বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রুপা গ্রামের খুব সাধারান একটা মেয়ে। সারাদিন মায়ের সাথে কাজ করা আর সময় মত পড়াশুনা করাই রুপার এক মাত্র কাজ।
এর বাইরে হয়ত কিছু সময় বান্ধবী দের সাথে বসে একটু গল্প করা কিংবা মোবাইলে একটু গান শোনা।
এই ছিল রুপার প্রতিদিনের রুটিন।
রুপা ছিল খুব চঞ্চল মেয়ে।
রুপা তখন কেবল অনার্স ১ম বর্ষে পড়ে। বান্ধবীদের জোরাজুরি তে রবির নতুন সেবা রবি সার্কেল ব্যাবহার শুরু করল। কিছু দিন পর তার ভাল কিছু ফ্রেন্ড হল। সব ফ্রেন্ড দের মাঝে আকাশ নামে একটা ছেলের সাথে তার খুব ভাল কথা হত।
"
"
"
" আকাশের ও তার সাথে কথা বলত।
কিন্তু তাদের এই কথা এসএমএস চ্যাট এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
সারা দিন এসএমএস আর এসএমএস।
কেউ কারো নাম্বার ভয় এর জন্য চাইত না যদি করে তাদের সম্পর্ক ফাটল ধরে।
তখন রবি সার্কেল এর পয়েন্ট ছিল ফ্রি।
এসএমএস এ চ্যাট করতে তেমন করচ হত না।কিন্তু কিছু দিন পর বাঁধ সাজল।
কম্পানি।৫টাকা বা ১০ টাকা দিয়ে পয়েন্ট কিনে চ্যাট করা লাগত।
আর এতে করছ বেড়ে যেতে লাগল।
তবু ভালোবাসার জন্য সবাই সব কিছু পারে।আকাশ তখন ডিপ্লোমা করছে।
রাতের পর রাত তারা চ্যাট করে যেত।
দুই জনের জন্য একে অপের অনেক টান ছিল,আকাশের ছিল অনেক বেশি কিন্তু রুপা বুজেও না বোঝার ভান করত।
"
"
"
" কিছুই করারর নাই কারন তারা ভালোবাসার সম্পর্ক এর দিকে এগুলেও কাজ হবে না কারন তারা একে অপরের থেকে অনেক দূরে।
আকাশ এর খুব ভালো লাগত রুপা কে।
রুপা যখন বলত আমি কলেজে যাচ্ছি।আকাশ জানত সে বোরকা বা হিজাব পরে বের হইছে। গ্রামের মেয়ে তাই শহরের মেয়েদের মত স্মার্ট ছিল না।
একদম সাদাসিধা জীবন পালন করত।
এই সব বিষয় গুলি আকাশের খুব ভালো লাগত। এই জন্য দিন দিন তার প্রতি খুব বেশি দুর্বল হয়ে পরছিল।
একদিন তারা কথা বলার মাঝে আকাশ বলে তাকে একটা হিন্দু মেয়ে লাইক করে।আবার অন্য এক মেয়েও ভালোবাসতে চায়।কিন্তু আকাশ তাদের কাউকে ভালোবাসে না।
এর পর যখন এসএমএস এ চ্যাট করা শেষ হয় রুপা তখন অনেক কাঁদে।
হয়ত সে আকাশ কে ভালোবাসে কিন্তু বলতে পারছে না।
কিন্তু আকাশ তো বলতে পারে।
ছেলেদের তো আগে বলা উচিত।
"
"
"
" পরের দিন আকাশ রাতে যখন চ্যাট করছিল তখন বলছে রুপা আমি একজন কে ভালোবাসি কিন্তু বলতে পারছি না।রুপা বলে বলে দেও।
আকাশ বলে না আমি বললে ও এক্সেপ্ট না করে।
তখন আকাশ বলে সে যদি এক্সেপ্ট না করে তবে আমি নিজেকে শেষ করে দিব।
এর পর আকাশ বলে তোমার নাম্বার দেও আমি তাকে ফোন দিব তুমি কনফারেন্স এ থাকবে।
অনেক কষ্ট সহ্য করেও রুপা নাম্বার দেয় আকাশ কে।
"
"
"
" আকাশ ফোন দেয় রুপা কে।কিছু বলার আগেই বলে রুপা আমি তোমাকে ভালোবাসি প্লিজ না কোরো না। রুপা কি বলবে ভাবতে ভাবতে না বলে কিন্তু আকাশ বলে আচ্ছা তবে রাখি।কিন্তু রুপা ভাবে আকাশ যদি সিরিয়াস কিছু করে বসে তখন?
ফোন যখন কাটবে তখন রুপা"" I love you too "" বলে।
তার পর হাজার ও কথা বয়ে চলে তাদের কথার নদীতে।
"
"
"
" আজকে ২বছর তাদের রিলেশন এর সম্পর্ক কিন্তু এত দূরে থাকে তবু তারা একে অপর কে একটু কম ভালোবাসে না। আকাশ আর রুপা এত দূরে থাকার পরও ৩বার দেখা করছে কিছু সময়ের জন্য।
আকাশের ডিপ্লোমা শেষ কিন্তু এখন একটা জবের খুবব দরকার,রুপাকে নিজের করে পাবার জন্য।
হয়ত সে কোন ভাল জব পাবে।
রুপাকে নিজের করে নিবে তার বাবা মাকে বলে।
সেই দিনের অপেক্ষায় আছে রুপা।
"
"
"
"""""কিছু কিছু ভালোবাসায় লাগে না খুব পরিচিত হতে।
লাগে না ঘন্টার পর ঘন্টা পার্কএ বসে প্রেম করার।
লাগে না সপ্তাহে ৫দিন দেখা করার।
দূর থেকে ভালোবাসাই সব থেকে পবিত্র ভালোবাসা।
যেই ভালোবাসা শুধু অনুভবে পাওয়া যায়।
সত্যিকারের স্পর্শ লাগে না।
ছুয়ে দিতে হয় না প্রিয় মানুষের গাল,
দেখা লাগে না তার মুখ,সকাল বেলা একটা এসএমএস "শুভ সকাল" এইটাই অনেক কিছু।"""""
"
"
যারা এমন ভালোবাসা করে শুধু তারাই জানে তাদের ভালোবাসাটা দূরে থাকলেও তারা মনের টানে কাছে নিয়ে আসতে পারে।
ভারচুয়াল লাইফে শুধু কষ্ট পেতে হবে এমন কথা নাই,যদি উপযুক্ত কাউকে বেছে নিতে পারেন তবে আপনি ও সুখি হবেন।
হয় সেইটা রবি সার্কেল বা ফেসবুক কিংবা অন্য কোন সোসাল সাইট,তাতে কি আসে যায়।
ভালোবাসবেন আপনার মত করে।""""
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now