত Rock করালে আমি কাজ করব না। আবার হসপিটালের লোকরা বলতে থাকেন: ভাই ওটা Rock না Work হবে। জোরে Ambulance - এর দরজাটা আটকে লাশ নিয়ে চলতে লাগলেন। Drive করতে করতে তিনি এক ফঁাকা গলিতে আসলেন। যেহেতু নিরিবিলি জায়গা তাই যে কোনো sound কানে লাগবেই। হঠাৎ তিনি হাড় কড়মড় করার আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি মনে করলেন কোনো কুকুর হয়তো এটা করছে But তিনি খেয়াল করলেন ১ মাইল চলে আসার পরও সেই হাড়কড়মড় করার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। তারপর তিনি বুঝতে পারলেন এই আওয়াজটা অন্য কোথাও থেকে আসছে না বরং আসছে তার নিজের Ambulance থেকে। দেরি না করে তিনি Ambulance থেকে নেমে Ambulance - এর পিছনের ডেকি খুলে যা দেখলেন তা তিনি নিজের চোখকেই বিশ্বাশ করতে পাঝিলেন না। Horror movie - এর মোতোন লোকটার হাত পা মাথা পিঠ বেকিয়ে বেকিয়ে ভেঙে যাচ্ছে। অনেক সাহস থাকার কারনে তিনি quickly ডেকিটা close করে চালকের আসনে বসেন। যাইহোক তাকে লাশটা পৌছে দিতে হবে তা না হলে তার চাকরি থাকবে না। সেই অবস্থায় তিনি খালবিল পার করে ফেরিঘাট পার করে তিনি বরিশালের মাটিতে পা দিলেন। মনে মনে বলতে থাকলেন আর কিছু দূর, আর কিছু দূর মাএ। তখন ভোর ৪ টা বাজে। তিনি বুঝতে পারলেন তার হয়ত চাকরি নাও থাকতে পারে। লাশের মালিকরা কী বলবেন। হসপিটালের লোকরাও তো দায় নেবে না। ভাবতে ভাবতে তিনি হঠাৎ ঝাঁকুনি অনুভব করলেন। sound তখন না হলেও আবার ঝাঁকুনি শুরু হতে লাগল। ১ মিটার পথকে ১ কিলোমিটার মনে হচ্ছিল। অনেক কষ্টের পর তিনি লাশের বাড়ি পৌঁছালেন। লাশের মালিকরা লাশ চেলে তিনি ভয় পেলেন। বেঁকা তেরা লাশ তিনি আনেননি। তবুও তিনি বুদ্ধি করলেন যদি তারা কিছু বলেন তবে আমি বলব যে পোস্টমডামের সময় এমন হয়েছে। ডেকি খুলে তিনি দেখতে পেলেন যে লাশের কিছুই হয়নি। একদম আগের মতন আছে। নিজের চোখকে তিনি বিশ্বাশ করতে পারলেন না। তার মতোন অমন সাহসী মানুষ ভয়ে ফিট হয়ে গেলেন। কিছুকাল পর তিনি তার হাসপাতালের সিটে নিজেকে পেলেন। তিনি জানতে পারলেন যে তিনি লাশের বাড়িতেই ফিট হয়ে ছিলেন এবং তিনি কোমায় ছিলেন দীর্ঘ ১০ বছর আর তিনি এই বেডেই কাটিয়ে দিছেন। আজ তার বয়স ৫০।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ Ambulance

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now