বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writer:-KM Saju Ahmed Rokib
সিলেট বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চাচলের একটি প্রধান শহর।।। সিলেট ২০০৯ সালের মার্চ মাসের ৩০ তারিখে মেট্রোপলিটন শহরের মর্যাদা লাভ করে।।।
সুরমা নদীর তীরবর্তী এই শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রাজধানী।।।
সিলেট এর নামকরণ করার ইতিহাস :- সিলেটের পুরাতন নাম হচ্ছে জালাবাদ এটি শাহ জালাল এর নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছিল।।। কথিত আছে হযরত শাহ জালাল যখন ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে শ্রীহট্ট আসেন তখন শ্রীহট্টের রাজা ছিল গৌর গোবিন্দ ।।।রাজা গৌর গোবিন্দ শাহ জালালের আগমনের কথা শুনে শ্রীহট্ট বড় প্রাচীর তৈরি করে আর হযরত শাহ জালাল তার অলৌকিক ক্ষমতায় শীল হট্ট বলার সাথে সাথেই প্রাচীর ভেঙে যায়।।। তখন থেকেই সিলেট নামকরণ করা হয়।।।
সিলেটে এক সময় ১২ টি পরিবার ছাড়া বাকি সবাই হিন্দু বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিল।।। হয়রত শাহ জালাল এবং তার ৩৬০ জন সঙ্গী এসে এখানে ইসলাম প্রচার শুরু করেন এর অনেক লম্বা কাহিনী রয়েছে তাই এখানে বর্ণণা করা আমার পক্ষে সম্ভব হল না।।। এক সময় আমাদের পূর্ব পুরুষ হিন্দু ধর্মের অনুসারী ছিল শাহ জালাল এর আগমনে আমরা আজ মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে পারছি, তা না হলে হয়তোবা এখন পর্যন্ত হিন্দুই থেকে যেতাম।।। ওনার অনেক কেরামতি রয়েছে এর মধ্যে অন্যতম হল জায়নামাজ বিছিয়ে সুরমা নদী পার হওয়া।।।। যাই হোক এসব কাহিনী শাহ জালাল এর জীবনি পড়ে জানতে পারবেন।।।
সিলেট শান্তির দিক দিয়ে দেশের অন্যান জায়গা থেকে এগিয়ে।।। এখানের মানুষগুলো খুবই সহজ সরল এবং অতিথিপরায়ণ।।। আপনি কোথায় কোন বিপদে পড়লে সাধারণ মানুষজন আপনার পাশে দাঁড়াবে।।। আমি বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গায় গিয়েছি সেখানের আবহাওয়া আর মানুষজন গুলোর থেকে সিলেটের মানুষগুলো একদম অন্যরকমের।।। ঢাকার কথাই বলি!!! এশিয়ার সবচেয়ে বাজে শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ঢাকা শহর।।। ঢাকার আবহাওয়া এবং পরিবেশ খুবই খারাপ বিশেষ কোন কারণ ছাড়া আমার ঢাকা যেতে ইচ্ছে করে না।।। যখনই ঢাকা প্রবেশ করি মনে হয় দম বন্ধ হয়ে আসবে আর ঢাকার মানুষগুলোর কথা তো আপনারা ভাল করেই জানেন।।। সেখানের মানুষগুলোর আচরণ কত নিষ্ঠুর একগ্লাস পানির জন্য যদি আপনি মারা যান তাহলে কেউ আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে না ।।। বরিশালের মানুষগুলোর কথা শুনলে সিলেটের মানুষগুলো যেন তাদের ভয় পায়।।। মারামারি কাটাকাটি জন্য চট্টগ্রাম এক নাম্বারে।।। নোয়াখাইল্লা মানুষদের সাথে সিলেটিরা চলতে চায় না।।। আর জামালপুরের মানুষগুলোর কথা আর কিযে বলি তাক আর বলি নাহ।।।
সিলেট অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দেশের অন্য শহরগুলোর চেয়ে সমৃদ্ধশালী।।। স্বাধীনতার পর থেকে সকল অর্থ মন্ত্রী ছিলেন সিলেটী।।।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ধনী জেলা হচ্ছে সিলেট।।।বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বড় ধনী ব্যাক্তি এবং শিল্পপতিরা হচ্ছেন সিলেটের।।। সিলেটীদের এত টাকা পয়সা দেখে দেশের অন্য সব জেলাগুলোর খুবই হিংসে হয়।।। চিন্তা কইরেন না শত বছর চেষ্টা করেও সিলেটীদের পিছনে ফেলতে পারবে না।।।
আপনি বিশ্বের যেকোন জায়গায় যান সেখানেই শুধু সিলেটে শুধু তাই নয় আমরা সিলেটিরা এখন বাংলাদেশ ছাড়াও বাহিরের দেশগুলোতেও রাজত্ব করছি লন্ডন ফ্রান্স ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশে আমরা রাজনীতি করছি।।। কি হিংসে হয়???? কিছুই করার নাই!!!
