বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আবুল মনসুর আহমদের লেখা আদুভাই গল্পটা বলা যায় যে আমরা সবাই পড়েছি। অনেক সময় বাস্তবেও আদুভায়ের মতো কিছু ছাত্র দেখা যায়। এরা আসলে আদুভায়ের প্রতিনিধরি। আমাদের ক্লাসেও সেরকমই একজন স্টুডেন্ট ছিল। এই লেখা টা তাকে নিয়ে হলেও নামটা লিখব না।
আমদের স্কুল জেলার অন্যতম স্বনামধোন্য স্কুল হওয়ায় আদুভায়ের মতো ছাত্রের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কথা নয়। তবে অাদুভাই উত্তীর্ণ হতে পারল ওর মুক্তিযোদ্ধাকোঠার কল্যাণে। যাই হোক আমাদের আদুভাই কিন্তু খারাপ ছাত্র নয়। এই তো শুধু ৪ সাব্জেক্টে ফেল করে এবারও ক্লাস সেভেনে পরে আছে। সে যখন আমাদের সাথে পড়ত তখনও অনেক মজার মজার ঘটনা ঘটাতো। যেমন একবার ক্লাসটেস্টে ইংরেজিতে সে একটা প্রাগ্রাফ ঠিকভাবে ইংলিশে লিখতে না পেয়ে বাংলায় কথাগুলো লিখল। যেমনঃ Dengue না লিখে বাংলায় লিখত ডেঙ্গু। আমরা ওকে নিয়ে হাসাহাসি করলে ও বলত সে নাকি তার বংশের সবচেয়ে শিক্ষীত ব্যক্তি। আসলে ওর পরিবারের সবাই মুর্খ। একবার স্কুলে টিফিন প্রিয়ডে আমরা স্কুলের বাহিরে আসি। দেখলাম দূরে একটা বড় আপু দাড়িয়ে আছে। আমি ওকে বললাম যে ওই মেয়েটা আমাকে তোর ক্লোজ ফ্রেন্ড জন্য আমাকে বলেছে সে নাকি তোকে অনেক পছন্দ করে। সে প্রথমে বিশ্বাস করতে না চাইলেও পড়ে বিশ্বাস করলে আমি অনেক ভুলিয়ে ভালিয়ে তার কাছে গিয়ে প্রপোজ করতে বলি। আমাদের আদু ভাইকে সবসময় আমি সত্য বলায় সে এই কথা বিশ্বাস করল। কিন্তু কিছুক্ষন পরে বুঝতে পারল আমি কত বড় মিথ্যা বলেছি। সে গিয়ে যখনই ওই আপু কথাটা বলল। ওই আপু জোড়ে চিৎকার করে বলল, ওই সালা তোর এত বড় সাহস তুই আমাকে...........তার পর আমি সেখান থেকে কেটে পড়ি।ওর যে কি ঘটল সেটা আর জানা গেল না। এই ঘটনার অনেক দিন পর আমি একদিন প্রাইভেটে গিয়ে দেখি আদু ভাই অনেক আগেই বসে আছে। ও প্রতিদিন ওই লক্কর-ঝক্কর সাইকেল নিয়ে আসত। আমাদের একজন শিক্ষক মুখস্ত পড়া ধরতেন। পড়া না পাড়লে থাকত উত্তম- মাধ্যম। তিনিও আদুভাই কে দেখে দুশচিন্তায় পরতেন কারণ আদুভাই পড়া পারত না। আর ওর শরীরে মারার মতো কথাও যথেষ্ট পরিমাণ জায়গাও ছিল না।এক দিন গণিত প্রাইভেটে স্যার আমাদের একটা নিয়ম বুঝিয়ে দিয়ে ঐই নিয়মের একটা অঙ্ক করতে দিলেন আমি কিছুক্ষণ আগেই ওর কলমের শিষ টা খুলে নেই। লিখতে গিয়ে কলমের শিষ নেই দেখে সে আমাকে বলতে থাকল শিষ দে। এই কথা শুনে অনেকে হাসতে থাকল। স্যার ওকে বলল জামি কেন শিষ দেবে? কোনো উপায় না দেখে শিষ টা অন্য একজনকে দিলাম।সে শিষ টা প্রথমে ফেলে দিল। তার পর ওকে তুলে দিয়ে বলল শিষটা তো পরে গিয়েছিল।একটু খেয়ালও করতে পারিস না। সেই দিন থেকে ওকে কখন দেখলেই আমরা বলতাম আদুভাই শিষ দে? এরকম আদু ভাই দেখে থাকলে তার সম্পর্কে কমেন্টে লিখতে পারেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now