বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তিথি ম্যাসেজটি ওপেন করল...
বিভোরের ম্যাসেজ এসেছে...
ম্যাসেজটা ছিল এরকম....
"তিথি আমায় মাফ করে দিও শেষ মুহূর্তে তোমায় এসব বলছি।কিন্তু তুমিই তো বলেছিলে ভালবাসা বারবার হয় না।আর তুমি আমায় ভালবাসতে পারবে কিনা জানো না।তুমি যেখানে আজ ৪ টি বছর সে ভালবাসার অপেক্ষা করেছ যা কখনও তুমি পাও নি।তাহলে আমি আমার পাওয়া ভালবাসা কিভাবে বিসর্জন দিই তুমিই বল।তোমার জীবন নিয়ে খেলা করা দ্বিতীয় মানুষটি আমিই হলাম। ভেবেই নিজের উপর ঘৃণা লাগছে।কিন্তু কি করব বল মিষ্টিকে খুব ভালবাসি।ওকে ছাড়া বাঁচতে পারবো কিনা জানি না।তাই আর আজ নিজেকে আটকাতে পারলাম না।চলে এলাম ওর কাছে।জানি তোমার মতো মেয়েকে কষ্ট দেওয়ার জন্য হয়তো আল্লাহ আমাকে কখনও মাফ করবে না।তবুও তুমি পারলে মাফ করে দিও।মাফ করে দিও তোমাকে বধু বেশে বসিয়ে রেখে অন্য কারো সাথে বিয়ে করার জন্য। সরি।"
তিথি ম্যাসেজটির রিপ্লাই দিল-
"কষ্ট পাই নি বরং খুশি হয়েছি নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছো তাও নিজের ভালবাসার মানুষটির সাথে।কয়জনই বা এতো ভাগ্যবান হয় যে নিজের ভালবাসাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পায়।তবুও নিজের পরিবারের সামনে বিয়েটি হলে বেশি খুশি হতাম।এবার শুধু নিজের প্রেমিকার জন্য নয় নিজের বউয়ের জন্যও নিজের বাবার সামনে কথা বলো।নিজের পরিবারে নিজের বউকে তার প্রাপ্য সম্মানটা প্রদান করিও।কিন্তু যে বাবা-মা তোমার জন্য এতকিছু করেছে তাদেরও ছেড়ো না।তাদের সম্মান বজায় রাখাও তোমার ই দায়িত্ব।তাই তোমার বউয়ের কাছেও তাদের ছোট হতে দিও না।মা-বাবাকে মানিয়ে আবার আরেকটি পারিবারিক বিয়েটা কর কেমন। শুভ কামনা রইল আমার পক্ষ থেকে তোমাদের নতুন জীবনের জন্য।"
ম্যাসেজটি দিয়ে ফোনটা রেখে একটা মুচকি হাসি দিল তিথি...
নিশিঃকিরে হাসছিস কেন...
কে ম্যাসেজ দিল...
তিথিঃবিভোর...
নিশিঃওহ...হো...তো কি বলল দুলাভাইয়া...
তিথি কিছু না বলে নিশির হাতে ফোনটি দিল...
নিশিঃতোর কি মাথা খারাপ...
তুই কি লিখেছিস উত্তরে...
এই ছেলের তো সাহস কম না...
এক তো বিয়ে থেকে বউ রেখে পালিয়ে গেছে আমার ম্যাসেজ ও দিচ্ছে...
নিলজ্জ...
প্রেমিকার সাথে ভাগতে হলে আগেই ভাগতো...
বিয়ের দিনে..উফফ...
আর তুই কি পালটে ম্যাজেজ দিলি হ্যাঁ...
তোর মাথাও কি গেছে নাকি...
তিথিঃ(এক এক করে চুড়ি খুলতে খুলতে)
সে তার ভালবাসার মানুষের সাথে নতুন জীবনের প্রারম্ভিক ঘটাতে যাচ্ছে...
তাকে কি কোন কটু কথা বলা ঠিক হত তুই ই বল...
