বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আজও-তুমাই-ভালোবাসি-(পর্ব-৪)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান NaDira-Afrin-MagLa (০ পয়েন্ট)

X আয়েশাঃজানি তো... তোমার ভালবাসার জন্য এতটুকু পারবে না... সেই ক্লাস নাইন থেকে ভালবাসো তাই না যদি ওই মেয়েটাকে ভালবাসার জালে ফেলে পুরো ভারসিটির সামনে এসে ও তোমায় "I Love You" বলে আর আমি সেদিন মন মতো ওকে অপমান করতে পারি তাহলে আমি সেদিন থেকেই তোমার সাথে রিলেশনে যাবো নাহলে আমায় ভুলে যাও.... ইরিঃপ্রহর তুই এমন কিছু করবি না.. আয়েশাঃনা করলে কিন্তু আমি তোমার জীবন থেকে থেকে চলে যাবো বলে দিলাম... প্রহরঃনা..নাহ...আমি করব... বাজি একসেপ্ট করলাম আমি... ইরিঃwhat? আয়েশাঃReally... Thank You... Thank You so much... (জড়িয়ে ধরে) আয়েশাঃকিন্তু কাজটা তাড়াতাড়ি করো... ওই মেয়েটার অপমানিত মুখ দেখার জন্য আমার তড় সইছে না... আগামীমাসে নবীন বরণ ওইদিনই ওই মেয়ের অপমান হতে হবে.... আরো আমি করবো পুরো ভারসিটির সামনে..... তোমার কাছে শুধু এ একমাস আছে ততোদিনে না করলে কিন্তু আমি... প্রহরঃনা... না আমি করব... আয়েশাঃGood boy... রিপা চল আমার জুতাটাও নষ্ট করে দিছে ওই থার্ড ক্লাস মেয়েটা... রিপা আর আয়েশা চলে গেল... ইরি প্রহরের সামনে এসে দাঁড়ালো... ইরিঃতুই আসলে এই মেয়ে ইগোর বশে একটা মেয়ের মন ভাঙবি... প্রহরঃকী করব বল... ওকে সাত বছর ধরে ভালবাসি... কম কি... ও রিলশনের কথা বলায় ও মানতাম না কিন্তু দূরে যাওয়া টা আমার পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়... ইরিঃআল্লাহ ই জানে তুই এ মেয়েটাকে কি দেখে ভালবেসেছিস... শুধু সুন্দর চেহেরা থাকলেই হয় না সুন্দর মন ও লাগে জীবন কাটানোর জন্য... এখন না... যখন এই মেয়ের জন্য কিছু হারাবি তখন বুঝবি... বলেই ইরি চলে গেল... আকাশঃNow what... প্রহরঃ মেয়েটা সব ইনফরমেশন বের কর তো... নাম,ঠিকানা,ফোন নাম্বার,ফেসবুক আইডি, পছন্দ অপছন্দ... তুই ছাড়া এসব আর কেও বের করতে পারবে না... আর আমাকে মেয়ে পটানোর কয়টা টেকনিক শিখা.. জীবনে প্রথম এমন কিছু করছি... আকাশঃদেখলি সবসময় যে বলিস মেয়েদের মন নিয়ে খেলিস না এখন দেখ আমার কাছে তো আসলি... By the way..করছিস যখন একটু মজা নিয়েই নে... You know what i mean right... প্রহরঃতোর মাথা নষ্ট হয়ে গেছে... ছিঃ তুই এমন ভাবতেও কিভাবে পারলি... তুই জানিস আমি মেয়েদের কতটা সম্মান করি... আর যে কোন মেয়ে কারো মেয়ে বা বোন... আর আমারও ঘরে একটা বোন আছে... তার সাথে যদি এমন কিছু হতো তাহলে... এসব ভাবাও আমার জন্য পাপ... আর আমি কোন মেয়ের শরীরের প্রতি কোন চাহিদা নেই... আর তোকে আগেও বুঝিয়েছে তুই ও এসব ছেড়ে দে... কিন্তু তুই... আকাশঃOk,bro...relax relax... আর বলব না...বাদ দে...