বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কিন্তু হঠাত দুই মাসের মাথায় কলেজে টপার টেস্ট এক্সাম শুরু হয়।এক্সামের রেজাল্ট এ দেখা গেল যে আরোহী হয়েছে ফার্স্ট আর আদনান হয়ে গেছে সেকেন্ড বয়।এ বিষয়টা আদনান এর পক্ষে মেনে নেয়া অসম্ভব হয়ে উঠে ( সে সবসময় টপার হয়ে আসছে)..।তার মনের চাপ বাড়তে থাকে আরোহীর প্রতি তার একটা জেদ সৃষ্টি হয়।সে তার বন্ধুদের সাথে সেটা শেয়ার করে।তখন তার বন্ধুরা বলে :"সবসময় তোকেই ফার্স্ট হতে হবে নাকি!!তুই কি সব পারবি! দেখ, শেষ পর্যন্ত তুই একটা মেয়ের কারনেই সেকেন্ড হয়ে গেলি আর সেই মেয়েটা তোকে ছাড়িয়ে টপ হয়ে গেল! তুই একটা মেয়ের কাছে কিনা হেরে গেলি
আদনান:: " আমাকে কি তোদের এতটাই গাধা মনে হয়! আমি সব পারি।এভরিথিং ইজ পসিবল ফর মি।।
ফ্রেন্ডসরা বলল:: " তার জন্য তোকে একটা পরিক্ষা দিতে হবে আর সেই পরিক্ষায় সফল যদি হতে পারিস তাহলে বুঝব যে তুই সবই পারিস! তোর জন্য সব পসিবল! কি রাজি তো!!
আদনান:: " তো আমাকে কি করতে হবে বল তোরা!
ফ্রেন্ডসরা::যে তোর রাগের কারন, জেদ এর কারন সেই মেয়েকে ( আরোহীকে) প্রপোজ করতে হবে।
তখন আদনান রেগে যায় আর তার ফ্রেন্ডস দের বলে :: "তোরা আমার ব্যাকগ্রাউন্ড জানিস না!" আমার কাছে মেয়েদের কোনো পাত্তা নেই আর ওই মেয়েটাকে প্রোপোজ করার ত প্রশ্নই আসে না!
ফ্রেন্ডসরা :: " এই সিম্পল কাজটাই তুই করতে পারবিনা! তাহলে আমরা ধরে নিব যে তুই কিছুই পারিস না
আদনান ::" দেখ,এটা বলে আমাকে খোচা দিবি না! ঠিক আছে তোদের কাছে আমি প্রমাণ করিয়েই দিব যে আমি সব পারি!এই কাজটা আমি করেই দেখাব কিন্তু শুধু প্রমান করার জন্য! "
ফ্রেন্ডসরা :: ওকে!
ক্লাসে এরপর থেকে আদনান আরোহীর দিকে সবসময় তাকিয়ে থাকে,আরোহীকে দুর্বল করার চেষ্টা করতে থাকে! এদিকে আরোহীরও অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করে আদনানের প্রতি।ক্লাস শেষে একদিন আদনান তার বন্ধুদের দেয়া সেই প্রমিজটা রক্ষা করতে যায় আর তারপরে সে আরোহিকে বলে.........
continue
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now