বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Akti jibonto quran

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাকারিয়া আহমেদ (০ পয়েন্ট)

X একবার উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কোন এক সফরে রাত্রিবেলা একটি অপরিচিত কাফিলার সাক্ষাত লাভ করেন। রাতের ঘোর অন্ধকারে কাফিলার কোন লোকজনকে দেখা যাচ্ছিল না। ঘটনাক্রমে সেই কাফিলায় আবদুল্লাহ ইবন মাসউদও ছিলেন; কিন্তু উমার (রাঃ) তা জানতেন না। উমার (রাঃ) একজন লোককে তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করতে বললেন, কাফিলা কোথা থেকে আসছে? অন্য কাফিলা থেকে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ জবাব দিলেন- -‘আমীক উপত্যকা থেকে।’ -‘কোথায় যাচ্ছে?’ -‘ইলাল বাইতিল আতীক-বাইতুল আতীকে (অর্থাৎ কাবা শরীফে)।’ জবাব শুনে উমার (রাঃ) বললেনঃ ‘নিশ্চয় তাদের মধ্যে কোন আলীম ব্যক্তি আছেন।’ তিনি আবার জিজ্ঞেস করতে বললেন, ‘কুরআনের শ্রেষ্ঠতম আয়াত কোনটি?’ -‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম, লা তাখুজুহু ওয়ালা সিনাতুন ওয়ালা নাওম-সেই চিরন্তন চিরঞ্জীব সত্তা আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তন্দ্রাও তাকে স্পর্শ করেনা এবং নিদ্রাও তাঁকে পায়না।’ (সূরা বাকারা, আয়াতঃ ১৫৫) -‘সর্বাধিক ন্যায়-নীতির ভাব প্রকাশক আয়াত কোনটি?’ -ইন্নাল্লাহা ইয়া’মুরু বিল আদলি ওয়াল ইহসানি ওয়া ইতায়িজিল কুরবা-আল্লাহ ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, পরোপকার এবং নিকটতম আত্মীয়-স্বজনদের কে দান করার নির্দেশ দিচ্ছেন। আবার প্রশ্ন করা হলোঃ -‘সর্বাধিক ব্যাপক অর্থবোধক আয়াত কোনটি?’ -‘ফামাই ইয়া’মাল মিসকালা জাররাতিন খাইরাই য়ারাহ্, ওয়ামাই ইয়া’মাল মিসকালা জাররাতিন শাইরাই য়ারাহ্’- ‘যে ব্যাক্তি এক বিন্দু পরিমাণ সৎকাজ করবে সে তার বিনিময় লাভ করবে, তেমনিভাবে যে ব্যাক্তি এক বিন্দু পরিমাণ অসৎকাজ করবে তার বিনিময়ও সে লাভ করবে।’ (সূরা যিলযাল, আয়াতঃ ) -‘সর্বাধিক ভীতিপ্রদ আয়াত কোনটি?’ -‘লাইসা বিআমানিয়্যিকুম ওয়ালা আমানিয়্যি আহলিল কিতাবি মান ই’মাল সূআন ইউজযা বিহি ওয়ালা ইয়াজিদ লাহু মিন দুনিল্লাহ ওয়ালিয়্যান ওয়ালা নাসীরান’- ‘না তোমাদের আশা-আকাঙ্খা অনুযায়ী, আর না আহ্লে কিতাবদের কামনা বাসনা অনুযায়ী সব কিছু হবে। যে ব্যাক্তি খারাপ কাজ করবে তাঁকে তাঁর প্রতিফল ভোগ করতে হবে। আর আল্লাহ ছাড়া তার জন্য আর কোন অভিভাবকও পাবেনা এবং কোন সাহায্যকারীও না।’ -‘সর্বাধিক আশার সঞ্চারকারী আয়াত কোনোটি?’ -‘কুল ইয়া ‘ইবাদিল্লাজীনা আসরাফু ‘আলা আনফুসিহিম লা তাকনাতু মির রাহমাতিল্লাহ ইন্নাল্লাহ ইয়াগফিরুজ্জুনুবা জামীয়া। ইন্নাহু হুয়াল গাফুরুর রাহীম’- ‘হে নবী আপনি বলুন। হে আমার বান্দারা, যারা নিজের ওপর বাড়াবাড়ি করেছো, আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়োনা। নিশ্চয় আল্লাহ সব পাপই ক্ষমা করে দেবেন। তিনিই তো গাফুরুর রাহীম।’ -‘আচ্ছা আপনাদের মাঝে কি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ আছে?’ -হ্যাঁ।’ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ খোদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শিক্ষালয়ে শিক্ষালাভ করেন। তাই সাহাবীদের মধ্যে যারা কুরআনের সবচেয়ে ভালো পাঠক, তার ভাব অর্থের সবচেয়ে বেশী সমঝদার এবং আল্লাহর আইন ও বিধি –বিধানের সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ, তিনি ছিলেন তাঁদেরই একজন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) সম্পর্কে বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি বিশুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করে আনন্দ পেতে চায়, যেমন তা অবতীর্ণ হয়েছে- সে যেন ইবন উম্মু আবদের পাঠের অনুসরণে কুরআন পাঠ করে।’ আল্লাহর কিতাব কুর’আনের জ্ঞানে তিনি কতখানি পারদর্শী ছিলেন সে সম্পর্কে তাঁর নিজের একটি মন্তব্য এক্ষেত্রে বিশেষ উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, ‘যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই সেই আল্লাহর কসম! আল্লাহর কিতাবের এমন কোন একটি আয়াত নাযিল হয়নি যে সম্পর্কে আমি জানিনা যে, তা কোথায় নাযিল হয়েছে‘আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ- যেন এক জীবন্ত কুর‘আন!’ একবার উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কোন এক সফরে রাত্রিবেলা একটি অপরিচিত কাফিলার সাক্ষাত লাভ করেন। রাতের ঘোর অন্ধকারে কাফিলার কোন লোকজনকে দেখা যাচ্ছিল না। ঘটনাক্রমে সেই কাফিলায় আবদুল্লাহ ইবন মাসউদও ছিলেন; কিন্তু উমার (রাঃ) তা জানতেন না। উমার (রাঃ) একজন লোককে তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করতে বললেন, কাফিলা কোথা থেকে আসছে? অন্য কাফিলা থেকে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ জবাব দিলেন- -‘আমীক উপত্যকা থেকে।’ -‘কোথায় যাচ্ছে?’ -‘ইলাল বাইতিল আতীক-বাইতুল আতীকে (অর্থাৎ কাবা শরীফে)।’ জবাব শুনে উমার (রাঃ) বললেনঃ ‘নিশ্চয় তাদের মধ্যে কোন আলীম ব্যক্তি আছেন।’ তিনি আবার জিজ্ঞেস করতে বললেন, ‘কুরআনের শ্রেষ্ঠতম আয়াত কোনটি?’ -‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম, লা তাখুজুহু ওয়ালা সিনাতুন ওয়ালা নাওম-সেই চিরন্তন চিরঞ্জীব সত্তা আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তন্দ্রাও তাকে স্পর্শ করেনা এবং নিদ্রাও তাঁকে পায়না।’ (সূরা বাকারা, আয়াতঃ ১৫৫) -‘সর্বাধিক ন্যায়-নীতির ভাব প্রকাশক আয়াত কোনটি?’ -ইন্নাল্লাহা ইয়া’মুরু বিল আদলি ওয়াল ইহসানি ওয়া ইতায়িজিল কুরবা-আল্লাহ ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, পরোপকার এবং নিকটতম আত্মীয়-স্বজনদের কে দান করার নির্দেশ দিচ্ছেন। আবার প্রশ্ন করা হলোঃ -‘সর্বাধিক ব্যাপক অর্থবোধক আয়াত কোনটি?’ -‘ফামাই ইয়া’মাল মিসকালা জাররাতিন খাইরাই য়ারাহ্, ওয়ামাই ইয়া’মাল মিসকালা জাররাতিন শাইরাই য়ারাহ্’- ‘যে ব্যাক্তি এক বিন্দু পরিমাণ সৎকাজ করবে সে তার বিনিময় লাভ করবে, তেমনিভাবে যে ব্যাক্তি এক বিন্দু পরিমাণ অসৎকাজ করবে তার বিনিময়ও সে লাভ করবে।’ (সূরা যিলযাল, আয়াতঃ ) -‘সর্বাধিক ভীতিপ্রদ আয়াত কোনটি?’ -‘লাইসা বিআমানিয়্যিকুম ওয়ালা আমানিয়্যি আহলিল কিতাবি মান ই’মাল সূআন ইউজযা বিহি ওয়ালা ইয়াজিদ লাহু মিন দুনিল্লাহ ওয়ালিয়্যান ওয়ালা নাসীরান’- ‘না তোমাদের আশা-আকাঙ্খা অনুযায়ী, আর না আহ্লে কিতাবদের কামনা বাসনা অনুযায়ী সব কিছু হবে। যে ব্যাক্তি খারাপ কাজ করবে তাঁকে তাঁর প্রতিফল ভোগ করতে হবে। আর আল্লাহ ছাড়া তার জন্য আর কোন অভিভাবকও পাবেনা এবং কোন সাহায্যকারীও না।’ -‘সর্বাধিক আশার সঞ্চারকারী আয়াত কোনোটি?’ -‘কুল ইয়া ‘ইবাদিল্লাজীনা আসরাফু ‘আলা আনফুসিহিম লা তাকনাতু মির রাহমাতিল্লাহ ইন্নাল্লাহ ইয়াগফিরুজ্জুনুবা জামীয়া। ইন্নাহু হুয়াল গাফুরুর রাহীম’- ‘হে নবী আপনি বলুন। হে আমার বান্দারা, যারা নিজের ওপর বাড়াবাড়ি করেছো, আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়োনা। নিশ্চয় আল্লাহ সব পাপই ক্ষমা করে দেবেন। তিনিই তো গাফুরুর রাহীম।’ -‘আচ্ছা আপনাদের মাঝে কি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ আছে?’ -হ্যাঁ।’ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ খোদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শিক্ষালয়ে শিক্ষালাভ করেন। তাই সাহাবীদের মধ্যে যারা কুরআনের সবচেয়ে ভালো পাঠক, তার ভাব অর্থের সবচেয়ে বেশী সমঝদার এবং আল্লাহর আইন ও বিধি –বিধানের সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ, তিনি ছিলেন তাঁদেরই একজন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) সম্পর্কে বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি বিশুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করে আনন্দ পেতে চায়, যেমন তা অবতীর্ণ হয়েছে- সে যেন ইবন উম্মু আবদের পাঠের অনুসরণে কুরআন পাঠ করে।’ আল্লাহর কিতাব কুর’আনের জ্ঞানে তিনি কতখানি পারদর্শী ছিলেন সে সম্পর্কে তাঁর নিজের একটি মন্তব্য এক্ষেত্রে বিশেষ উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, ‘যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই সেই আল্লাহর কসম! আল্লাহর কিতাবের এমন কোন একটি আয়াত নাযিল হয়নি যে সম্পর্কে আমি জানিনা যে, তা কোথায় নাযিল হয়েছে এবং কি সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। আল্লাহর কিতাব সম্মর্কে আমার থেকে অধিক পারদর্শী কোন ব্যাক্তির কথা আমি যদি জানতে পারি এবং তাঁর কাছে পৌঁছা সম্ভব হয়, তাহলে আমি তাঁর কাছে উপস্থিত হই।’ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ কেবল একজন ভালো ক্বারী, আলিম, আবিদ ও যাহিদই ছিলেন না, সেইসাথে তিনি ছিলেন একজন কর্মঠ ও বিচক্ষণ ব্যক্তি এবং কঠিন বিপদ মুহূর্তে অগ্রগামী একজন মুজাহিদ। তাঁর জন্য এ গৌরবটুকুই যথেষ্ট যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পর তিনিই ভূ-পৃষ্ঠের প্রথম মুসলিম যিনি প্রকাশ্যে কুরাইশদের মাঝে কুরআন পাঠ করেছিলেন। এবং কি সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। আল্লাহর কিতাব সম্মর্কে আমার থেকে অধিক পারদর্শী কোন ব্যাক্তির কথা আমি যদি জানতে পারি এবং তাঁর কাছে পৌঁছা সম্ভব হয়, তাহলে আমি তাঁর কাছে উপস্থিত হই।’ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ কেবল একজন ভালো ক্বারী, আলিম, আবিদ ও যাহিদই ছিলেন না, সেইসাথে তিনি ছিলেন একজন কর্মঠ ও বিচক্ষণ ব্যক্তি এবং কঠিন বিপদ মুহূর্তে অগ্রগামী একজন মুজাহিদ। তাঁর জন্য এ গৌরবটুকুই যথেষ্ট যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পর তিনিই ভূ-পৃষ্ঠের প্রথম মুসলিম যিনি প্রকাশ্যে কুরাইশদের মাঝে কুরআন পাঠ করেছিলেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ Akti jibonto quran

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now