কাল আর পুরশো তো সাপ্তাহিক ভারসিটি বন্ধ তারপরদিন সকালে সব ইনফরমেশন পেয়ে যাবি.... প্রহরঃহম....(মন খারাপ করে) দুইদিন ভারসিটি বন্ধ ছিল... প্রহর ভারসিটির গেটের সামনের জ্যামে আটকে আছে... কারণ পার্কিং এর লাইন একটু বেশিই বড়... ভারসিটির একপাশে শুধু গাড়ির এন্ট্রি আর অন্য গেট আছে ঢুকার জন্যে... গাড়িতে ড্রাইভিং সিটে বসে প্রহর জানালা ঠেকিয়ে মুখে হাত দিয়ে সামনের কাঁচ দিয়ে দেখছিল যে জ্যাম ছূটেছে কিনা আবার জানালা দিয়ে তাকাতেই দেখে গতকালের সেই মেয়েটি অথ্যাৎ তিথি... তিথি গেটের সামনে আসতেই একটি ছোট ছেলে ধরে ওরনা টান দিলো... প্রহর যদিও কিছু শুনতে পাচ্ছিল না তবুও দেখে বুঝা যাচ্ছিল ছেলেটি ক্ষুধার্ত আর খাবারের জন্যে টাকা চাচ্ছে বা বলতে গেলে ভিক্ষা চাচ্ছে... কিন্তু প্রহর যা দেখল তা তার মোটেও ভালো লাগে নি... তিথি ছেলেটিকে রেখে পাশ কাটিয়ে চলে গেল... প্রহরের বাচ্চাটির জন্য প্রচুর মায়া হয়... প্রহর গাড়ি থেকে নেমে বাচ্চাটির দিকে পা বাড়াতে গিয়েও থেমে গেল... তিথিকে দেখল সে... দুইটি বড় কেকের বক্স, এক প্যাকেট বিস্কুট আর জুস ও পানি নিয়ে এসে বাচ্চাটির হাতে দিল... প্রহরের বুঝতে বাকি রইল না ও পাশ কাটিয়ে দোকানেই গিয়েছিল... তিথি ব্যাগ থেকে কিছু টাকাও বের করে বাচ্চাটিকে দিল.. একটু ঝুকে কিছুটা হাসি দিয়ে বাচ্চাটির মাথায় হাত বুলিয়ে দিল তিথি... তা দেখে অজান্তেই প্রহরের মুখে হাসি ফুটে উঠল... সে এক ধ্যানমগ্ন হয়ে সেদিকে তাকিয়ে ছিল... হঠাৎ পিছনে গাড়ির হনের আওয়াজ শুনে হুস ফিরে তার... মুখ ফিরিয়ে দেখে সামনের গাড়িটি নেই.. প্রহর তাড়াহুড়ো করে উঠেই ... একটিবার আবার তিথির দিকে তাকায় সে বাচ্চাটির সাথে হেসে হেসে কথা বলছিল... আবার হন শুনতেই গাড়ি আগায় প্রহর... গাড়ি পার্ক করে আসে সেই জায়গাটিতেই... কিন্তু পায় না আর তিথিকে... কেন আসল সে নিজেও জানে না... প্রহর তাদের আড্ডার জায়গায়ই যায়... যেয়ে দেখে আকাশ আগে থেকেই বসে আছে তার জন্য... প্রহরঃসরি রে গেটে পার্কিং এ খুব জ্যাম ছিল... আকাশঃএ সব বাদ দে... সব জানা হয়ে গেছে... প্রহরঃ তাই দুইদিনেই...বাহ... আকাশঃএসব আকাশের ডান হাতের খেলা... তো শুন মেয়ের নাম তিথি... বয়স ১৮/১৯.... নাম্বারটা তোর ফোনে রাতেই পেয়ে যাবি... ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট... বলতে গেলে বইপোকা... সারা জীবনে আজ পর্যন্ত বরচর ৪/৫ টা হয়তো ফ্রেন্ড বানিয়েছে... আর কারো সাথে তেমন কথা বলে না... ভারসিটিতে দুইটা মাত্র ফ্রেন্ড বৃষ্টি আর ইশিতা... তিথির বাসায় ও, ওর মা, বাবা আর ছোট ভাই আছে... বাবা শহরের নামকরা বিজনেসমেন হলেও তিথি সাধারণ ভাবে জীবন যাপন করতে পছন্দ করে... বাবার এত গাড়ি থাকতেও ভারসিটিতে রিক্সায় আসা যাওয়া করে... সাজাটাজা মেয়েটি মোটেও করে না... আজ পর্যন্ত নো রিলেশন... আর ছেলেদের থেকে ৫০০ হাত দূরে