বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গোপালপুর নামক একটা জায়গায় ছিলো সেখানে,বাস করে ফারহান ও তার মা।
ফারহানের বাবা নেই মারা গেছে,
ফারহান মা ছিলো শত একজন,নামাজি
ব্যক্তি তিনি ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়ে ।কিন্তু
ফারহান হয়েছে অন্যরকম,ও মানুষের ধোঁকা
দেয়া মিথ্যা কথা বলে, ছিটারি তে ওস্তাদ ।
ও পাশের গ্রামের একটি মেয়ের সাথে প্রেম করতো।
সেই মেয়েটির নাম ছিলো শাহী ।
শাহী বেশ সুন্দর ছিলো, আর মধ্যবিত্ত,
ঘরের মেয়ে ছিলো,ফারহান যখন ওর সাথে।
সম্পক করে তখন বলে ও নাকি তালুকদার বাড়ির,
ছেলে ওর বাবার নাকি কোটি কোটি সম্পদ আছে।
গাড়ি আছে বাড়ি ও আছে এসব বলে মেয়েটিকে ইম্পেজ করে মেয়েটিও রাজি হয়ে যাই।
ফারহানের একটা ভালো বন্ধু ছিলো যার নাম,
কাব্য কাব্য ধনি ঘরের ছেলে যখন যা চাই তাই পাই।
ফারহান যখন শাহীর সাথে দেখা করতে যাই তখন,
কাব্য থেকে জামা কাপড় চেয়ে নি তো,কাব্য র সব চেয়ে দামি পোষাক চাইতো কাব্য নিজেই যেটা এখনো পড়ে নাই,সেটা চাইতো।কাব্য দিতে না
চাইলে হাত পা ধরে নি তো আর বলতো এবারের মতো নিবে ,তারপরে মেয়েটির সাথে দেখা করতো
এভাবে কয়দিন পর পর কাব্য এর কাছে গিয়ে নানা
রকম কিছু বলে পোষাক নিতো। শাহীর গ্রামের ছেলেরা বলতো এক গ্রাম থেকে এসে আরেক গ্রামের
মেয়ের সাথে প্রেম করছে, ওকে মারতে চায় তখন
ফারহান দৌড়ে পালাই এবং ওর আর বন্ধুরা দৌড়ালো
কেনো জানতে চাইলে ফারহান বলে একটা পাগলা
কুকুর একটা ছাগল কে তাড়া করছিল,ও কুকুরটাকে তাড়িয়ে দিলো,তাই দৌড় দিছে,,,,,
অন্য দিকে ফারহানের মা সবসময় আল্লাহ্ কে
ডাকে,বলে আল্লাহ্ আমি কি আমার ছেলেকে ঠিক
ভাবে মানুষ করতে পারছি,তো কি কোনো অন্যায় করছে কাউকে ঠকাচ্ছে ,অন্য দিকে শাহী ফারহান কে বলে বিয়ে করতে,ফারহান বলে ওর বাবা
কখনো এই বিয়ে মেনে নিবে না, তার বন্ধুর
মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করছে,তাই সে তার বাবাকে না জানিয়ে বিয়ে করবো,
শাহী গিয়ে ওর খালার কাছে ওদের বিয়ের ব্যাপারে ।
বলে তখন শাহীর বাবা সব শুনে বিয়েতে রাজি হয়।এবং ফারহান কে আসলে বলে,ফারহান আবার সেই কাব্য কাছে গিয়ে পাঞ্জাবি চাই।এবার কাব্য দিবে না বলে বসে থাকে তার৫ হাজার টাকা দামের পাঞ্জাবি কিন্তু ফারহান বলে আমার বিয়েটা হোক
এটা তুই চাসনাআরে দেনা বন্ধু বিয়ে করে এসে
দিয়ে দিবো,তারপরে ফারহান শাহীর বাড়ি গিয়ে কথা বলে শাহীর বাবার সাথে।
শাহীর বাবা ওর কথা বিশ্বাস করে বিয়ে ঠিক করে
ফারহান তার এক চাচাকে গিয়ে বলে বাবারঅভিনয়
করতে চাচাকে বলে ও তার পরিচয় দিয়ে বিয়ে
করছে,।চাচা রাজি হয় না তখন ফারহান বলে
ওর নাকি একটা ফুফু শাশুড়ি আছে,বিয়ের পর তার
সাথে আপনার রিলেশন করিয়ে দেবো তার স্বামী
মারা গেছে তখন সেও রাজি হয়ে গেলো।পরদিন
বিয়ে করে তার সেই চাচার বাড়িতে যাই তখন তার
চাচা ফারহানের শেখানো কথা বলে এবং ওদের তাড়িয়ে দেই।ফারহান তখন ওর মার কাছে গিয়ে বলে
মামা বাবা আমাকে ও ওই বাড়ি থেকে বের করে দিছে ।আমি তোমার বউমাকে নিয়ে চলে আসছি
ওর মা ঘর থেকে বেড় হয়ে আসে বাইরে ।
তখন শাহী বলে মা আব্বা তো আমদের মেনে নিলে না এখন আপনি নেন,
তখন ফারহান মা বলে ছি ছি ফারহান তুই তোর
মাকে অপমান করলি কলঙ্ক লাগালে আমার গায়ে
তুই আমার সাথে অন্য পুরুষকে জড়ালি কেনো অন্য
পুরুষের বাবা বানাইলি।আমি একি ছেলে জন্ম দিছি
যে মিথ্যা কথা বলে মানুষকে ঠকিয়ে,
নিজের বাবা মরে গেছে অতোচো অন্য কাউকে
বাবা বানাই,তখন শাহী আসল সত্যিটা শুনে কাব্য র
মুখ থেকে,ফারহান তখন,ওর মায়ের কাছে ক্ষমা চান
ওর মা বলে শাহীর কাছে ক্ষমা চাইতে তার ভুলের
জন্য, শাহী ফারহান কে বলে যে তাকে কখনো
ক্ষমা করতো না শুধু মা এ ২টা কারনে সে তাকে
ক্ষমা করতে পারে,
১.হলো সে একটি আদর্শ মায়ের সন্তান।
২.তাকে শাহী ভালো বেসে বিয়ে করেছে।
তাই আমাদের উচিত মাকে সম্মান করা।
তাকে ভালো বাসা তার,নিয়ে যেনো এমন
কিছু করা বা বলা উচিত না যাতে সে,
অপমানিত বোধ করেন। মা,হলো আমাদের মূল্য বান
সম্পদ,ফারহান আর কখনো এমন করবে না
বলে প্রতিজ্ঞা করে,।আবার কিছু শিখলাম না
বাই ..........বাই
সমাপ্ত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now