বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আযান ধ্বনি

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সিয়াম (০ পয়েন্ট)

X পৃথিবীতে অনেক নবি এমন আমল করেছেন যা আল্লাহর নিকট গ্রহনযোগ্য হয়ে এমন পর্যায় চলে গেছে যা পরবর্তীতে মানুষের জন্যও এই কাজ অবশ্য হয়ে গেছে। নবিজী (সাঃ) এর সব কাজই আমাদের জন্য সুন্নত। হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর কুরবানি এখন সকল সামর্থবান মুসলিমের জন্য ফরজ। এইভাবে অনেক সাহাবির আমলও মানুষের জন্য অবধারিত হয়ে গেছে। এখান থেকেই এক সাহাবির একটা কাজ যা সব মানুষের জন্য অবধারিত। এবং জিনিসটার সাথে আমরা খুব পরিচিত। সেটা হচ্ছে ফজরের আযান। আমরা জানি ফজরের আযান এবং বাকি চার ওয়াক্ত নামাজের আযানে একটু পার্থক্য। সেটা হচ্ছে ; আসসালাতু খইরুম মিনান নাউম। অর্থাৎ ঘুমের চেয়ে নামাজ ভালো। এই বাক্য আগে আযানে ছিল না। না এটা কুরআন দিয়ে বলা হয়েছে যে এই বাক্য ফযরের আযানে ব্যবহার করবে। না রাসূল (সাঃ) এই বাক্যটা ফযরের আযানে বলতে বলেছেন। এই বাক্য প্রথম ব্যবহার করেছেন এক সাহাবী। তিনি হলেন হযরত বেলাল (রাঃ)। ইসলামের ইতিহাসে যাকে প্রথম মুয়াজ্জিন বলা হয়gj। একদিন তিনি যথারীতি ফযরের আযান দিলেন। সেদিন আবার রাসূল (সাঃ) এর ঘুম তখনও ভাঙেনি। আল্লাহর ই কোন ইচ্ছা ছিল সেটা। যাইহোক নামাজের সময় প্রায় হয়ে আসছে। তখন অন্য সাহাবীরা হযরত বেলাল (রাঃ) কে বললেন যান রাসূল (সাঃ) ডেকে নিয়ে আসুন। বেলাল (রাঃ) রাসূল আল্লাহর ঘরের দরজার সামনে দাড়ালেন। কিন্তু কি বলে রাসূলকে ডাকবেন তা নিয়ে দ্বিধা করছিলেন। অবশেষে তিনি মসজিদে ফিরে এসে আজানের জায়গায় দাড়িয়ে আসসালাতু খইরুম মিনান নাউম বাক্যটি পড়লেন। সাথে সাথে নবিজীর ঘুম ভাঙলো। এবং তিনি নামাজে চলে গেলেন। নামাজ পড়া শেষে তিনি প্রতিদিনের মতো সাহাবিদের ভিতর আলোচনা শুরু করলেন। তখন তিনি বেলাল (রাঃ) বললেন হে বেলাল তুমি এই বাক্যটি কোথায় পেলে? বেলাল (রাঃ) তো ভয় পেয়ে গেলেন যে না জেনে কি করে ফেললাম? তারপর তিনি নবীজিকে বললেন হে রাসূল আল্লাহ আমি আযান দেওয়ার পরও যখন আপনি ঘুম থেকে উঠলেন না। তখন আমাকে ডাকতে পাঠানো হলো। কিন্তু আপনাকে কি বলে ডাকবো তা নিয়ে সংশয়ে ছিলাম। তাই আমি উক্ত বাক্য পাঠ করেছি। তখন রাসূল (সাঃ) বললেন হে বেলাল ভয় করো না। তোমার এই বাক্য আল্লাহ ও আমার কাছে এত পছন্দ হয়েছে যে আজকের পর থেকে কিয়ামতের আগ পর্যন্ত যতবার ফজরের আজান হবে তার মাঝখানে থাকবে তোমার বলা এই বাক্যটি আসসালাতু খইরুম মিনান নাউম।gj পাঠক গন এই লেখার সময় অনেকবার রাসূল (সাঃ) এর নাম উচ্চারন করেছেন তাই। সবাই অন্তত একবার দূরদ পড়ে নিবেন yes


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আযান ধ্বনি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now