বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আকাশ - যমীন সৃষ্টি কীভাবে হলো❓

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)

X আসসালামু আলাইকুম।।। মানুষ আজ নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত।তাতে যা আছে সেগুলো নিয়েও।কিন্তু পরিতাপের বিষয় গবেষণা যতই এগিয়ে চলছে,বিজ্ঞানের প্রসার হচ্ছে,, নতুন নতুন বিজ্ঞানীর দল শিক্ষা শেষে কর্মক্ষেএে নিয়োজিত হচ্ছে, ততই তারা নিজেদের নভোমণ্ডল ও ভূমন্ডলের চিন্তা-ভাবনা ও স্রষ্টা সম্পর্কে উদাসীন মনে হচ্ছে। গবেষণার তোড় এখন তুঙ্গ এ মর্মে যে, এ বিশাল পৃথিবী, মাথার ওপর আদিগন্ত মহাকাশ এবং মাঝখানে যা কিছু বিদ্যমান এসব বস্তুর সৃষ্টি কিভাবে হলো? কেউ বলে স্রষ্টা ছাড়া এমনেতেই হয়ে গেছে আবার কেউ বলে মহাবিস্ফোরণের পরিণামে এগুলোর সৃষ্টি।মোটকথা, সকলেই স্রষ্টা ছাড়া এমনেতেই হয়ে যাওয়া বিশ্বাসী কিন্তু আমরা মুসলমানরা বিশ্বাস করি, এ যমীন,খাল বিল,নদী নালা, সাগর-মহাসাগর, প্রাণীজগৎ,বৃক্ষ-তরুলতা,, আকাশ,চন্দ্র সূর্য গ্রহ নক্ষএ ও গ্যালাক্সি ইত্যাদি থেকে শুরু করে সামান্য বালুকণাজ এমনেই হয়ে যায়নি বরং তার পিছনে এক মহাশক্তি ক্রিয়াশীল রয়েছে। সে মহাশক্তি ও সর্বক্ষমতার অধিকারী হলেন আল্লাহ তায়ালা।। নিম্নোক্ত আায়াতে সে দাবীর পুনরাবৃত্তি করে আল্লাহ বলেনঃ অর্থাৎ,"নিশ্চই তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, তিনি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন।তিনি রাতের উপর দিনকে পরিয়ে দেন এমন অবস্থায় যে, দিন দৌড়ে দৌড়ে রাতের পিছনে আসে। তিনি সৃষ্টি করেছেন চন্দ্র সূর্য ও নক্ষএ তাঁর আদাশের অনুগামী করে। জেনে রাখ,সৃষ্টি করা ও আদেশ দান করা তাঁরই কাজ।কল্যাণময় আল্লাহ তিনি বিশ্বজগতের পালনকর্তা। (সূরা আরাফ,আয়াত ৫৪) আল্লাহ আরও বলেন, অর্থাৎ,"আমি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল এবং তার মাঝে যা কিছু আছে তা ছয় দিনে সৃষ্টি করেছি। আর এসব সৃষ্টি করতে আমাকে কোন ক্লান্তি স্পর্শ করেনি।"(সূরা কাফ,আয়াত ৩৮) আল্লাহ ভূমণ্ডল সম্পর্কে বলেছেন, অর্থাৎ,"আর তিনি (ভূমণ্ডলের) উপরিভাগ অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন ও তাতে (সর্বপ্রকার) কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন।" (সুরা হামীম সাজদাহ,আয়াত ১০) অতঃপর আল্লাহ তায়ালা বলেন --- অর্থাৎ, "অতঃপর তিনি আকাশসমূহকে দু'দিনে সপ্ত আকাশের রূপ দিলেন ও প্রত্যেক আকাশে তাঁর আদেশ প্রেরণ করলেন,(তিনি বলেন) আমি দুনিয়ার আকাশকে প্রদ্বীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি। এটা হলো পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।" (সূরা হামীম সাজদাহ, আয়াত ১২)। মোটকথা বর্ণিত আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হলো যে,নভোমণ্ডল ও ভূমন্ডল এবং উভয়োর মাঝে যা কিছু বিদ্যমান সবই আল্লাহর সৃষ্টি, আর আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিকর্ম ছয়দিন এ সম্পাদন করেছেন।আল্লাহ যে উপাদান দিয়ে বিশ্বজগতকে সৃষ্টি করেছেন তার একটি উপাদান আর একটিকে চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে আছে।