বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমাদের পাশের আন্টি আমাদের
বাসায় আসছে আমার নামে
মার কাছে বিচার দিতে।
আন্টি : আপনার ছেলে এতো বদমাইশ কেন?
মা: কি করেছ ওও?
আন্টি : আমার মেয়ের বিড়ালকে আটকে রেখেছে।
(ততক্ষেন আমি ছাদে গিয়ে বিড়ালকে ছেড়ে
দিয়ছি)
মা: কিরে অর্নব তুই এই কাজ করসস্।
আমি : আসতাগফিরুল্লাহ,তোমার কি মনে হয় আমি এ কাজ করতে পারি।ওদের বিড়ালতো ওদের বাসায়।বেলকনি দিয়ে দেখা যাচ্ছে।
মা: তাইতো......
আন্টি : আপনার ছেলে এখন গিয়ে বিড়াল ছেড়ে
দিয়ে আসছে।
আমি : দেখছ মা আমাকে খরাপ বানানোর
চেষ্টা করছে।আবার বলে আমি বদমাইশ।
মা: তাইতো দেখছি,ওনার মেয়ে যে বড় বদমাইশ
ঐটা ওনি জানে?
আন্টি :কি.....,কি বদমাইশি করছে আমার মেয়ে?
মা: ভালো মেয়ে হলে কি birthday party তে সরারাত
full volume এ গান ছেড়ে বান্ধবীদের সাথে নচানাচি করে। আমার ছেলেটা সরারাত পড়তে পারে নাই।
(ঐ সময় দজ্জাল মেয়ে মানে মাইশার আগমন )
মাইশা: আমার বাসা আমার যা ইচ্ছা তা করব।আর আপনার ছেলে যে বেলকনিতে দাঁড়িয়ে বিড়ি
টানে তখন।
আন্টি : মেয়েটা সরারাত পড়াশুনা করতে পারে না বিড়ির গন্ধে।
আমি :আইছে একটা বালেরইয়েন্ট থুক্কু ব্রিলিয়েন্ট।
মাইশা: ব্রিলিয়েন্টই তো,আমি SSC তে GPA-5 পাইছি,তুই কি পাইছস?
আমি : তুই আমার বা*ডা ফালাইছস।
আন্টি : mind your language.
মা: You mind your,okkkk বাসা থেকে বের হন,যত্তসব।
(মাইশা ও তার মা বাসা থেকে বের হয়ে যাবার পর)
মা:অর্নব ওদের একটা উচিত শিক্ষা দিতে হবে।
আমি : সুযোগ পাইয়া নেই,তারপর বুঝাবো মজা,মা মনে রাখবা, Where there is a Ornob,there is a way
সুযোগ আমি ঐ দিন রাতে পাইলাম। দেখলাম মাইশার মা তার পড়ার টেবিলে এক গ্লাস সরবত
রেখে গেছে মাইশার খাওয়ার জন্য। তখনই মাথায় আসল এক নিনযা টেকনিক।
(আসলে আমার রুমের জানালা আর মাইশার রুমের জানালা পাশাপাশি,১ ফুটের মতো distance হবে )
মাইশা একটু পরে ওয়াশ রুমে গেল। এই
সুযোগ........
খাটের উপর দাঁড়িয়ে জানালা দিয়ে ,পেন্টর চেইন খুলে মেশিনগানটা বের করলাম,লক্ষ ১ ফুট দূরে থাকা গ্লাসটি। ready 1 2 3........ অব্যার্থ লক্ষ। গুলি বেশি না অল্পই ছাড়লাম।
একটু পর শুনতে পেলাম মাইশার মা মাইশাকে বলছে,মাইশা মা সরবতটুকু খেয়েনে,মাইশা বলল্ খাচ্ছি মা।
এখন আমি বিছানায় গড়াগড়ি খাচ্ছি ও হাসছি আর মনে মনে বলছি লে এবার হিসু খা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now