বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পুরনো ঢাকা’র গল্পঃ দুই

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (০ পয়েন্ট)

X ডিম পাড়া মুরগির মত লাবণ্য ঘিরে থাকে কারুর চেহারায় – কবিতায় পড়ি আর বাস্তবে মেলানোর চেষ্টা করি। কাপ্তান বাজার হয়ে হেঁটে বাসায় ফিরি সান্ধ্য অফিস শেষে। জীবনের প্রথম চাকুরি বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা আটটা। দু’দিন হল পাল্লা দিয়ে বাজারের দুই প্রান্তে রাতে ওয়াজ মাহফিল আর কাওয়ালি চলেছে। উৎসব শেষে প্যান্ডেল খোলার কাজ চলছে। বাজারে প্রায়ই বেশি আয়ের কিংবা স্বল্প আয়ের মানুষদের কাজকারবার মনে দাগ কাটে। এখানে দেখি কোন কোন মানুষ দামাদামি ছাড়াই বড় নদীর বিশাল পাঙ্গাশ গাড়িতে তোলে, কুড়িখানেক দেশি মোরগ, ডিম-পাড়া মুরগী (স্পেশাল অর্ডার) ছিলা হয় তার জন্যে! আবার দেখি অনেক ছেলেপুলের টানাটানির সংসারে মা আড়াইশ’ গ্রাম মহিষের মাংস আর এক কেজি পুরনো বুটের ডাল কিনে ফেরে, সপ্তাহে এই একদিন তাদের ঘরে মাংস রান্না হয়! এসব এমন কোন বিশেষ ঘটনা নয়, পৃথিবীতে প্রতিদিনই ঘটে থাকে। একজনের কথা মনে পড়ে, উনি বাজারে ঘুরতেন, দাম করতেন, কিন্তু কেনার সামর্থ্য ছিল না; তবুও দাম করার ইচ্ছাটা চালু ছিল সবসময়। বাজারের অনেকেই ততদিনে এটা বুঝে গেছেন। মুরগীওয়ালার কাছে জিজ্ঞেস করলেন, “ডিম পাড়া মুরগী জোড়া কত লইবা?” বিরক্তি সহকারে উত্তর এল, “জোড়া চাইরছ বেচি, আপনে মুরুব্বি মানুস, তিনছ দিলেই আমি খুছি!” বুঝা গেল ভদ্রলোক দাম শুনে দমে গেলেন। তবুও দম নিয়ে বলতে শুরু করলেন, “তুমার মুরগি খালি ঝিমায় ক্যালা? মাইনসে হালায় লইবো না এইডা।” ব্যাপারি বুঝলেন উনি কেনার পাত্র না, শুধু শুধু সময় ব্যয় করছেন। চকিতে উত্তর দিলেন, “হ, অহন ঝিমাইবোই তো, কাইল রাইতে কাওয়ালি সুনছে না সারা রাত জাইগা!” আমি জানি তার ডিম পাড়া মুরগি আর খাওয়া হয়ে ওঠেনি। পুনশ্চঃ ঢাকা শহরের আবাসিক-অনাবাসিক হোটেলে ডিম পাড়া মুরগির লাবণ্য, স্বাদ খুঁজে চলে অনেক মানুষ আজও। লেখক: লুব্ধক (১৯৮৮-১৯৯৪)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পুরনো ঢাকা’র গল্পঃ দুই

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now

২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Siam 2.0 (০ পয়েন্ট)

X ২০১ গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের মসজিদ ২০১ গম্বুজ মসজিদ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গম্বুজ এবং দ্বিতীয় উচ্চতম মিনার বিশিষ্ট মসজিদ। এই মসজিদের নকশা করা হয়েছে ২০১টি গম্বুজ ও ৯টি মিনার দিয়ে সজ্জিত একটি পূর্নাঙ্গ মসজিদ কমপ্লেক্স হিসেবে। মসজিদটি এখনো নির্মাণাধীন। ২০১ গম্বুজ মসজিদ স্থানাঙ্ক: ২৪.৫৯৮৪° উত্তর ৮৯.৮৭৪৭° পূর্ব অবস্থান বাংলাদেশ টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ শাখা/ঐতিহ্য সুন্নী প্রশাসন মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ মালিকানা বেসরকারি স্থাপত্য তথ্য ধরণ ইসলামিক স্থাপত্য ধারণক্ষমতা ১৫,০০০ দৈর্ঘ্য ১৪৪ ফুট (৪৪ মি) প্রস্থ ১৪৪ ফুট (৪৪ মি) গম্বুজ ২০১ গম্বুজের ব্যাস (বাহ্যিক) ৮১ ফুট (২৫ মি) (মূল গম্বুজ) ১৭ ফুট (৫.২ মি) (অন্য গম্বুজ) মিনার ৯ মিনারের উচ্চতা ৪৫১ ফুট (১৩৭ মি) (মূল) ১০১ ফুট (৩১ মি) (চার কোণা) ৮১ ফুট (২৫ মি) (অভ্যন্তরীণ চার মিনার) ওয়েবসাইট: 201gombujmasjid.org অবস্থান সম্পাদনা ২০১ গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে অবস্থিত। ইতিহাস সম্পাদনা ২০১৩ সালের জানুয়ারি এই মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মসজিদটি মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। এ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মা রিজিয়া খাতুন।মসজিদ নির্মাণে ব্যয় হবে আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্মাণ কাজ এখনো চলছে। নির্মাণ শেষ হলে কাবার ইমাম এসে নামাযের ইমামতি করে মসজিদটি উদ্বোধন করবেন। পৃথিবীর ইতিহাসে কখনো এত সংখ্যক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ তৈরী হয়নি। স্থাপত্যশৈলী সম্পাদনা অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদের ছাদে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি গম্বুজ রয়েছে। এই বড় গম্বুজের চারপাশে ছোট ছোট গম্বুজ আছে ২০০টি।এদের প্রত্যেকের উচ্চতা ১৭ ফুট। মূল মসজিদের চার কোণায় রয়েছে ৪টি মিনার। এদের প্রত্যেকের উচ্চতা ১০১ ফুট। পাশাপশি আরও চারটি মিনার আছে ৮১ ফুট উচ্চতার। সবচেয়ে উঁচু মিনারটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত। এর উচ্চতা ৪৫১ ফুট। ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪৪ ফুট প্রস্থের দ্বিতল এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।মসজিদের দেয়ালের টাইলসে অঙ্কিত রয়েছে পূর্ণ পবিত্র কোরআন শরিফ। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে মসজিদের দেয়ালে অঙ্কিত কোরআন শরিফ পড়তে পারবেন। মসজিদের প্রধান দরজা নির্মাণে ব্যবহার করা হবে ৫০ মণ পিতল। আজান দেওয়ার জন্য মসজিদের সবচেয়ে উঁচু মিনারে বানানো হবে। মসজিদটি সম্পুর্ন শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলেও এতে সহস্রাধিক বৈদ্যুতিক পাখা যুক্ত করা হবে। একটি সুন্দর মসজিদের অবয়ব দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইলে। মসজিদ কমপ্লেক্স সম্পাদনা ১৫ বিঘা জমির ওপর বিশাল মসজিদ ও মসজিদ কমপ্লেক্স অবস্থিত।মিহরাবের পাশে লাশ রাখার জন্য হিমাগার তৈরী করা হবে। এছাড়া মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে আলাদা ভবন। ওই ভবনে থাকবে দুঃস্থ নারীদের জন্য বিনা মূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা। {collected from Wikipedia}


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন