বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আলী

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X আক্কেল আলী ইদানীং বেশ কিছু যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে । এদের মধ্যে একটা হল রোজ রাতে রং নাম্বার থেকে ফোন আসছে । আক্কেল আলী প্রথম প্রথম ভদ্রভাবে ফোন ধরে বলেছে, __হ্যালো কে? __সাত আসমান থেকে বলতেছি বাবা __কে আপনে? __ বাবা তুমি আমারে চিনবা না । আমি তোমারে চিনি __আগে বলেন কে আপনে? __এতো অধৈর্য হচ্ছ কেন বাবা । বললাম তো আমি সাত আসমান থেকে কল করেছি । আমারে সবাই কলা বাবা বইল্যা ডাকে __কলা বাবা? __তুমি আমার দরবারে পঞ্চাশ হাজার টাকা বিকাশ করবা । তোমার বালা মসিবত কেটে যাবে __কি বলেন এই সব । এতো টাকা আমি কই পাব । __বাবা তুমি এক কাজ কর তোমার তো দুইটা কিডনি একটা বিক্রয় ডট কমে বিক্রি করে দেও __কি বলেন এগুলা? __বাবারে কলা বাবা যা বলে সাচ্চা কথা বলে । কথা বুঝার চেষ্টা কর । __আপনি কি আমার সাথে ফাইজলামি করতেছেন? __কলা বাবা কারো সাথে ফাজলামি করে না । __আমার মনে হইতেছে আপনি ফাইজলামি করতেছেন । আমি ফোন রাখি... বলেই আক্কেল আলী ফোন কেটে দিয়েছে । সাথে সাথে আবার মিস কল আসছে বেশ কয়েকবার । আক্কেল আলী বিরক্ত হয়ে ফোন ব্যাক করে বলেছে, __ঐ মিয়া? আপনি খালী মিসকল মারেন কেন? __কলা বাবারে মিয়া বলতে নাই । বাবা ডাকো । কলা বাবা __ঐ মিয়া আপনে ফাইজলামি করেন কেন? __আক্কেল তোমার বিপদ দূর হবে । টাকা বিকাশ কর । __ধুরু মিয়া । আর মিস কল দিয়েন না । __বাবারে মিস কল আমাকে দিতেই হবে । __মিস কল দিলে মিস কল খেয়ে ফেলব বলতেছি __বাবারে তুমি বড় অভদ্রতা করতেছ __ঐ কিসের অভদ্র মিয়া? __মিয়া ডাকো কেন? বাবা ডাকো । কলা বাবা । হক মাউলা আক্কেল রেগে গিয়ে বলেছে, __কলা বাবা আরেক বার আমারে মিসকল দিলে কলা তোমার পিছনে দিয়ে ঢুকাই দিব এই বলে আক্কেল আলী লাইন কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দিয়েছে । পরের দিন সকালে ফোন অন করতেই কলা বাবার ম্যাসেজ এসেছে, __শুভ সকাল আক্কেল আলী । গতকাল রাতে তুমি বড় খারাপ আচরন করেছ । বেশী কিছু বলব না তোমায় । হালকা করে একটা গালি দিতেছি “তুই গু খা” আক্কেল আলী রেগে মেগে আবার ঐ নাম্বারে ফোন দিয়ে নাম্বার বন্ধ পেয়েছে । আক্কেল আলীর বিয়ে ঠিক হয়েছে । মেয়ের নাম সাদিয়া । আক্কেল আলী ইতিমধ্যেই পাত্রীকে দেখেছে । বড়ই কিউট মেয়ে । মেয়ের বাবা যৌতূক দিতেছে মোটা অংকের । আক্কেল আলী বড়ই খুশী । পাত্রী তার পছন্দ হয়েছে । পাত্রীকে দেখার পর আক্কেল আলী খুশিতে তিন লাইন কবিতা