থাকে... আর তোর এত হ্যান্ডসাম হয়েও লাভ নেই ফিরেও তাকায় না আমি ট্রাই করে দেখছিলাম... প্রহরঃআমি তাহলে মনে হয় না পারবো... আকাশঃএ ভারসিটিতে পারলে তুই ই শুধু পারবি... প্রহরঃমানে... আকাশঃছন্দ, গান ওর ওয়িকনেস... শুনে নাকি মুগ্ধ হয়ে পরে... তা তুই এমনিতেই পারিস... আর অন্যের হেল্প আর সম্মান দেওয়া মানুষদের ও খুব পছন্দ তা তোর জন্মগত ভাবেই আছে... আর ওর প্রাকৃতিক পরিবেশ খুব বেশিই নাকি ভালো লাগে... আর...আর কিছু মনে হয় নেই... প্রহরঃতুই এতো কিছু জানলি কিভাবে... আকাশঃতোর এটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না... কিভাবে পরিচিত হবি তা চিন্তা কর... প্রহরঃহব কিভাবে দেখি ই তো নেই... আকাশঃওহ ভুলেই গেছি ছবি দেখাতে... অনেক কষ্টে কালেক্ট করছি... মেয়েটা ছবিও বেশি তুলে না... আর না ফেসবুক চালায়... প্রহরঃ এ যুগে ফেসবুক চালায় না.. কি বলিস... আকাশঃ ঠিক বলছি... এই দেখ ছবি...(ফোন বের করে দেখালো) প্রহর ছবিটি দেখেই থমকে গেল... এই যে তিথি... মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল প্রহরের... আকাশঃকিরে মুখটা এমন বানিয়েছিস কেনো... প্রহরঃতুই কি সিউর এ মেয়েটাই... আকশঃহ্যাঁ,সিউর... তুই কি চিনিস নাকি ওকে... প্রহরঃচিনি না তবে মেয়েটা খুব ভালো... ওর সাথে এমনটা করতে বেশি খারাপ লাগছে... আকাশঃকিছু করার নেই ব্রো... এখন শুধু নিজের কথা চিন্তা কর...(কাধে হাত দিয়ে) প্রহর বড় একটি নিশ্বাস ছাড়লো... প্রহরঃকোথায় পাবো ওকে.... আকাশঃ ক্লাস শুরু হতে তো টাইম আছে তাই হয়তো লাইব্রেরী অথবা টেরেসে... প্রহরঃছাদে?ছাদে কি করবে... ওখানে তো কেও যায় না... আকাশঃও যায়... প্রহরঃওকে তাইলে আমিও যাই... বাই ব্রো... আকাশঃটাটা... প্রহর লাইব্রেরীতে গিয়ে কিছুক্ষণ চোখ বুলালো... পেলো না সে তিথিকে... অতঃপর না পেয়ে ছাদের দিকে পা বাড়ালো... দরজা খুলে দেখে কেও নেই... চলে যেতে নিলেই গুনগুন কিছু আওয়াজ শুনে পা থামিয়ে ফেলে প্রহর... ডানদিক থেকে আওয়াজ আসায় কিছুটা আগালো প্রহর... দেখে তিথি গুটিশুটি মেরে ছাদের এককোণায় বসে ডাইরিতে কি জানো লিখছে আর গুনগুন করে গান গাইছে.... প্রহর যেন কিছু মুহূর্তের জন্যে সবটা ভুলেই গিয়েছিল... নিজের বাজির কথাটাও ভুলে গিয়েছিল সে... শুধু মুগ্ধময় হয়ে তিথির আওয়াজ শুনছিল প্রহর.... হঠাৎ করে মুখ ফসকেই বেরিয়ে গেল.... প্রহরঃঅনেক সুন্দর গান গাও তুমি... তোমার আওয়াজটা মারাত্মক নেশাযুক্ত... তিথি কারো আওয়াজ শুনেই লেখা বন্ধ করে দিল... চোখ তুলে তাকাতেই প্রহরকে দেখতে পায়... কিছু উত্তর দিল না তিথি... ডাইরিটা বন্ধ করে হাঁটা শুরু করে... প্রহরের পাশটা কাটতে নিলেই তিথির হাত থেকে ডাইরিটা পরে যায়... একটি অপ্রস্তুত হয়ে যায় তিথি... ডাইরিটা পরে যাওয়ায় ডাইরিরি মাঝের পাতা বের হয়ে আসে... প্রহর হাঁটু গেড়ে ডাইরিটা উঠাতে যেয়ে চোখ যায় কয়েকটি ছন্দের উপর... ডাইরিটা হাতে নিয়ে উঠে প্রহর আর চোখটা ওই ডাইরির উপর ই... তিথি ডাইরিটা প্রহরের হাত থেকে নিয়ে ব্যাগে ডুকেয়েই প্রহরের পাশ কাটতে নিলো তিথি... তিথি খানিকটা এগোলেই প্রহরের তার বাজির কথাটা মনে পরে... তিথিকে আটকানোর জন্যে বলে... প্রহরঃসরি... তিথি থেমে যায়... খানিকটা পিছু ফিরে তাকায়... তিথিঃকেনো...