বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমাদের জীবনটাই অন্যরকম(পর্ব৫)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Jahan (০ পয়েন্ট)

X আমি বিকেলে বের হলাম।দেখি লিখন ভাইয়াকে পাই নাকি।ঐতো লিখন ভাইয়া যাচ্ছে।আমি লিখন ভাইয়াকে দেখে একটা ভাঁজ করা কাগজ নিয়ে দৌড়রাতে দৌড়রাতে যেতে থাকলাম আর ডাক দিলাম।লিখন ভাইয়া আমার ডাকে থামল।আমি তার কাছে যেয়ে হাঁফাতে হাঁফাতে বললাম,"লিখন ভাইয়া আপনার প্রেমের চিঠি।" লিখন ভাইয়া বলল,"কে দিয়েছে?" আমি বললাম,"আমি জানি না।কে যেন আমার হাতে চিঠি দিয়ে বলল এইটা আপনারে দিতে।" লিখন ভাইয়া চিঠিটা হাতে নিল।আমি বললাম ,"আমি এখন যাই আমার কাজ আছে।" এই বলে লুকিয়ে পড়লাম লিখন ভাইয়া চিঠিটা পড়ে কি করতে পারে সেটা দেখার জন্য।লিখন ভাইয়া ভাজটা খুলল।হয়তো মেজাজ খারাপ হয়ে গেল।আর মেজাজ খারাপ হওয়ারি কথা।কারণ আমি খালি কাগিজ দিসি।কোনোকিছু লেখা নাই।প্ল্যানটা আমারি ছিল।এদিক ওদিক তাকাচ্ছে।হয়ত আমাকে খুজছে।তারপর চলে গেল।আমি ঐজায়গাই দাঁড়ালাম লিখন ভাইয়া চলে গেসে নাকি সেটা দেখার জন্য।হঠাৎ আমার ফোন বেজে উঠলো।ফোন বের করে দেখলাম ইশিকা।ফোন ধরলাম "এই ইশিকা বল।" "তুই কোথায়?" "আমি টাওয়ারের সামনে।" "তুই ওখানেই থাক আমি আসছি।" ফোনটা কেটে দিলাম।ফোনটা সাইড ব্যাগে রেখে দিতেই কে আমার দিকে একটা কাগজ ছুড়ে মারলো।কাগজটা হাতে নিয়ে চারদিকে দেখলাম কে দিল।কিন্তু কেউ তো নেই।তারপর কাগজের ভাঁজ খুলে পড়তে লাগলাম। লেখা আছে "চিঠি দিবা তো খালি কাগজ দেওয়ার কি মানে?" পিছন থেকে কে যেন বলে উঠলো,"চিঠি দিবা তো খালি কাগজ দেওয়ার কি মানে?" লিখন ভাইয়ার কণ্ঠ মনে হচ্ছে।এখন কি করবো?পিছন ফিরে মুচকি হাসছে থাকলাম।লিখন ভাইয়া বলল,"কি হল?" আমি ছোট বাচ্চার মতো জিহবা বের করে মুচকি হাসতে থাকলাম।লিখন ভাইয়া বলল,"কি হল?ছোট বাচ্চার মতো এমন করছ কেন?চিঠিতে অন্তত লিখতে পারতে ভাইয়া কেমন আছেন।মার দেওয়া লাগবে তোমাকে।" "আমারে ক্যান মারবেন?আমি তো আপনার সাথে মজা করছিলাম।" দেখলাম ইশিকা।আমি বললাম,"আমি এখন যাই।আমার বান্ধবী এসে গেসে।" এই বলে ইশিকার কাছে গেলাম। পরদিন সায়মা বলল,"দেখি তোর চশমাটা।" আমি চশমাটা খুলে সায়মাকে দিলাম।সায়মা পরে দেখলো কেমন লাগে।তারপর আমাকে দিতেই শাকিল এসে চশমাটা কেড়ে নিয়ে মাঠের মধ্যে গেল।আমিও তার পিছু পিছু যেতে থাকলাম আর বলতে থাকলাম,"এই শাকিল চশমাটা দে।ভালো হচ্ছে না কিন্তু।" কিন্তু শাকিল চশমাটা দিচ্ছে না।দূরের জিনিস ভালো করে দেখতে পাচ্ছি না।মাথা ঘুরতেছে।চশমাটা নিয়ে হঠাৎ কোথায় যে গেল?৩০মিনিট পার হল।কিন্তু শাকিলকে পাচ্ছি না।মনে হচ্ছে এখনি অজ্ঞান হয়ে যাবো।হালকা হালকা দেখতে পেলাম শাকিল আসছে।কিন্তু অর্ধেক রাস্তায় যেতেই মাথাটা বেশি ঘুরে গেল।তারপর অজ্ঞান হয়ে গেলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now