লিখে ফেলেছে, __হে মোর প্রিয়া সাদিয়া __কবে খাব তোমার হাতের রান্না? __দিবে তুমি রাঁধিয়া কবিতা বড় করা যাচ্ছে না । আক্কেল আলীর ইচ্ছা কবিতাটা বড় করে শোবার ঘরে ফ্রেমে বাঁধাই করে টানিয়ে রাখা । কবিতার নাম এখনো ঠিক হয় নি । তবে নিচে খুব সুন্দর করে লিখা থাকবে কবিঃ আক্কেল আলী । আক্কেল আলী কবিতার ব্যাপারে অনেকক্ষন চিন্তা ভাবনা করেছে । কবিতা টেনে লম্বা করা যাচ্ছে না । এই ব্যাপারে সে রাতের বেলা কলা বাবার সাথে কথা বলেছে । কলা বাবা মিস দেবার পর কলা বাবাকে সে জিজ্ঞেস করেছে । পরের দুইটা লাইন কি হতে পারে? কলা বাবা উচ্ছ্বাস এর স্বরে বলেছে । দাড়াও এখনই সাদিয়াকে নিয়ে কবিতা বানিয়ে দিচ্ছি । কবিতাটার শুরু হবে এমন, __হে প্রিয়তমা সাদিয়া __কেন চুপিসারে দিলা তুমি পাদিয়া? কলা বাবার কথা শুনে আক্কেল আলী বড় বিরক্ত হয়েছে । সে ভদ্র ভাবে কলা বাবাকে “হালার ঘরে হালা” গালি দিয়ে লাইন কেটে দিয়েছে । কলা বাবা তাকে তেমন কিছু বলে নাই । শুধু ছোট করে এক লাইনের একটা ম্যাসেজ দিয়েছে । ম্যাসেজে লিখা “তুই গু খা” আক্কেল আলী বুঝতে পারছে না । এইসব কি হচ্ছে তার সাথে । কে এই কলা বাবা? এই ব্যাপারে কার সাথে কথা বলা যায়? সাদিয়ার সাথে কথা বললে কেমন হয়? আক্কেল আলী সাদিয়াকে ফোন দিল, __হ্যালো __হ্যালো জান প্রান সোনা মনা টিয়া কি কর? __মানে? __মানে বলতেছি কি করতেছ এখন? __বইসা আছি কিন্তু আপনে কেডা? __মশকরা করতেছ? কর বেবি কর । এখন তো মশকরা করারই সময় । __মানে? __এতো মানে মানে কইর না তো । একটা কথা বলি? __কি বলবেন? __তোমারে একটা চুমা দেই? আক্কেল আলী অনুমতির অপেক্ষা করল না । মোবাইল মুখের কাছে এনে বলল, __উম্মাহ ওপাশ থেকে বিকট চিৎকার শোনা গেল, __ঐ হারামজাদার ঘরে হারামজাদা তুই কেডারে? এমন বিকট চিৎকার শোনে আক্কেল আলী ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল । মিন মিন করে বলল, __আমি আক্কেল । আক্কেল আলী । আপনে সাদিয়া না? __অহ হো জামাই বাবাজী নাকি? __উ? __আরে আমি আমি । আমারে চিনতেছ না? আমি সাদিয়ার খালা । আক্কেল আলী বিশাল লজ্জা পেয়ে কিছু না বলেই ফোন কেটে দিল । বিয়ের দুইদিন বাকী । এর মাঝে এসব কি শুরু হল! আক্কেল আলী এক বন্ধুর কাছ থেকে পরমার্শ নিল । গালিব নামে তার এক বন্ধু আছে । গালিব তাকে পরামর্শ দিল । গামছা বাবা নামে এক পীর বাবা আছেন । উনার কাছে যেতে । উনি জটিল জটিল সমস্যার সমাধান দিতে পারেন । আক্কেল আলী গালিব কে নিয়ে গামছা বাবার কাছে গেল । গামছা বাবার সামনে যেতেই গামছা বাবা চোখ বন্ধ করে ফেললেন, __রোগীর সমস্যা তো বড় জটিল __জি