দেশের বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্টানগুলোও সিলেটে
তার মধ্যে অন্যতম হলো:-
১.শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়।
২.সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।।।
৩.সিলেট সরকারি কলেজ।।।
৪.সরকারি মহিলা কলেজ।।।
৫.সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা।।।
৬.ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।।।
৭.হবিগঞ্জ শাহজালাল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।।।
৮.হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ।।।
৯. মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ।।।
১০.শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ।।।
আরো বহু প্রতিষ্টান রয়েছে যা বলে শেষ করতে পারব না।।।।
এখন আসি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও দর্শনীয় স্থানগুলোর কথা নিয়ে সিলেটের নামটা শুনলেই বেড়াতে যাওয়ার ইচ্ছে জাগে সবার।।। অনেকে হয়তো এসেছেন আবার অনেকে শুধু নাম শুনেই আফসোস করেন।।। যাই হোক আমি আজ সিলেটের কতগুলো জায়গার নাম বলব এরিয়া সহ তাই জেলার নাম উল্লেখ করেই বলে দিচ্ছি।।
১.সিলেট জেলায় যা যা দেখতে পাবেন :- শাহ জালাল এর মাজার সহ আরো বিভিন্ন আউলিয়াদের মাজার,,, জাফলং,,,জৈন্তাপুর পাহাড়,,, ভোলাগঞ্জ পাহাড়,,,বিছনাকান্দি সচ্চ জলরাশি,,, লালাখাল,,,বড় হাওর হাকালুকি,,, গোয়াইং ঘাট,,, মাধবপকুন্ড জল প্রফাত,,, তামাবিল,,,এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড,,,, ওসমানী স্মৃতি জাদুঘর,,, জৈন্তিয়া রাজবাড়ী,,, পরীকুন্ড ঝর্ণা,,, জাকারিয়া সিটি,,, নাজিগড় রিসোর্স ইত্যাদি।।।
২.হবিগঞ্জ জেলায় যা যা দেখতে পাবেন :- আলিয়া খাসিয়াপুন্জি,,,কমলা রাণীর সাগর দিঘী,,, বাঘাসুরা রাজবাড়ী,,,, দ্যা প্যালেস রিসোর্স,,,, বাংলাদেশের দ্বিতীয়সুন্দর চা বাগান,,,, ফ্রুটস ভ্যালী,,, বানিয়াচং রাজবাড়ী,,, মালাকান্দি স্মৃতিসৌধ,,, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভ,,, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান,,, হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড,,,রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড,,, লক্ষী বাওর জলাবন,,,, বণ্যপ্রাণী অভায়রণ্য ইত্যাদি।।।
৩.মৌলভীবাজার জেলায় যা যা দেখতে পাবেন :- শ্রীমঙ্গল মুক্তিযুদ্ধ ৭১ বদ্ধভূমি,,, বাংলাদেশ জাতীয় চা গবেষণা কেন্দ্র ,,, মাধবপুর ইকো পার্ক,,, মাধবপুর লেক,,, গ্রান্ড সুলতান রিসোর্স,,, চা জাদুঘর,,, লেমন গার্ডেন,,, ছয়ছরি দিঘী,,, মনিপুরী পাড়া,,, চা কন্যা মূর্তি,,, মনিপুরী রাজবাড়ী,,, লাউয়াছড়া উদ্যান,,,,হাম হাম জল প্রফাত,,, ড্রীমল্যান্ড,,, সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা,,, শিশু পার্ক,,, বাংলাদেশের ৯৫ টি চা বাগান ইত্যাদি।।।
৪.সুনামগঞ্জ জেলায় যা যা দেখতে পাবেন:-
বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম মিউজিয়াম,,,টাঙ্গুয়ার হাওর,,,নীলাদ্রি লেক,,সিরাজ উদ্দীন লেক,,,হাসন রাজার বাড়ি,,,পণতীর্থ স্মৃতি ধাম,,,বাঁশতলা শহীদ স্মৃতিসৌধ,,, লাউড়েরগর,,, ডলুরা স্মৃতি সৌধ,,,,টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প,,,সুখাইড় জমিদার বাড়ী,,,পাইলগাঁওয়ের জমিদার বাড়ি,,,গৌরারং জমিদার বাড়ি,,,,হাওলি জমিদার বাড়ি।।।
এখন শুধু বিখ্যাত স্থানের নাম বললাম আপনারা হয়তো মনে করেন সিলেটে শুধু কতগুলো জায়গাই রয়েছে।।। আমি বলব না আমাদের বিখ্যাত জায়গার পাশাপাশি অনেক বিখ্যাত ব্যাক্তিও রয়েছেন যাদের কয়েকজন নাম জেলা সহকারে উল্লেখ করে দিলাম।।।
সিলেট জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিগণ:-
