বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গারি পেয়ে তারা তো অনেক খুশি। তবে এখনও অনেক কাজ আছে। মাত্র গাড়ি পাওয়া গেছে। তাওবা সেটি পুরানো। তবে তারা সেদিকে তাকাল না।
গাড়িটাকে বাসায় নিয়ে আসা হলো।
হাসান: এখানে রাখলে সমস্যা হবে। এটি রাখার জন্য কোনো বড় মাঠ লাগবে
রকিব: তা তো ঠিক বলেছিস। তবে আর কোথায় রাখবো এত বড় গাড়ি
এটি ভেবেই দু জনের মুখ বিষন্য হয়ে উঠলো। ????????????
পরক্ষনেই তাদের মনে পড়লো স্কুলের পিছের জঙ্গল। এটা খুব বড় একটা জায়গা। জায়গাটি খুব ভূতুড়ে তাই কেও সেই জায়গায় যায় না। তবে তারা হলো বিজ্ঞান মনস্ক। তাই তারা ভূতে বিশ্বাস করে না
তাই তারা গাড়িটি সেখানে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। তবে এখন তো বিকাল। এখন নেওয়া সম্ভব নয়। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল সবাই যখন রাতে বেলা ঘুমিয়ে যাবে তখন তারা গাড়িটি নিয়ে যাবে। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো সে গাড়িটি পুরানো হলেও গাড়িটির ইঞ্জিন পুরো ঠিক রয়েছে।
(রাত ৯ টা বাজে)
হাসান: রাকীব তুই বরং এখন চলে যা। নাহলে তোর বাবা মা তোকে বকা দিবে
রকিব: তোকে বলিছিনা আমার বাবা মার আমার জন্য কোনো চিন্তা নেই। আমি যদি হারিয়ে ও যাই তাও তারা আমার কথা চিন্তা করবে না আর আমাকে কোনো বকাও দিবে না। তবে আমি তাদের বলে আসছি আজ রাতে আমি আমার বন্ধুর বাড়ি একসাথে পড়ালেখা করবো। তাই চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। বরং আমরা ঠিক করি আমাদের পরের কাজ কি।
হাসান: গাড়িটি তো জোগাড় করে ফেললাম তবএ এখন সমস্যা হলো গাড়িটি উর্বে কেমনে। এর জন্য পাখা কই পাবো
রকিব: এসব কথা তুই চিন্তা করিস না। তাই খালি দেখ দুটো কম্পিউটার জোগাড় করতে পারিস কিনা। মোট ৩ টে কম্পিউটার লাগবে। আমার কাছে একটা আছে। তুই বাকী দুটো জোগাড় কর।
হাসান: এটা কোনো বেপার না। আমার কাছে অলরেডী দুটো কম্পিউটার আছে। বাবা আমেরিকা থেকে পাঠিয়েছে।
রকিব: তা তো খুব ভালো কথা। তাহলে আমাদের A.C.A.H এর অর্ধেক কাজ এগিয়ে গেছে
হাসান: এটা কেমনে।
রকিব: আরে বকা আমাদের গাড়িটি ৮০ ভাগই কন্ট্রোল করবে কম্পিউটার। আমি ইন্টারনেট থেকে শিখেছি কিভাবে সুপার কম্পিউটার তৈরি করতে হয়। এর জন্য আমাদের দুটো কম্পিউটার লাগবে
হাসান: তাহলে তিনটা কম্পিউটার কি কাজের
রকিব: ওটা তোমাকে চিন্তা করতে হবে না
।এই দেখো কথা বলতে বলতে ২ টা বেজে গেল। সবাই এখন ঘুমিয়ে গেছে। চল আমরা গাড়িটি জঙ্গল এ নিয়ে যাই।
হাসান: আমি গাড়ি চালাতে পারি। বাবা শিখিয়েছে। তুই গাড়িতে উঠ
রকিব: গাড়ি চালিয়ে গেলে সবাই গাড়ির আওয়াজে জেগে উঠবে। আমাদের ঠেলে ঠেলে নিতে হবে
হাসান: ঠেলে ঠেলে নিব এত দুর তোর কোনো আইডিয়া আছে আমাদের স্কুলের পিছনের জঙ্গল এখান থেকে কত দূরে। গাড়ি ঠেলে ঠেলে নিলে আমি আর আমি থাকবো না।
রকিব: তাহলে কি তুই A.C.A.H তৈরি করতে চাস না।
হাসান: না চাইলে কি এত কষ্ট করতাসি
রকিব: তাহলে চল গাড়ি ঠেলা দেওয়া শুরু করি
(গাড়ি ঠেলতে ঠেলতে সকাল হয়ে গেল।)
দুই জনের চোখেই ঘুম তারা সারা রাত গাড়ি ঠেলেছে তাই তারা খুব ক্লান্ত। আজ Sunday তাই তারা বাসায় গিয়ে ক্লান্ত দেহ নিয়ে ঘুমিয়ে পরলো। তারা ঘুম থেকে উঠে দেখলো সকাল ১০ টা বাজে।
রকিব আর হাসান তাড়াতাড়ি খেয়ে চলে গেল জঙ্গলে।
তারা কাজে নেমে পড়লো। হাসান গাড়ির সব পার্ট খুলসে অন্য দিকে রকিব সুপার কম্পিউটার তৈরি করার জন্য দুটো কম্পিউটার কে খুলে দুটো মাদারবোর্ড জোড়া লাগানোর চেষ্টা করছে। কাজ করতে করতে তারা দেখলো সন্ধ্যা হয়ে গেছে। তাদের কাজ ও শেষ। হাসান রাকীব এর কথা মত গাড়ির সব পার্ট খুলে ফেললো। অন্য দিকে রকিব সুপার কম্পিউটার তৈরি করতে সক্ষম হইছে। জদিও তা বিজ্ঞানীদের সুপার কম্পিউটার এর মত হয় নি। তবে তা গাড়ি কন্ট্রোলের জন্য যথেষ্ট হবে।
তারা বাসায় চলে আসলো। কালকে স্কুল আছে তাই তারা তাদের হোমওয়ার্ক করে ঘুমিয়ে পরলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now