বাবা __হুম __আসলে হয়েছে কি বাবা __আহা আমাকে সমস্যা বলে দিতে হবে না । আমি জানি মূল সমস্যা কোথায় । সব ইশারা পাই আমি । বলতে বলতে গামছা বাবা উঠে দাঁড়ালেন । তারপর গালিবের দিকে তাকিয়ে বললেন, __তোমার সাত দিন যাবত ঘন ঘন টয়লেট যেতে হচ্ছে । এই তো সমস্যা? গালিব চোখ বড় বড় করে বলল, __না তো বাবা এর মাঝেই গামছা বাবার সাগরেদ এসে গালিব এর কানে ফিশফিশ করে বলে গেল, __বাবা যা বলে তাতেই হ্যা হ্যা করতে । না হলে বাবা নারাজ হবেন । বাবার উপরে কোন কথা নাই গামছা বাবা গামছা কোমরে দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন । গামছা অত্যন্ত পাতলা । গামছার ভেতর দিয়ে বাবার যন্ত্রপাতির একটা সচ্ছা অবয়ব চোখে পড়ছে । তাছাড়া গামছা ঝুলে আছে আশংকাজনক অবস্থায় । যে কোন মুহূর্তে খুলে যাবে । গামছা বাবা গালিবের দিকে তাকিয়ে বললেন, __তোমার ঘন ঘন পেট খারাপ হয়? __জি বাবা? জি বাবা । জি বাবা । __তুমি রোজ সকালে গামছা পড়ে রাস্তায় দৌড়াইবা __ জ্বি বাবা। __এখন বল তোমার নাম কি? __আমার নাম আক্কেল আলী বাবা __তোমার নাম আক্কেল আলী বাবা? __না বাবা । আমার নাম বাবা আক্কেল আলী। __তোমার নাম তাইলে বাবা আক্কেল আলী? তুমি নিজেই তো তাইলে বাবা হয়ে গেছ । তা আমার কাছে কি? __না বাবা আমার নাম শুধু আক্কেল আলী । আক্কেল আলী । __অহ তাই বল । তোমার সমস্যা কি? আক্কেল আলী পকেট থেকে মোবাইল বের করতে করতে গামছা বাবাকে বলল, __আসলে বাবা একটা রং নাম্বার থেকে আমার কাছে ফোন আসে । __কে ফোন দেয়? __কলা বাবা __কলা বাবা? এইটা আবার কে? আক্কেল আলী বলল, __বাবা আপনিই ফোন করে কথা বলে দেখেন কলা বাবা আসলে কে? গামছা বাবা রেগে মেগে বলল, __আমার কাছে কলা বাবার বেইল নাই । ইস্ট ওর ওয়েস্ট গামছা বাবা ইজ দ্যা বেস্ট । গামছা বাবা ফোন কানে দিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলল, __হ্যালো কে তুই? __আমি কলা বাবা তুই কে? __আমি গামছা বাবা __তুই কোন দিনের গামছা বাবা? __তুই কোন দিনের কলা বাবা? __শোন গামছা বাবা তোর পিছনে এমন এক কিক দিব গামছা কই উড়ে যাবে দিশ পাইবি না । __কলা বাবা তোরে কিন্তু ছিইলা ফালাব __গামছা বাবার পাওয়ার জানিস? তুই আমার ভক্তরে আর বিরক্ত করবি না __শোন গামছা বাবা । চড় দিমু তোর গালে, তোর কোমরের গামছা গিয়া পড়ব খালে কলা বাবার ডায়লগ শুনে গামছা বাবার সত্যিই কোমর থেকে গামছা উড়ে গেল । গামছা বাবা দাঁত কিড়মিড় করে কিছু বলতে চাচ্ছিল কিন্তু ব্যালেন্স শেষ হয়ে লাইন কেটে গেল । গামছা বাবা আক্কেল আলীকে মোবাইল ফিরিয়ে দিয়ে লক্ষ্য করল তার কোমরে কোন