বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কেন হঠাত তুমি এলে, কেন নয় তবে পুরোটা জুড়ে। ভালই লাগে এখন গানটা। তাহসানের এই গানটাই শুনছিলাম বসে বসে। গানের কথাগুলোর সাথে বিগত কয়েকদিন যেন মিলে যাচ্ছে। বেশ কয়েকদিন ধরে খেয়াল করছি হঠাত আমি যেন কেমন পরিবর্তিত হয়ে গেলাম। কয়েকদিন ধরে মনে হচ্ছে কেউ যেন আমাকে তার মুখচক্ষুর অন্তরালে থেকে খেয়াল করছে এমনকি আমার সব সমস্যার সমাধান করছে। বেপারটা প্রথম প্রথম একটু অন্যরকম লাগলেও পরে স্বাভাবিক হয়ে যায় আমার কাছে। বেপারটাতে আমি খুব মজা পেতাম। কিন্তু সত্যি বলতে আমি অন্তরালে লুকিয়ে থাকা মানুষটিকে এক পলক দেখার জন্য বেকুল হয়ে ছিলাম। বাসা থেকে ভার্সিটিতে একাই যাতায়াত করি। কিন্তু কখনও নিজেকে একা মনে হয় নি। সবসময় মনে হয়েছে কেউ আমাকে নজরে রেখেছে। কিন্তু ইদানিং নিজেকে অনেক একা লাগে সাথে কেমন যেন অচেনা কষ্ট। কয়েকদিন ধরে আমার মনে হয় না যে কেউ আমার আশেপাশে আছে। এখন ছোটখাটো অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে আমায়। ভার্সিটিতে ইদানিং অনেক অন্যমনষ্ক থাকি। যে কাজটা আমি অনেক ভাল পারি সেটাতেও কেমন যেন গুলিয়ে ফেলছি নিজেকে। কিছুদিন আগে আমি আমার ল্যাবে করা প্র্যাকটিকেল গুলো আমার বেগের মধ্যে সাজানো পেতাম। তাই আমাকে এসবে কষ্ট করতে হত না। ল্যাবে অনেক ভাল নম্বর পেয়েছিলাম আমি। কিন্তু কালকে ল্যাবে আমাকে রিপিট দেওয়া হয়েছে। জানি না কিভাবে কি করব। কিচ্ছু যেন বুঝতে পারি না। বুঝতে পারছি আমার কাছে সেই অন্তরালের মানুষটি কতটা গুরুত্বপুর্ন ছিল। কেন জানি বারবার একটি কথাই মনে হচ্ছে, কেন এসেছিলে তুমি আমার চোখের আরাল হয়ে। আর এসেছই যখন তবে কেন আবার হারিয়ে গেলে। নিজেকে আমার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মানিয়ে নিলে তবে কেন এখন ছেড়ে গেলে। আমি যে তোমায় ছাড়া এখন অপুর্ন। এরকমই যদি করবে তবে কেন এসেছিলে আমার জিবনে। আমি না হয় জিবনটাকে তুমিহীন ভেবেই সাজিয়ে নিতাম। ক্যাম্পাসের এক নিরিবিলি জায়গায় বসে এসব ভাবছিলাম। আমি অরুনিমা আহমেদ নীলাশা। সবাই অরুনিমা আবার অনেকেই অরু বলেই ডাকে। এসব কিছু না ভেবে নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব বলে ঠিক করলাম। ঠিক তখনই কয়েকজন প্রানপ্রিয় বান্ধবীরা আমার পাশে এসে বসল। এই অরু জানিস আমাদের ডিপার্টমেন্টের আকাশ ভাই আছে না, উনি এবারো ডিপার্টমেন্ট এ প্রথম হয়েছে। তবে উনাকে কোথাও খুজে পেলাম না। আমি বললাম, কোন আকাশ ভাইর কথা বলছিস তোরা। ওরা বলল, কেন ওই যে একদিন পরিক্ষার জন্য তোকে কলম দিয়েছিল। ওই ভাইর কথাই বলছি। আমি বললাম, ও ওই ভাই। কিন্তু উনাকে খুজে পাচ্ছিস না কেন। ওরা বলল, বেশ কয়েকদিন থেকে উনাকে দেখা যাচ্ছে না। বান্ধবীদের একজন বলল, আমি যে কি করে এখনও তাকে মনের কথা বলছিনা। এ কথা শুনে আমরা সবাই হেসে ফেললাম। আমার কেন জানি মনে হল, তবে কি এই আকাশ ভাই এতদিন আমাকে সাহায্য করে এসেছে। না এ হতে পারে না। উনি তো কোন মেয়েদের সাথে ঠিকমত কথাই বলতে পারে না আর আমাকে তো নয়ই। আমি দেখতে খুব একটা খারাপ না হলেও আমার চেয়ে অনেক ভাল মেয়ে উনার জন্য বসে আছে। যাক আমি আর এসব ভাবনাতে গেলাম না। পরেরদিন ভার্সিটিতে ক্লাশ করছি। এমন সময় আমাদের কিছু সিনিয়র ভাই আমাদের ক্লাসের গেটে আসলেন এবং স্যারের সাথে কি যেন কথা বললেন। স্যার হঠাত কেমন যেন গম্ভীর হয়ে গেল এবং তাদের বলল আচ্ছা তোমরা একটা দরখাস্ত দিয়ে যাও পরিক্ষা অন্যসময় করার ব্যবস্থা আমি করছি। এবার তারা চলে গেলেন। আমাদের ক্লাসটাও যেন ঠিকমত হল না। ক্লাস শেষে শুনলাম সিনিয়র এক ভাইয়ের ক্যান্সার ধরা পরেছে। তাই তার জন্য কিছু সাহায্য লাগবে। এতদিন নাকি আকাশ ভাই এসব কিছুর ব্যবস্থা করছিল কিন্তু এখন সবার সাহায্য লাগবে বলে তিনি সবাইকে জানান। তাই সিনিয়ররা সবার কাছেই যাচ্ছে কিছু সাহায্যের জন্য। আমরাও আমাদের সাধ্যমত সাহায্য করার চেষ্টা করলাম। কিছুদিন পর শুনলাম সেই ভাই এখন মাদ্রাজে চিকিৎসাধীন আছে এবং অনেকটা বিপদমুক্ত। কিছুদিন পরেই ভার্সিটিতে আকাশ ভাইকে দেখা গেল। তবে সে আগের মতই চুপচাপ নিজের মত চলছে। একদিন ক্লাসে এসে আমাদের সাহায্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে যায়। ওইদিন ক্লাস থেকে বের হব এমন সময় একটা ছোট ছেলে এসে একটা চিঠি দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমি চিঠিটা খুললাম। খুলে দেখলাম,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now