বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আবেগী মন!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X → আবেগী মন ???? .. --- জানো আমার না অনেক জ্বর। ???? --- ওষুধ খাও। ???? --- অনেক বেশি জ্বর। ???? --- এন্টিবায়োটিক খাও তাহলে। ???? --- তোমাকে দেখতে ইচ্ছা করছে অনেক। ???? --- আমি এখন এই ঢাকা থেকে তোমাদের ওখানে যাবো? ???? --- তাও কথা। একটা কথা বলি? ???? --- বলো। --- রাখবে? ???? --- রাখবো, বলো। ???? --- একটু মাথায় হাত রাখবে????? --- মোবাইলে কিভাবে হাত রাখে মাথায়????? --- আচ্ছা লাগবে না। রাখতে হবে না।???? --- কি হলো আবার????? --- আমি মরে গেলে দেখতে এসো।???? --- জ্বর হলে মানুষ মরে না। রেস্ট নাও, ঠিক হয়ে যাবে। রাতে খাইছো????? --- না খাইনি। খাবোনা, কখনো খাবোনা।???? --- খাওয়া দাওয়া করো ঠিক মতো। ঔষধ খাও ঠিক হয়ে যাবে।???? --- খাবোনা। তোমার কি????? --- প্লীজ সুস্থ হও। অসুস্থ মানুষ আমার ভালো লাগে না।???? --- ভালো লাগতে হবেও না।???? .. স্নেহা কাঁদে। কেঁদে কেঁদে ফোন রেখে দেয়। স্নেহার আবেগগুলো ফালতু আবেগ। আসলেই ফালতু আবেগ। তবুও খুব একাকীত্বের সময়টাতে, এই ফালতু আবেগগুলো মনের ভিতর নাড়া দিয়ে উঠে। তারেকের কাছে এই ফালতু আবেগগুলো, প্রকাশ করতে ইচ্ছা করে। তারেক কখনো বুঝে, কখনো আবার বুঝেনা। তারেককে দেখতে ইচ্ছা করছে। ইচ্ছা করলেই তারেক সামনে এসে দাড়াতে পারবে না। তবুওতো বলতে পারে, এইযে আমি তোমার পাশে হাত ধরে বসে আছি, ঠিক হয়ে যাবে। আমিতো সারাক্ষণ তোমার পাশে আছি। পাশে না থাকুক, চোখে না দেখুক। মনের কাছেতো ঠিকই থাকলো। .. স্নেহার খুব ইচ্ছা করছিলো, জ্বরে গরম মাথায় তারেক হাত রাখুক। মোবাইলের ওপাশে বসে হাত রাখা যায় না মাথায়। তবুওতো বলতে পারে, হ্যাঁ এইতো হাত রেখেছি মাথায়। ইশ, জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে। আমি তোমার মাথায় পানি দিয়ে দেই? হাত না দিক। তবুওতো স্নেহা চোখ বুজে অনুভব করতে পারতো। জ্বরের ঘোরেও বুকের ভিতর অনেক সুখ পেতো। ভালোবাসার সুখ। অসুস্থ হলে প্রতিটা মানুষ এই সুখটা চায়। ভালোবাসার মানুষটা পাশে থাকুক। হাত ধরুক। কপালে হাত দিয়ে জ্বর মাপুক। একটু একটু অস্থিরতা দেখাক। কেনো যেনো অনেক সুখ দেয় এই জিনিসগুলো। পাশে না থাকুক। মুখ দিয়ে বলায়, কল্পনায়ও সেই সুখ পাওয়া যায়। জ্বরের ঘোরেও, এই সুখটুকু অনেক দামি। কেউ সেই সুখটুকু দিতে পারে। কেউ না বুঝে ফালতু আবেগ বলে উড়িয়ে দেয়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আবেগী মন!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now