বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিভক্ত এলাকা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ।। বিভক্ত এলাকা ।। -লেখিকা বৃষ্টি =================== ভুতের ভয়টা আমার ধাতে নেই।এটা সবাই জানে কিন্তু ভূতকে বিশ্বাস করতেও নেই।যেমন মেছো ভুত।এরা ছ্যাঁচড়া ধরনে হয়।কিন্তু ভূতেদের ও এলাকা ভিত্তিক প্রভাব বা ক্ষমতা থাকে এটা জেনে ছিলাম গত বর্ষায়।আমি গিয়েছিলাম বাদামতলীর হাঁটে।ফিরতে ফরতে রাত ১১ বাজলো।আসার সময় দেখি কার্তিক ২টা তাজা ইলিশ নিয়ে শেষ বাজারে বসে আছে।আমি বললাম দাম কত?ও বললো শেষ বাজারে বাবু আর কত দিবেন ২০ টাকা দিয়েন।আমি ১৫ টাকা বলতেই ও মাছ দুটো প্যাকেটে ভরে দিল।বাজার থেকে বের হব এমন সময় খগেন পরামানীক বললো।ও দাদা আমিও যাব,একটু দাড়াও।আমি ও খগেন একসাথে রওনা দিলাম। খগেন আমাদের পাশের গ্রামে বাস করে। ওনাপিতের কাজ করে।আমরা বাজার ছেড়ে একটা ছোট মাঠে প্রবেশ করলাম।মাঠের ঠিক মাঝ খানে একটা মাথা ভাঙা তেতুল গাছ ছিল।ওখানে যেতেই একটা বিড়ালের ডাক মিও।আমি ও খগেন আগে পিছে চলেছি আইল ধরে।হতাৎই কে বলে উঠলো।বাবু মাছ দুটো কত নিল।আমি ও খগেন চমকে উঠলাম।আমি খগেনকে বললাম তুমি কি আমাকে কিছু বলেছো।খগেন বললো না তো দাদা।এরপর আবার তবে একটু ভারী কন্ঠে এই একটা মাছ আমাদের দিয়ে যা।আমিও খগেন ঝপকরে দাড়িয়ে গেলাম।খগেন আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে বললো বাবু মেছো ভূতের পাল্লাই পড়েছি আমরা।ভয় পাবেন না আমার কাছে খুর কেওচি আছে ওরা সাহস পাবেনা কিছু করতে। এরপর আমি ও খগেন অতি ধীরপদে আইল ধরে আবার চলতে শুরু করলাম।এবার শুনতে পেলাম কিছু দুরে বাচ্চাদের কান্নার শব্দ তাঁরা কাঁদছে আর বলছে আমরা মাছ খাবো।আমরা ওদিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে গেলাম।মাঠের মধ্য রাতে কালো বিড়াল,কাক আর কত কিসের উৎপাত সহ্য করেছিলাম সেটা আর নাই বললাম।মাঠ শেষে আমরা খগেনের গ্রামে প্রবেশ করলাম।খগেন অনেক পীড়াপীড়ী করলো তাঁর বাড়িতে থেকে যেতে।আমি তাঁর কথায় কর্ণপাত না করে বাড়ির পথে রওনা দিলাম।খগেন একটা ছোট লোহার টুকরা দিয়ে বললো,বাবু রাস্তায় যে যা বলুক তুমি তোমার মত চলবে কেউ তোমার ক্ষতি করতে পারবেনা।এটা মুঠ করে রাখবে।আমি আর কিছু না বলে রওনা দিলাম।আমার গ্রাম ওখান থেকে দেড় মাইল দুরে।এবার গ্রামের মেঠো পথে চলতে লাগলাম।রাস্তার পাশে একটা তালগাছ আছে ওখানে যেতেই তালপাতার খসখস শব্দে গা কাঁটা দিয়ে উঠলো।এবং মনে হলো কে তাল গাছ থেকে নামছে আর বলছে ওদাদা ও দাদা আমাকে একটা মাছ দাও।আমি না থেকে নিজের বাড়ির পথেই চলতে লাগলাম।হতাৎ লক্ষ করলাম একটা সাদা কাপড় পরা বুড়ি রাস্তা পার হচ্ছে।আর বলছে ও বাবু আমাকে একটা মাছ দাও।কি যন্ত্রনা আজ মাছটা কিনেও বুঝি ভূল করলাম।তবুও সাহস না হারিয়ে বাড়ির দিকে চললাম।