আর যা করেছে ঠিকই তো করেছে শুধু কিছুটা দেরি করে ফেলেছে....
এই তো...
নিশঃকিছুটা দেরি...
তোর মাথা ঠিক আছে...
তুই কি কিছু ভেবে শুনে বলছিস নাকি...
তিথিঃমানে...
নিশিঃউফফ...
বউকে একা রেখে গেলে সমাজ কত কি বলে জানিস না...
তিথিঃকেন...
আমি তো কিছু করি নি...
বর পালিয়েছে আমায় কেন...
নিশিঃ(কথা থামিয়ে)
তুই কি অবুঝ তিথি জানিস না...
আমাদের সমাজ এরকম যে ভুল ছেলের বা মেয়ের শাস্তি মেয়ের ই যোগ্য...
সব দোষ মেয়ের রেপ হলে যে মেয়ের ধর্ষণ হয় যে মেয়ে সমাজে মুখ দেখাতে পারবে না তার দোষ কারণ সে ঠিক মতো চলা ফেরা করে নি যদিও সে বোরকা পরতো...
তবুও তারই চলা ফেরায় খোট...
ডিভোর্স হলে স্বামী অন্য মেয়ের সাথে যাই করুক না কেন দোষ মেয়ের কারণ সে তার স্বামীকে সামলে রাখতে পারে নি...
বিয়ের আগে মেয়ে গর্ভবতী হলে দোষ তো শুধুই মেয়ের ছেলের এতে কোন দোষই নেই কারণ মেয়ে তার সতিত্ব সামলাতে পারে নি...
এই আমাদের সমাজ তিথি...
মানুষ যতই বলুক সমাজ বদলাচ্ছে কিন্তু আসলেই কি তা হচ্ছে তুই ই বল...
কিন্তু এটাও না মানলে নয় যে অনেকেই বদলাচ্ছে...
সমাজ তো সবাইকে নিয়েই হয় কয়েকজন বদলালেই তো আর সমাজ বদলাবে না তাই না...
তাহলে তুই কিভাবে আশা করিস তোকে কিছুই বলবে না এই সমাজ...
তিথিঃতাদের কাজই এটা...
তাদের কথাই আমি কান দিই না...
যার যেরকম মন মানসিকতা সে তেমন ই ভাববে...
এটাই স্বাভাবিক...
আর তুই এটা বলছিয়া তুই ও তো...
নিশিঃ আমাদের কথা না আংকেল আন্টির কথা ভাব....
কথা তাদের শুনতে হবে...
আর তুই ভালো মতো জানিস তারা তোকে কিছুই বলবে না কিন্তু নিজেরা বিন্দু বিন্দু করে জ্বলবে...
এখন...
এখন কি বলবি....
তিথি যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পরল..
আসলেই তো সে এটা তো ভাবেই নি...
তার মাথায় এতক্ষণ এসব একটিবার আসে নি...
নিশিঃ(তিথির উওর না পেয়ে নিজেই বলল)
কি ভাবছিস...
সঠিক বললাম তাই তো...
তিথির মুখে ভয়ের ছাপ স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে...
সে যে তার বাবা-মা এর সম্মানের বিন্দু পরিমাণ ক্ষতি হতে দিতে চায় না...
শুধু সি বা কেন যে কোন মেয়ের কাছে তার বাবা মার সম্মান সবচেয়ে বেশি...
তাহলে কিভাবে আজ...
নাহ তার কিছু করতেই হবে...
তিথির ঘোর ভাঙলো বাহিরের আওয়াজে...
হয়তো জানা হয়ে গেছে যে তার বর পালিয়েছে....
তিথিঃ নিশু যেয়ে বাহিরে দেখে আয় না কি হচ্ছে...
আমার না খুব ভয় পাচ্ছে....
নিশিঃতুই শান্ত হয়ে বস...(দুই কাধে হাত রেখে বিছানায় বসিয়ে)
আমি দেখে আসছি)
নিশি দরজা লাগিয়ে বাহিরে গেল...
যদিও বেশিক্ষণ হয় নি যে নিশি গিয়েছে তবুও তিথির তর সইছে না...
সে ছটফট করেই যাচ্ছে...
সে আর বসে থাকতে পারল না...
বিছানা থেকে উঠেই রুমের এক পাশ হতে অন্যপাশ হেঁটেই যাচ্ছে...
আর নিজের এক হাত দিয়ে অন্যহাত মুছড়াচ্ছে...
খুব ভয় লাগছে যে তার...
তাই ছটফট না করেই স্থির থাকতে পারছে না তিথি...
দরজা খুলার আওয়াজ শুনেই পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে বাবা...
আর পিছনেই নিশি....
তিথি বাবার পিছন দিয়ে নিশির দিকে প্রশ্নবোধক দৃষ্টি নিয়ে তাকালো...
নিশি হাত দিয়ে শান্ত হওয়ার ইশারা দিল...
অথ্যার্ৎ ভয়ের কিছু নেই...
বাবা এগিয়ে এসে তিথি ঠিক সামনে দাড়ালো আর নিশি তার পাশে...
বাবাঃমাফ করে দে মা আমি তোর জন্য পাত্র বাছাইয়ে ভুল করেছি...
তিথিঃনা বাবা এমন ভাবে বলো না...
আর মাফ...
তুমি আমার কাছে মাফ চেয়ে কি আমাকে পাপী করতে চাচ্ছো...
জানো না বাবার হাত সবসময় তার মেয়ের জন্য দোয়া হয়ে ওঠে...
আর তোমার হাত আমার মাথায় থাকলে আমার জীবনের সব লড়াইয়ের সাহস পাই....
আমার সাহসটা কেড়ে নিয়ো না বাবা...
বাবাঃমা আজ কিছু চাই তোর থেকে...
তোর পিয়াশ আংকেল আছে না....
তিথিঃউনি তো তিন বছর আগে মারা গিয়েছেন তাই না...
বাবাঃহ্যাঁ....
উনার স্ত্রী অথ্যার্ৎ সপ্না ভাবী তোকে নিজের ঘরের বউ বানাতে চায়...
বিভোর পালিয়ে যাওয়াতে অনেক কথা হচ্ছে মা উনি এগিয়ে এসে বলেছেন তার ছেলের সাথে তোর বিয়ে দিতে চায়...
উনি আগেও বলেছিলেন কিন্তু তোর বিয়েটা বিভোরের সাথে তৈরি হয়ে ছিল তাই তাকে মানা করতে হয়েছে...
কিন্তু বিশ্বাস কর উনি অনেক ভালো আর তার ছেলে মেয়েও অনেক ভদ্র....
আর ছেলেটা খুব দায়িত্বেবান ও...
বাবা মারা যাওয়ার পর নিজে একাই বিজনেস সামলিয়েছে...
তোকে অনেক ভালো রাখবে মা...
জানি একবার ভুল করেছি আর হঠাৎ এ প্রশ্ন...
হঠাৎ করে এ বাছাইটা খুব কষ্টকর জানি...
তবুও কিছু করার নেই মা তোর মতামত কি মা...
তিথিঃবাবা,তুমি সবসময় আমার পাশে থেকেছো যা চেয়েছি একটিবার প্রশ্নয়ও করো নি কেন চাচ্ছি শুধু দিয়েছো ই... আজ প্রথম তুমি আমার থেকে কিছু চেলে আমি কি মানা করতে পারি বল....
বাবাঃমানে তুই...(মুখ ভরা হাসি নিয়ে)
তিথিঃআমি রাজি বাবা...
শুধু একবার ছেলের সাথে দেখা করতে চাই...
বাবাঃ আচ্ছা মা আমি বলে আসছি...
তোর মতো মেয়ে আল্লাহ সবাইকে দেক...(মাথায় হাত দিয়ে)
তিথি বাবার দিকে তাকিয়ে এক মুচকি হাসি দিল...
বাবা তিথির মাথায় একটি চুমু দিয়ে চলে গেলেন....
নিশিঃছেলের সাথে দেখা করবি ঐ সব বলার জন্য...
নিশির কথা শুনে তিথি ওর দিকে ফিরে বলল...
তিথিঃহ্যাঁ,অবশ্যই তার জন্য...
নিশিঃতোর মাথা ঠিক আছে একবার ভুল করেও বুদ্ধি আসে নি তোর...
তিথিঃতুই চাস আমি তাকে ঠকাবো...
বিয়ে সে যদি আমার সাথে করে সব জেনেই করা উচিত তা নয় কি...
আমি তাকে সব জানাবোই...
নিশিঃতাই না...
তোর আংকেলের কসম বিয়ের আগে কিছু বলবি না...
তিথিঃনিশু...(কিছু উঁচু আওয়াজে)
নিশিঃচুপ...
আর তোর জীবন নিয়ে খেলা করতে দিবো না...
সুন্দর মতো কোন ঝামেলা ছাড়া বিয়েটা করে ফেল...
যা বলার বিয়ের পরে বলিস...
আমি যেয়ে আংকেল কে বলে আসি তুই তোর ইচ্ছা বদলিয়ে দিয়েছিস ছেলের সাথে আর দেখা করবি না...
কারণ তোর উপর আমার বিশ্বাস নেই...
তিথিঃনিশু আমার কথা তো শুন...
নিশু....
শুনলো না চলে গেল নিশি...
তিথি তার রুমে বসে আছে প্রায় একঘন্টার মাঝে কতকগুলো মেয়ে আর আন্টি এসে হাজির সাথে তিথির মা আর বান্ধবীরাও....
সময়খানিকের মাঝে কাজি আসল আর তিথি তিনটিবার কবুল আর একটা সাইনে বলেই অন্যকারো হয়ে গেল...
কবুল বলার সময় হয়তো নামটাও হয়তো শুনে নি তিথি শুধু মনের মাঝে কষ্ট আর হাজার স্মৃতি নিয়ে কবুল বলে দিল...
আজীবনের জন্য অন্যকারো হয়ে গেল সে...
শেষ মেশ আসল সে মূহুর্তটা যে মুহূর্ত যতটা একটি মেয়ের জন্য কষ্টকর ততটাই তার পরিবারের জন্য...
একটি মেয়ে যেমন তার বছরের পর বছরের স্মৃতি বুকে গেঁথে নিজের পরিবার ছেড়ে অন্য পরিবারকে আপন করে নিতে হয় তেমনি....
তার পরিবারকেও তাদের জীবনের একটি অংশ অন্য কারো হাতে তুলে দিকে হয়....
তিথির কান্না যেন থামার নামই নিচ্ছে না সব বান্ধবীদের থেকে বিদায় নিয়ে নিশির কাছে এসে তার চোখের জল মুছে জড়িয়ে ধরল...
ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো...
সামনে এগোতেই দেখে তার ছোট ভাই উজান মুখ চেপে রেখেছে...
চোখ দিয়ে পানি বইছে না তবুও চোখ দুটো লাল....
তিথিঃকান্না চাপিয়ে রাখছিস কেন...
কাঁদা আসছে কেঁদে দে...(কাঁদতে কাঁদতে)
উজানঃআমি কাঁদবো কেন...
তুমি যাচ্ছো আমার জন্যই তো ভালো এখন মা বাবার সব আদর আমি পাবো...(চোখ নিচু করে)
তিথিঃ তাই নাকি তাহলে আমার টাও নিয়ে নিস...(গালে হাত দিয়ে এক চিলতে হাসি দিয়ে)
সামনে এগোতে নিবে তখনই অন্তর জড়িয়ে কান্না করে দিল....
তিথিও তাকে জড়িয়ে নিল...
আসলে ভাই বোনের ভালবাসাটা এমনই শত খুনসুটির মাঝে লুকানো হাজারো ভালোবাসা...
কিছুটা এগোতেই মা সাথে সাথে জড়িয়ে ধরল...
প্রচুর শক্তভাবে তার কলিজার টুকরো টাকে ছেড়ে কিভাবে থাকবে সে...
তিথির মাঝে যে তার প্রাণ লুকানো...
ছাড়ছেই না তিথিকে ছাড়লেই যে তার সে ছোট পুতুলটা যাকে নিয়ে সারাক্ষণ খেলতো সে তো চলে যাবে...
নিশি এসে মাকে ছাড়িয়ে নিল...
মা পাশে ঘুরে গেল সে তার মেয়ে যেতে দেখতে পারবে না...
তিথিও মাকে ছাড়তে চায়নি বাবা এসে ছাড়িয়ে কিছুক্ষণ জড়িয়ে ধরে উঠিয়ে দিল গাড়িতে...
গাড়ি তার গতিতে চলছে তিথি পিছনে ফিরে তাকিয়ে তার সবটাকে আমার দেখে...
আর দেখে তার বাবার চোখের পানি...
তার বাবার চোখে আজ হয়তো দ্বিতীয় বার পানি দেখেছে সে...
হাজার কষ্টের শর্তেও তিথিকে দেখেই তার বাবা এক হাসি দিতেন...
কিন্তু আজ সে বাবার চোখে পানি দেখে বুকটা কেঁপে উঠলো তিথির...
চোখ দিয়ে অনবরত পানি পরছে তিথির...
পাশ থেকে এগিয়ে আসা একটি রুমাল...
বুঝতে পারলো সে এটাই তার বর তবুও না তাকিয়ে নিয়ে নিলো রুমালটি...
চোখ মুছলেই কি পানি আসা বন্ধ হয় নাকি জীবনের এত বড় দিনে নিজের সবটা ছেড়ে নতুন ভাবে সব গড়ার দিনে...
বরের বাড়িটা অনেক দূরে তাই অনেক সময় লাগল পৌঁছাতে...
অনেকটা সময় পার করে এসে তিথি তার নতুন বাড়িতে পা রাখল...
কারো সাথে তেমন কথা হল না...
যেহেতু বিয়েটা ঠিক করা ছিল না তাই তেমন হৈচৈ ও নেই...
রাত বেশি হওয়ায় তিথিকে বাসরেই বসানো হল...
বেশিক্ষণ লাগি নি দরজা খুলার আওয়াজ শুনতে...
বিছানা থেকে কিছু দুরত্বে এগিয়ে যেয়েই তিথি তার বরের পা দেখে ত্থেমে যায়...
তিথিঃ আপ...আপনাকে কিছু বলতে চাই...
বরঃবিয়েটা হঠাৎ করে হল এ বিষয়েই তো...
তিথি আওয়াজ শুনে যেন নিজের কানে বিশ্বাস হচ্ছিল না...
এই সেই আওয়াজ যা আজও তার কানে গুজে....
গুজবে নাই বা কেন তার মনের মাঝে যে এ আওয়াজ টি গেঁথে রেখেছে তিথি...
সাথে সাথেই মুখ তুলে তাকাতেই এক পা পিছিয়ে গেল তিথি...
এ যে সেই যাকে ভালো বেসেছিল সে...
সেই চোখ।,সেই চেহেরা,সেই আওয়াজ সেই সব কিছু, একটুও দেখতে বদলায় নি...
আজও সেই আকর্ষণীয়তা কাজ করে তার মাঝে...
তিথি চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে...
তার যেন বিশ্বাস হচ্ছে না...
নিয়তির এ খেলা বিশ্বাসের মতো ও নয়...
ভাগ্য যে তিথির সাথে এমন খেলাটা কি বিশ্বাসযোগ্য...
অদৌ তিথি ভাগ্যের এরকম পরিহাস দেখেছে কিনা মনে হয় না...
অজান্তেই মুখে দিয়ে বের হয়ে গেল সে নামটা যা চারটি বছর মনের মাঝে গেঁথে রাখলেও একটিবারও মুখে আনে নি তিথি....
তিথিঃপ্রহর....
চলবে....
(বিঃদ্রঃদয়া করে ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন প্লিজজ প্লিজজ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now