বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সব বন্ধ।কবিরও আস্তে আস্তে ঐ প্রানীটার মতো হয়ে গেল।
এমন সময় কাকা ও রবি কাকা আসলো।
আমরা দরজা খুললাম ও কাকাকে সব বললাম।শুনে কাকা একটু চিন্তিত হলো।তিনি কবির ও ঐ প্রানীটাকে দেখতে চাইলেন।
কাকা তাদের একটু পরীক্ষা করে বললেন,এটা তো আমার আগের আবিষ্কার।এই কেমিকেল প্রানীর রক্তে গেলে প্রানীর জীবনী শক্তি ধীরে ধীরে শেষ হয়।কিন্তু এটা কে প্রয়োগ করলো?
আমরা বললাম,তবে কবিরের ও প্রানীটার কী হবে?
কাকা বললো,চিন্তা নেই।এদের এক্ষুনি ঠিক করছি।
কাকা তখন একটা ইঞ্জেকশন কবির ও প্রানীকে দিল।কবির ও প্রানীটা ধীরে ধীরে ভালো হতে লাগলো।
কবিরের এবারে সব মনে পরলো।সে বলতে শুরু করলো,কাকারা চলে যাওয়ার পর তোমরাও চলে গেলে।তারপর একটা অদ্ভুদ খরগোশ এলো।ওটা এসে ঘরের সব কেমিকেল গুলি ফেলছিলো।তারপর নিজের দেহে একটা ইঞ্জেকশন পুশ করলো।আমাকেও পুশ করেছিলো।তারপর আমার মাথা ঘুরতে শুরু করে।আমি জ্ঞান হারাই।
আমরা তার কথা শুনে হতভম্ভ হয়ে গেলাম।ভিন্ন একটা খরগোশ কি প্রকারে একাজ করতে পারে।আমরা বুঝতে পারলাম না যে একটা ইতর প্রানী কীভাবে এটা করলো!বাস্তবে ওটা খরগোশ ছিল,নাকি অন্য কিছু।কিছুই বুঝতে পারলাম না।
কাকা বললো,বুঝিয়ে বলছি,সব আমার কারসাজি!
তবে কাকা কেন এমন করলো,খরগোসটা কী
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now