সে আকর্ষণের ফলে সবকিছু ঠিকভাবে গতিশীল। বিজ্ঞানীদের তথ্য মতে ৯০ টি উপাদান দিয়ে বিশ্বভূবনের সৃষ্টি। (পরবর্তী গবেষণায় এর সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে)।আর এ উপাদানগুলো সৃষ্টি করা সাধারণ বিষয় নয়।সে উপাদানগুলো সৃষ্টি করা কোন সৃষ্টির পক্ষেও সম্ভব নয়।আল্লাহ বলেন- অর্থাৎ,"মানুষ সৃষ্টি করার চেয়ে নভোমণ্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করা অনেক কঠিন।"(সূরা গাফির,আয়াত- ৫৭)।আল্লাহ এ উপাদানগুলো দিয়ে নভোমণ্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করার অপর কারণ এই যে,তা সৃষ্টি করে পৃথিবীকে এক নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টিকে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেনঃ "আল্লাহ তায়ালা রাএি দ্বারা দিনকে সমাচ্ছন্ন করেছেন।এরূপে যে,রাএি দ্রুত দিনকে ধরে ফেলে।" (সূরা আরাফ,আয়াত -৫৪)। অর্থাৎ রাত দিনের এ পরিবর্তন সমগ্র বিশ্বকে আলো থেকে অন্ধকারে এবং অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আসে।সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত কোন ব্যতিক্রম হয় নি।এ হল একমাএ অসীম ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহর কুদরত।দুনিয়ার কোন বিজ্ঞানী কি পারবেন রাত দিনের আগমন ও নির্গমনকে জন্য ঠেকাতে?আজ বিজ্ঞান বিষয়ে অনেক কাজ, যা সূর্যের আলোতে শেষ করতে হবে।কিন্তু সূর্যও অস্তমিত হওয়ার সময় হয়ে গেছে এখন যে কোন প্রকারে সূর্য কে ঠেকানো প্রয়োজন।পারবেন কি বিজ্ঞানীগণ তা ঠেকাতে?আপনারা তো দাবী করেন অনেক কিছু আপনাদের নিয়ন্ত্রণে।স্পষ্টতঃ এ লথাই জানা গেল যে, আমাদের নিয়ন্ত্রণে কিছুই নয় এমনকি আমাদের প্রাণওতাই দ্বিধাহীনভাবে মেনে নিন যে,এসব কিছুর নিয়ন্ত্রক একজন আছেন, তিনি হলেন মহান আল্লাহ। আল্লাহ ঘোষণা করেনঃ অর্থাৎ, "আল্লাহ তায়ালা চন্দ্র-সূর্য , গ্রহ-নক্ষএসমূহ এমন অবস্থায় সৃষ্টি করেছেন যে, সবাঃ আল্লাহ পাকের নির্দেশের অনুগামী। " (সূরা আরাফ,আয়াত ৫৪)হে বিজ্ঞানীগণ! আপনারা যদি ইঞ্জিনিয়ারের তৈরী মেশিনসমূহে লক্ষ্য করেন তাহলে সেটাতে কিছু না কিছু যান্ত্রিক গোলযোগ রয়েছে। আর যদি দোষ ক্রটি নাও থাকে তাহলে যত মজবুত মেশিনই হোক চলতে চলতে একদিন তা ক্ষয়প্রাপ্ত বা ঢিলে হয়ে যায়। আর আল্লাহর তৈরী মেশিনের দিকে তাকান।প্রথম এ সেটা যেভাবে চালু করা হয়েছে আজ পর্যন্ত তেমনি চালু আছে। এক সেকেন্ডের জন্যও এগুলোর গতিতে কোন পার্থক্য হয় নি।এগুলোর কলকব্জা,, কখনো অকেজো বা ঢিলে হয় নি। কোন সময়েই ওয়ার্কসপে পাঠানোর দরকার পড়ে না।চলার জন্য তাদের বিদ্যুৎ বা যন্ত্রের সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।শুধুমাএ আল্লাহর আদেশই যথেষ্ট। এ চলার মাঝে সামান্যতম পার্থক্য সম্ভব নয়।হাঁ,যেদিন আল্লাহ এদের চলার গতি বন্ধ করে দিবেন এবং এগুলো বিনাশ করার ইচ্ছা করবেন তখন সব ছিন্ন বিন্ন হয়ে যাবে। তার নামই হলো মহাপ্রলয় বা কিয়ামত। ♦♦❀ সংগৃহীত ❀ ♦♦


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আকাশ - যমীন সৃষ্টি কীভাবে হলো❓

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now