বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তাহেরা তার বান্ধবীর বাড়ীতে এসেছে। কয়দিন পর তার বান্ধবির বিয়ে সেই জন্য। তাহেরার বান্ধবীর ভাই আকাশ বিদেশে থাকে সেও আসছে দেশে তার বোনের বিয়ে সেই জন্য। বিয়ের খবর শুনে আকাশ তিনদিনের মধ্যে চলে এলো, কেউ যানেনা, আকাশ এসে তার বাবাকে বাবা কেমন আছ? আরে আকাশ তুই আমাদের বলে আসলে না কেন?
তুমাকে সাপ্রাইজ দিবো বলে।
মা কেমন আছ? আরে আকাশ তুই কখন এলি?
এইতো এইমাত্র।
মা সুমি কোথায়?
যা উপরের ঘরে আছে,
আকাশ উপরের ঘরে গিয়ে তার বোনকে খুলে নিয়ে নাস্তে থাকল।।
কিন্তু হঠাৎ চেয়ে দেখল ও ওর বোন নয়, এমনি ফেলে দিল,
আকাশ বলল কে তুমি?
আমি তাহেরা সুমির বন্ধু।।
আকাশ বলল, তুমি জানতে যে তুমি সুমি নও তাহলে কেন বললে না, আকাশ আরো বলল এমন হেন্ডসাম সামনে দেখলে সব মেয়েরাই একটু অন্যরকম হয়ে যায়। থাক এসব কথা, হাই আমি আকাশ, তাহেরা কোন কথা না বলে হাতটি সরিয়ে চলে গেল কিচেনের ঘরে।।
কিচেনের ঘরে গিয়ে বলছে, কোত্থেকে বান্দর একটা এসে আমাকে ঘোড়াচ্ছে, আকাশের মা বললেন কার উপর এত রাগ করছিস।
কি জানি একটা এসে বান্দর বলে কি না খুব হেন্ডসাম, যদি চিড়িয়াখানার কাউকে খবর দেয়া হয় শুধু ওকে নয় ওর ফেমেলির সবটিকে তুলে নিবে।
আকাশের দাদী বললেন বান্দরটা যদি আমার শুটকি খেয়ে ফেলে, শুটকি আমি ছাদের উপর দিয়ে এসেছি।
তখন সুমি বলল, দাদী এই বান্দরটা শুটকি খায় না, এই বান্দরটা বিদেশ থেকে এসছেতো, দাদী বললঃবিদেশ থেকে এসেছে, বান্দর আবার বিদেশ থেকে আসে কি?
সুমি হে দাদী এই বান্দরটি হলো আকাশ ভাইয়া।
তাহেরা হে আকাশ না কি জানি ওর নাম।
দাদী একটু রাগ করি থাকাচ্ছেন, সুমি এই বান্দরটা আমার ভাই, তাহেরা তর ভাই।
এই বলে চায়ের টে নিয়ে দোড়ে চলে গেলো, যাইতেই আকাশের বন্ধুর সংগে খেলো ধাক্কা, ধাক্কা খেয়ে সব চা আকাশের বন্ধুর উপর পড়ে গেলো।।
কার্তিক বলল চিনিতে চা দেয়া নেই।
তাহেরা বলল সরি,
কার্তিক চিনির বোয়াম টে তে পেয়ে সবটি মাথায় ঢেলে দিলো, এবার বলল কে ভক্ত আপনি, আমি তাহেরা সুমির বন্ধু, আমি কার্তিক রাহুলের বন্ধু।
তাহেরা বলল হুম
কার্তিক বলল পরের বার চা তে চিনি দেবেন কেমন?
তাহেরা বলল ঠিক আছে বলে চলে যায়।
এই আকাশ শুনলাম লন্ডনে না কি ইংরেজীতে কথা বলে, আকাশ:হ্যা তারা ইংরেজী তো এর জন্য,,,
হঠাৎ আকাশের চোখ বাইরের দিকে গেল
আকাশ তাহেরাকে দেখল এবং বলল ঐ ফুলটসি তুমি না কি আমাকে বান্দর বলেছো,
তাহেরা: আমি তাহেরা,
আকাশ:তুমি তাহেরা বা অন্যকিছু হও সেটা আমার জানার প্রয়োজন নেই। শুনলাম তুমি না কি আমাকে বান্দর বলেছ?
তাহেরা: শুধু বান্দর নয়, ইম্পরডেন্ট বান্দর বলেছি, আপনাকে এটা না ছাড়া আমার হাতে আর কোন ভালো সার্টিফিকেট ছিল না।
এই বলে তাহেরা চলে যায়।
বিয়ের বাড়ি তো অনেক মেহমান আসবে, ও কিছু এসেছেন।।
আকাশকে ছোট থেকে ভালোবাসত মুনা, কিন্তু আকাশ ওকে ভালোবাসত না, কারণ ও ছিল বেশি স্টাইলিশ।।
মুনা তাহেরার মাঠির একটি পুতুল ভেংগে ফেলে জিদে।
তখন তাহেরা জানে না যে ওটা মুনা ভেংগে ছে কেউ জানেনা যে এটা কে ভেংগেছে।
তাহেরা ভীষন কাদতে লাগল, কারন এটা ছোটবেলা ওর দাদা দিয়েছিল।।
আকাশ দেখে ওই টা কে নিয়ে জোড়া লাগিয়ে দিল,,,,,,
এবং তাদের দুজনের ভালোবাসা এখান থেকে শুরু।
Love story
সমাপ্ত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now