বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার নাম তালিমা। আমি আমার চাচা ও চাচীর সাথে কেনিয়াতে থাকি। আমার স্বপ্ন ছিল অঙ্কের শিক্ষক হওয়ার, কিন্তু এটা করার জন্য আমাকে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করতে হত। আমার শেষ টার্মে আমি খারাপ নম্বর পাচ্ছিলাম, কারণ স্কুলের পরে আমাকে আমার চাচীর দোকানে কাজ করতে হত। আমার কখনই হোমওয়ার্ক করার বা পড়াশোনা করার সময় হত না। আমার ক্লাসে প্রশ্নের উত্তর দিতে অসুবিধা হত, এই কারণে আমার মনে হত যে আমি যথেষ্ট চালাক ছিলাম না। আমি বিষণ্ন ও নিরাপত্তাহীন অনুভব করতে শুরু করেছিলাম। আমার কিছুটা উল্লেখযোগ্য অনুপ্রেরণার প্রয়োজন থাকায়, আমি আমার দিদির সাহায্য চেয়েছিলাম যে আমাকে আবার সঠিক পথে ফিরে আসতে সাহায্য করেছিল।
সে আমাকে ইতিবাচক থাকতে বলেছিল এবং আমার নিজের ব্যাপারে সন্দেহকে আমার স্বপ্নের পথে বাধা না হতে দিতে বলেছিল। বিশ্বের অঙ্কের শিক্ষক প্রয়োজন, তাই হাল ছেড়ে দেওয়াটা কোনো বিকল্প ছিল না। সে আমাকে বিশ্বাস করত, তাই আমাকেও এই সময় নিজের ওপরে বিশ্বাস রাখতে হত। আমি এরপরে এগুলো করেছিলাম:
নিজের ওপরে বিশ্বাস
নিজের ওপরে বিশ্বাস রাখা হল আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার প্রথম ধাপ। সঠিক মানসিকতা থাকা দিয়েই এই সবটা শুরু হয়। ইতিবাচক থাকুন। মনোনিবেশ করুন।
অগ্রাধিকার
আমি গত 3 মাসের আমার সবগুলো গ্রেডের দিকে নজর দিয়েছিলাম, আর সেই বিষয়গুলোকে বেছে নিয়েছিলাম যেগুলোতে সবচেয়ে বেশি মনোযোগের প্রয়োজন ছিল, যাতে আমি যথাযথভাবে মনোনিবেশ করতে পারি। #priorities
পরিকল্পনা
আমি পড়াশোনার একটা সময়সূচি প্রস্তুত করেছিলাম আর আমার চাচীর সঙ্গে এটা শেয়ার করেছিলাম। আমার পড়াশোনার ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য আমাকে দোকানে সময় দেওয়া কমাতে হয়েছিল। তিনি যখন দেখেছিলেন যে আমার একটা পরিকল্পনা ছিল, তখন তিনিও সানন্দে আমাকে কিছুটা জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন।
পদক্ষেপ
আমার সব প্রস্তুতির পরে শুধু একটাই কাজ করা বাকি ছিল। পড়াশোনা, পড়াশোনা আর পড়াশোনা! আমি কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম আর আমার যথাসাধ্য দিয়েছিলাম! আমি কোথাও আটকে গেলে, আমার কাছের মানুষদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলাম।
পরীক্ষাতেই পাস করে গ্র্যাজুয়েট হয়েছিলাম! আমার স্বপ্ন আমাকে এগিয়ে চলতে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল। চূড়ান্ত লক্ষ্যের ওপরে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিল যে আমি সক্ষম ছিলাম। আমি এখন অঙ্কের শিক্ষক হওয়ার লক্ষ্যের আরো এক ধাপ কাছে পৌঁছে গিয়েছি। আপনি যদি আপনার স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়িত করতে চান, তাহলে আপনাকে প্রথমে আপনার অন্তরের শক্তি ও সক্ষমতাগুলির ওপরে বিশ্বাস রাখতে হবে। তারপরে একটা কর্ম পরিকল্পনা প্রস্তুত করুন এবং একবারে এক ধাপ করে এগোতে থাকুন। আমার মতো কোনো মেয়ে যদি একটা স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে পারে, তাহলে আপনিও পারবেন!
*-----------কালেক্ট করা-----------*
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now