শাহজালাল
শাহপরান
হাসন রাজা(বাংলাাদেশের মরমি কবি এবং জমিদা র )
শাহ আবদুল করিম (বাউল শিল্পী )
মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
সৈয়দ মুজতবা আলী (সাহিত্যিক)
সাইফুর রহমান (সাবেক অর্থমন্ত্রী)
দুরবিন শাহ (মরমি কবি)
শিতালং শাহ (গীতিকার)
আবুল মাল আব্দুল মুহিত (সাবেক অর্থমন্ত্রী)
হেমাঙ্গ বিশ্বাস
রুনা লায়লা(কন্ঠ শিল্পী)
রুশনারা আলী, ব্রিটিশ রাজনৈতিক ব্যক্তি
সালমান শাহ ( সাবেক অভিনয় শিল্পী)
*সুনামগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ব্যাক্তিগণ :-
সৈয়দ শাহনুর, ( একজন বাংলাদেশী মরমী কবি ও সাহিত্যিক। তিনি সাধক কবি ও পীর হিসেবে সমধিক পরিচিত)
রাধারমণ দত্ত, বা রাধারমণ দত্ত পুরকায়স্থ ( একজন বাংলা সাহিত্যিক, সাধক বৈঞ্চব কবি, ধামালি গান ও নৃত্যের প্রবর্তক)
কামাল উদ্দিন (মরমী সাধক, গীতিকার)
শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়া একজন মরমী সাধক ও গীতিকার । যিনি লিখেছেন দুই হাজারেরও উর্ধে গান ।
মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী (সেপ্টেম্বর ১, ১৯১৮ - ফেব্রুয়ারি ১৬, ১৯৮৪), বাংলাদেশেরমুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
আব্দুস সামাদ আজাদ, (১৫.০১.১৯২৬ - ২৭.০৪.২০০৫), রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রদূত, সাবেক এমপি, বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ৫ম সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, রাজনীতিবিদ, সাবেক এমপি ও রেলমন্ত্রী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ।
কাকন বিবি ১৯৭১ সালে সংঘটিত বাংলাদেশেরমহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এক বীরযোদ্দা, বীরাঙ্গনা ও গুপ্তচর।
সুহাসিনী দাস (জন্ম ১লা ভাদ্র ১৩২২ (বঙ্গাব্ধ) - মৃত্যু মে ২৫, ২০০৯) বাংলাদেশী নারী সংগঠক যিনি বৃটিশ বিরোধী এবং ভারতের স্বাধীনতা অন্দোলনের পূর্ব বাংলায় বিপ্লবী ভূমিকা পালন করেন।
আছিম শাহ সুফী সাধক, মরমী গীতিকার।
দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, দার্শনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক।
শাহেদ আলী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিসেবী, একুশে পদকপ্রাপ্ত।
আনোয়ার চৌধুরী (জন্ম ১৫ জুন ১৯৫৯), একজন ব্রিটিশ বাংলাদেশী কূটনীতিবিদ। তিনিই প্রথম কোন বাঙালি যিনি ব্রিটিশ হাই কমিশনার হিসাবে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেন।
রামকানাই দাশ, একুশে পদকপ্রাপ্ত শাস্ত্রীয় ও লোকসংগীতশিল্পী ও সংগ্রাহক।[৫]
সুষমা দাস, একুশে পদকপ্রাপ্ত লোকসংগীতশিল্পী।[৬]
ধ্রুব এষ, চারুকলা শিল্পী ও প্রচ্ছদ শিল্পী।
সৈয়দা শাহার বানু, (১৯১৪-১৯৮৩) ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং সিলেটে নারী জাগরণের অগ্রদূত।
*হবিগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ব্যাক্তিগণ :-
সৈয়দ নাসির উদ্দীন - শাহ জালালের সঙ্গী ও তরফ বিজয়ী বীর;
সৈয়দ সুলতান (১৫৫০-১৬৪৮) - মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি;
শেখ ভানু (১৮৮৯-১৯১৯) - প্রখ্যাত সাধক;
বৃন্দাবন চন্দ্র দাশ (১৮৫০-১৯৩২) - প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক;
বিপিন চন্দ্র পাল (১৮৫৮-১৯৩২) - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব;
জগৎজ্যোতি দাস (১৯৪৯-১৯৭১) - বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের দাস বাহিনীর প্রধান;
এম এ রশীদ - বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ও সাবেক মন্ত্রী;
আব্দুর রউফ চৌধুরী (১৯২৯-১৯৯৬) - দ্রোহী কথাসাহিত্যিক
এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী - রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী;
সিরাজুল হোসেন খান - রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং সাবেক সংসদ সদস্য;
শাহ এ এম এস কিবরিয়া - সাবেক অর্থমন্ত্রী, কূটনীতিক, পররাষ্ট্র সচিব এবং এসকাপের সাবেক নির্বাহী সচিব;
দেওয়ান ফরিদ গাজী - মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও রাজনীতিবিদ;
মোহাম্মদ আবদুর রব - মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড, বাংলাদেশের প্রথম সেনাবাহিনী প্রধান;
মেজর জেনারেল (অবঃ) সি আর দত্ত - মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সেক্টর কমান্ডার;
সিরাজুল হোসেন খান - রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য;
এনামুল হক মোস্তফা শহীদ - মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য।[৩]
রামনাথ বিশ্বাস - ভূপর্যটক
সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন - সাবেক প্রধান বিচারপতি;
সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন - সাবেক প্রধান বিচারপতি;
ফজলে হাসান আবেদ - ব্র্যাক-এর প্রতিষ্ঠাতা;
সেগুফতা বখ্ত চৌধুরী সাবেক গভর্ণর বাংলাদেশ ব্যাংক।
সৈয়দ মোস্তফা কামাল গবেষক,লেখক,সাবেক ডি ডি ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
আবদুল মান্নান চৌধুরী - সাবেক সংসদ , ইংল্যান্ডে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক;
মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন - বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর;
নাজমুল হোসেন (জন্মঃ ১৯৮৭) - জাতীয় দলের ক্রিকেটার;
অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য - শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী;
হেমাঙ্গ বিশ্বাস - ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ব্যক্তিত্ব, কবি ও গায়ক;
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান - আইনজীবি ও পরিবেশবিদ;
সুবীর নন্দী - কন্ঠশিল্পী।
*মৌলভীবাজার জেলার বিখ্যাত ব্যাক্তিগণ:-
হজরত শাহ মোস্তফা(রঃ)
ধর্মপ্রচারক
এম সাইফুর রহমান
খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ
সৈয়দ মুজতবা আলী
বাঙালি সাহিত্যিক
গোলাম মোস্তফা চৌধুরী
ইতিহাসবিদ
চৌধুরী গোলাম আকবর - সাহিত্যভূষণ
আন্তর্জাতিক লোকবিজ্ঞানী
হারুন আকবর
লোক গবেষক
মরহুম ফরিদ বেগ
বীর মুক্তিযোদ্ধা
মেজর জেনারেল(অবসরপ্রাপ্ত)সৈয়দ ইফতেখারউদ্দিন
আইজি প্রিজন।।।
বাংলাদেশের মধ্যে যতগুলো অঞ্চল তার মধ্যে সিলেটই সবার সেরা,,,সিলেট বিভাগে জন্মগ্রহণ করে আমি অনেক গর্ববোধ করছি,,, বাংলাদেশের ভেতরেও একটা মিনি লন্ডন রয়েছে সেটা হল সিলেট তাই সিলেটকে দ্বিতীয় লন্ডন বলা হয়।।। আমাদের সিলেটের আঞ্চলিক ভাষা বাংলাদেশের অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষার চেয়ে সুমিষ্ট,,, আমাদের নিজস্ব অক্ষর রয়েছে যা সিলেটী অক্ষর নামে অভিহিত করা হয়েছে।।। যাক আজ এই পর্যন্তই বেশি আর বাড়ালাম না।।।
সর্বশেষ আমার পরিচয়:-
নাম:- সৈয়দ মোহাম্মদ আলী(সাজু)
উপজেলা:-বাহুবল। জেলা:-হবিগঞ্জ। বিভাগ:-সিলেট।
কর্মক্ষেত্র:- শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজে ইন্টারমিডিয়েটের ২য় বর্ষের ছাত্র।।।
প্রিয় উক্তি:- পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি।।। প্রিয় শখ :- অবসর সময়ে দর্শনীয় স্থান ঘুরতে যাওয়া এবং গল্প পড়া।।।।
বিঃদ্রঃ:- মাঝখানের কথা গুলো শুধু মাত্র মজা করার জন্য বলেছি,,, এটাকে আপনারা সিরিয়াস ভাবে নিবেন না।।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now