গামছা নেই । অনেক আগেই খুলে বাতাসে উড়ে গেছে । গামছা বাবা এই দৃশ্য দেখে বিড়বিড় করে বললম __কেউ আমারে মাইরালা তারপর বেহুঁশ হয়ে গেল । গামছা বাবার সাগরেদ এসে বলল, __বাবা এখন ধ্যানে গেছেন । আপনারা পরে আবার আসিয়েন । আক্কেল আলী হতাশ হয়ে বাসায় ফিরল । একদিন পার হলেই সাদিয়ার সাথে তার বিয়ে । এর মাঝে এই সমস্যার সমাধান হল না । আক্কেল আলী যখন হতাশ হয়ে শুয়ে আছে । তখন কলা বাবার নাম্বার থেকে সরাসরি ফোন আসল । আক্কেল আলী প্রথম বার ফোন ধরল না । দ্বিতীয়বার ফোন ধরবে না ধরবে না ভেবেও ধরল । __কি’রে আক্কেল? __হু __তোমার নাকি একদিন পর বিয়া আক্কেল আলী কিছুটা হকচকিয়ে গেল । কলা বাব তার বিয়ের কথাও জেনে গেছে । কলা বাবা তো সত্যিই পাওয়ারফুল । গামছা বাবাও বেহুঁশ হয়ে গিয়েছিল । আক্কেল আলী মিনতি করে বললম, __বাবা আপনি আসলে আমার কাছে কি চান? __তেমন কিছুই না __আমার অপরাধ কি বাবা? __তেমন কিছুই না __তাহলে বাবা কেন শুধু আমারে এই মাঝ রাতে ফোন দেন। __শুনলাম তোমার বিয়া । তাই ফোন করলাম । আর শোনলাম তুমি নাকি মোটা অংকের যৌতূক নিতেছ __জ্বি না । জ্বি বাবা । __ভালো । খুব ভালো । আক্কেল আলী তুমি কি নিজেকে ভালো মানুষ মনে কর? __জ্বি বাবা __কেন মনে কর? __আমি কারো ক্ষতি করি না __ভালো মানুষ তো যৌতূক নেয় না । তুমি কেন নিতেছ? তোমারে টাকা দিতে তোমার শশুর জমি বন্ধক দিয়েছেন । আক্কেল আলী চুপ করে রইল । ওপাশ থেকে ভরাট কণ্ঠস্বরে কলা বাবা বলল, __ভালো মানুষ হও আক্কেল আলী । জোর করে যৌতূক নেয়া ভালো মানুষের কাজ না । ভালো থাকো । আমার নাম্বার বন্ধ থাকবে । কলা বাবার সাথে এটাই তোমার শেষ আলাপ __বাবা একটা কথা শুনেন __বল __বাবা আমি কি যৌতূক নিয়ে কোন অপরাধ করেছি? __এটা তোমার বিবেক কে জিজ্ঞেস কর । একটা কন্যাকে তার বাবা কত কষ্ট করে লালন করেছেন । এখন বিয়ে দিতেও যৌতূক দিতেছেন । সবাই তো মানুষ । মেয়েরা কি কুরবানির হাঁটের গরু ছাগল নাকি? আক্কেল আলী চুপ করে রইল । ওপাশ থেকে লাইন কেটে গেল । আক্কেল আলী সারা রাত ঘুমাতে পারল না । পরদিন ভোরে সাদিয়াদের বাসায় গেল আক্কেল আলী । সাদিয়ার বাবাকে বলল, __আমি যৌতূক নিয়ে বিয়ে করতে পারব না । সাদিয়ার বাবা পরম ভালোবাসায় আক্কেল আলীকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন । তিনি আসলে সবাইকে না জানিয়ে একমাত্র বাড়িটাই বন্ধক দিয়ে ফেলেছিলেন । পরদিন বাসর ঘরে ঢুকে আক্কেল আলী কতগুলো কলা দেখতে পেল । আক্কেল আলীর প্রচুর ক্ষুধা লেগেছিল । ক্ষুধার পেটে কলা খেতে খেতে নতুন বৌকে জিজ্ঞেস করল, __কলা কে আনল? স্ত্রী কোন সাড়া দিল না । তবে আন্দাজ করা গেল বৌ আঁচলের নিচে ফিক করে হেসে ফেলেছে । আক্কেল আলী সেদিকে লক্ষ্য না করে এক বসায় বার টা কলা খেয়ে ফেলল । কলা খেতে খেতে কলার উপকারিতা নিয়েও সে একটা ভালো বক্তৃতা দিয়ে ফেলল । কিন্তু সমস্যা হল কলা খাওয়ার পর । এতো গুলা কলা খেয়ে পেটে মোচড় দিল । আক্কেল আলী বিড়বিড় করে বলল, __টয়লেট টা কোন দিকে? গ্রামের বাড়ির টয়লেট থাকে জঙ্গলে আক্কেল আলীকে বাধ্য হয়েই বৌকে বাসর ঘরে রেখে টয়লেটে যেতে হল । এরপর দেখা দিল আরেক সমস্যা । শশুর বাড়ির শালা শালীরা সব মিলে টের পেয়ে টয়লেটের দরজা বাইরে থেকে লাগিয়ে দিয়ে হাসাহাসি করে বলতে লাগল, __দুলাভাই হাগতেছে রে দুলাভাই হাগে দাদী শ্রেণীর মহিলারা এসব ছেলেমেয়েদের একটু একটু ধমক দিয়ে হাসিতে যোগ দিল । শেষ মেষ সাদিয়া এসে আক্কেল আলীকে উদ্ধার করে নিয়ে গেল । বাসর ঘরে গিয়ে দরজার খিল লাগাতেই কারেন্ট চলে গেল । দেশলাই এর বাক্স কই আছে বলা মুশকিল ।অন্ধকারে সাদিয়া এবং আক্কেল আলী হাতড়ে হাতড়ে বিছানার দিকে যাবার চেষ্টা করল । কিন্তু ফ্লোরে পড়ে থাকা কলার বাকলে পা ফেলে পিচ্ছিল খেয়ে আক্কেল আলী সাদিয়ার উপরে গিয়ে পড়ল । সাদিয়া ধাক্কার বেগ সামলাতে না পেরে সোজা বিছানায় গিয়ে পড়ল । আর তখনই মোবাইল এ একটা ম্যাসেজ আসল । কলা বাবার নাম্বার থেকে । ম্যাসেজ টা এমন, __দুলাভাই সরি ফর ফান । আমার বোন কে শক্ত করে ধরে রাখিয়েন । হা হা হা আক্কেল আলী মোবাইল এর ডিসপ্লে এর নীলাভ আলোয় সাদিয়ার সুন্দর মুখটা এক পলক দেখল । তারপর লাইট অফ হয়ে আবার অন্ধকারে সব একাকার হয়ে গেল... [কলা বাবা সিরিজ, টু বি কন্টিনিউ] ____ নিঃসঙ্গ গ্রহচারী রিফাত।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ চ্যাম্পিয়ন ‘মোহাম্মদ আলীর’ বিশ্বসেরা হওয়ার গল্প
→ একজন হরমুজ আলী এবং...
→ হযরত আলী রা ও তার সন্তানদের বুদ্ধিমত্তা
→ চিকন আলী!!!
→ হযরত আলী রাঃ এর কয়েকটি উক্তি
→ মুসলিম জাহানের চতুর্থ খলীফা হযরত আলী (রাঃ)-এর জীবনী
→ মানুষ মুহম্মদ (স.) - মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
→ প্রবাস বন্ধু - সৈয়দ মুজতবা আলী
→ শাইখ ফকীহ মোল্লা আলী আল-ক্বারী (রহঃ) এর সংশ্লিষ্ট জীবনী
→ গল্পটা রমজান আলী ভূতের
→ কুফর আলী (রম্যগল্প)
→ চন্দ্রমহল, গিলেতলা ও খানজাহান আলীর মাজার ভ্রমন -২
→ চন্দ্রমহল,গিলেতলা ও খান জাহান আলীর মাজার ভ্রমন -১
→ চন্দ্রমহল,গিলেতলা ও খানজাহান আলীর মাজার ভ্রমন-৪
→ চন্দ্রমহল, গিলেতলা ও খানজাহান আলীর মাজার ভ্রমন-৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now