মাঠ শেষে একটা ছোট কানা পুকুর পরে।ওটার পরেই একটা বাঁশ বাগান তাঁরপর আমার গ্রাম।আমি ক্রমেই কানা পুকুরের দিকে চলেছি।আর পিছনে শুনছি বড় ছোট ১০ থেকে ১২ জন আমার কাছে বলছে। ও বাবু একটা মাছ দাও আমি মাছ খাব।কানা পুরের ঢিবির উপরে উঠতেই ওদের চিল্লাচিল্লি বেড়ে গেল। ওবাবু একটা মাছ দাও আমি মাছ খাব।কিন্তু একটা বিষয় লক্ষ করলাম,ওরা আর সামনে আসছে না।ওখানে দাঁড়িয়েই চিল্লাচ্ছে।এবার একটা ভারী কন্ঠ শুনতে পেলাম পুকুর ধারের লেবু গাছ থেকে ভেসে এলো।বাবু দা কি হয়েছে।আমি বললাম এই যে বাদামতলীর ভুতেরা আমার কাছে মাছ চাইছে।আমার এলাকায় ভূতের কি আকাল পড়েছে।এবার শুনতে পেলাম সেই ভারী কন্ঠ বলে উঠলো,তবেরে এই ছক্কু ,ঘিয়ে ,পক্কু,খিলো ধর শালাদের আমার এলাকায় ঢুকেছে?আমি অবাক হয়ে শুনতে পেলাম বাঁশ বাগানে কঞ্চি ভাঙার শব্দ এবং শা শা করে কয়েকটা বাতাস আমার পাশ দিয়ে উড়ে গেল।আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই শুনতে পেলাম ওরে বাবারে মরে গেলাম।ছেড়েদে আর কখনো আসবোনা।মাপ করে দে।আর শিশু বৃদ্ধা এবং যুবকের আহাজারি।আর বললো আমাদের কহেকাপের কছম আর কখনো আপনার তল্লাটে আসবোনা।এরপর সব ঠান্ডা।আবার ঐ ভারী গলাটা বলে উঠলো বাবুদা আপনি চলে যান।আমি মুছকি হেঁসে বাড়ির দিকে রওনা হলাম। ।। সমাপ্ত ।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিভক্ত এলাকা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস ৮২৩ বছর পর আবার আসবে

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X প্রতি বছরই ফেব্রুয়ারি মাস নিয়ে থাকে রহস্যের। বিশেষ করে ২৯ ফেব্রুয়ারি। চার বছর পরে আসে ফেব্রুয়ারি মাসের ২৯ দিন। যাদের বিশেষ কোনো উপলক্ষ ২৯ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত হয়, তাদের তো আরো জ্বালা। দিবসটি পালনে জন্য চার বছর অপেক্ষা করতে হয়। তবে আসছে এই বছরের রহস্যটা একটু ভিন্ন। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসটা যারা পাবেন তারা অনেকটাই ভাগ্যবান। কারণ এমন ফেব্রুয়ারি মাস ৮২৩ বছর পর আবার আসবে। যা আর কোন দিনই পাবেন না। february-somoyerkonthosor ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারির বৈশিষ্ট্য হলো- সপ্তাহের প্রতিটি দিন এই মাসে চারবার করে আসবে। এ মাসে শনি ৪বার, রবি ৪বার, সোম ৪বার, মঙ্গল ৪বার, বুধ ৪বার, বৃহষ্পতি ৪বার এবং শুক্র ৪বার। আর এই ঘটনাকে চাইনিজ ফেংশুই মতে ‘মানিব্যাগ ফেব্রুয়ারি’ বলে। এবার আপনি সামনে রাখা ২০১৭ সালের ক্যালেন্ডার দেখে নিশ্চিত হতে পারেন। আর যদি এখনো নতুন ক্যালেন্ডার হাতে না পান তাহলে ছবিতে দেখে নেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস ৮২৩ বছর পর আবার আসবে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন