বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি দিঘী।
আজ আমি আমার শৈশবের কিছু মজার অভিজ্ঞতা লিখবো।আশা করি ভালো লাগবে।এখন একটু পেছনে ফিরে তাকাই ।তাহলে শুরু করা যাক!!!!!!!
আমার শৈশবের অনেক মজার মুহুর্ত কেটেছে আমার মামার বাড়িতে।মামার বাড়িতে বেড়াতে গেলেই শুশিলগড়ের ট্রেন
ধরতে হতো।ট্রেন থেকে নামার আগেই জানলা দিয়ে কেউ আমাকে কোলে তুলে নিতো। ট্রেন পৌছাতো মধ্যরাতে।তো অনেকেই আমাদের স্টেশন থেকে নিতে আসতো।পথ আলো করে আমরা মামার বাড়িতে ঢুকতাম।নানিজান কত আদর করতেন!!
মামী সকাল হলে মিষ্টি লুচি বানাতেন।আর দুপুরবেলা খাওয়ার পর ছােটমামা তেতুল এনে খাওয়াতেন।কীযে সাদ ছিলো
ঐ তেতুলের!!!!আহ এখনো মনে পড়ে।
তারপর বিকেল হলে নানাভাইয়ের সাথে
মাঠে ঘুরতে যেতাম।আসার পথে তিনি বাদাম কিনে দিতেন।সন্ধ্যে নামলেই ঘরের কাজ সেরে ওঠোনে পাটি পেতে বসে নানিজান, মামী,খালারা
মিলে আড্ডা দিতেন ।তার পাশেই ছোটরা
খেলতো ।রাত হয়ে এলে সবাই রাতের খাবার সেরে ঘুমুতে যেতাম। মাঝে মাঝে দুপুরবেলা খাওয়ার পর পাশের বাড়ির ঐ আমগাছ থেকে আম চুরি করে আনতাম।
একবার ধরাপরে গেলাম।মা কান টেনে নিয়ে গেলেন নানিজানের কাছে।কিন্তু আমিতো জানি যে নানিজান আমাকে কিছুই করবেন না।তাই ঐবার বেচেঁ গেলাম।তাছাড়া আরোও কত কী!!!
গরম কালে নানাভাই কত রকমের ফল যে আনতেন!!!
কিন্তু আজ সেই মধুর দিনগুলো কোথায় যেন হারিয়ে গেলো। হাজার খুজেও তা পাওয়া যায় না।যাই হোক!!!
.
.
.
পাঠক গন,,,আশাকরি আমার লেখা -আপনারদের ভালো লেগেছে।
--------পাঠ করার জন্য ধন্যবাদ-------
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now