(নিম্ন সুরে) প্রহরঃগতকালের জন্য... তিথিঃতা তো গতকালই বলেছেন... আজ আবার কেন... প্রহরঃ আজকের জন্যেও সরি... তুমি এখানে বসে ছিলে আর আমি এসে তোমায় ডিস্টার্ব করলাম... তিথিঃভারসিটিতে তো আমি একা পড়ি না আপনিও পড়েন আপনার মন চেলে আসতেই পারেন... বলে চলে যেতে নিলে প্রহরের ডাকে আবার থেমে যায় তিথি... প্রহরঃশুনো... তিথিঃহম... প্রহরঃখুব সুন্দর ছন্দ লিখ... তিথিঃধন্যবাদ.... প্রহরঃআর ছন্দ দেখে কেও বিশ্বাসই করবে না যে তুমি কাওকে ভালবাসো নি... তিথিঃআপনি কিভাবে জানেন যে ভালবাসি কি না...(ভ্রু কুঁচকে) প্রহরঃনাহ.... মানে... আসলে তুমাকে দেখে গেস করেছিলাম আর কি... ভালবাস কি... তিথিঃনাহ... আমি যাই ক্লাসের জন্য দেরি হয়ে যাচ্ছে... বলেই সামনে ফিরলে প্রহর আরেকটি বার ডাক দেয়... তিথি শুধু মুখটা ঘুরে তাকায়... প্রহরঃখুব সুন্দর গান গাও কাল আবার আসবে কি এখানে... তিথি প্রতিউত্তরে কিছু বলল না শুধু মিষ্টি একটি হাসি দিল সে... মিষ্টি হাসি দিয়েই চলে গেল সেখান থেকে... পরেরদিন প্রহর অনেক্ষণ আগেই এসে পরেছে ছাদের... চোখ বুলিয়েও খুঁজে পায় নি তিথিকে... যেয়ে গতকাল যেখানে তিথি বসেছিল সেখানে বসে পরল প্রহর.... শুরু তার অপেক্ষা... পার হল এক ঘন্টা থেকে দুই ঘন্টা তিথির আসার কোন আভাসই নেই... প্রহর তো ধরেই নিয়েছে হয়তো আজ তিথি ভারসিটিতে আসে নি... ব্রেকটাইম ও হয়ে গেছে তাই আর থাকলো না সেখানে প্রহর... ভাবলো যেহেতু আসে নি থেকে আর কিই বা লাভ... ওঠে চলে যাচ্ছিল সে নিচে সিড়ি দিয়ে নেমে দোতলায় এসে নামতে নামতে চোখ পড়ে আকাশের উপর... আকাশ দাড়িয়ে আছে আর আশে মেয়ে ভর্তি... মেয়েদের সাথে কথা বলছিল সে... প্রহরঃ এই ছেলেটা আর শুধরাবে না... বলেই আকশের কাছে যেতেই মেয়েরা কিছুটা চিল্লিয়ে উঠে খুশিতে... একসাথে তাদের দুই ক্রাশকে পেয়েছে বলে কথা.... প্রহর আকাশকে আনতে গেলেও মেয়েরা ওকেও কথায় জুড়িয়ে ফেলে... সেখান থেকে চেলেও বের হতে পারে না প্রহর... কথা বলতে চোখ গেল তার জানালার ওপাড়ে... তিথি ক্লাসে বসে বসে বই পড়ছে... তিথিকে দেখেই প্রহরের মেজাজটা আকশে উঠে গেল... মেয়েদেরকে সরিয়ে সোজা ডুকে গেল ক্লাসের ভিতরে... আর তার রাগ এখন সাত আসমানে... রাগ হবেই বা না কেন এভাবে কেও কাওকে অপেক্ষা করায় নাকি... যদি নাই বা আসতো তাহলে আগেই বলে দিত... অপেক্ষা তো আর করতো না প্রহর....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now