বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমাদের দেশের কিছু মানুষ

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (০ পয়েন্ট)

X দুই ব্যক্তি একঢি সফরে যাত্রা করেছিল । পখিমধ্যে দুইজনই ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিলো। তখন তারা স্হির করলো রান্না করবে । একজন বললোঃ আমি বাজারে গিয়ে সওদা নিয়ে আসছি, তূমি ততক্ষণ জঙ্গল থেকে কিছু জালানি কূড়িয়ে নিয়ে এস । দ্বিতীয় জন বললো ঃ দোসত, তূমি জান না আমি এই বিরাট সফরের দ্বারা কতটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিা আমার পক্ষে এখন জ্বণিানি ফূড়ানো সম্ভব নয়। প্রথম ব্যক্তি বেচারা নিজেই বাজার থেকে সওদা কিনে আনলো এবং নিজেই জঙ্গলে গিয়ে জ্বাণীনি কূড়িয়ে নিয়ে আসলো। এরপর সে বললো: এবার ভাই তুমি আণ্ডন ধরাও, আমি চাউলণ্ডলি ধূই। দ্বিতীয় ব্যক্তি বললোঃ এতটা ধৈর্য্য কোথায়? আমার শরীর একেবারেই ভেঙ্গে পড়েছে। প্রথম ব্যক্তি কাজ দুইঢি একাই করলো। এরপর বললোঃ আমি তরকারী কূটে নিচ্ছি, তূমি বসে বসে ভাতের হাঁড়িতে জাল দিতে থাক। দ্বিতীয় ব্যক্তি বললোঃ বসে থাকা আমার পক্ষে মরণ।সফরে হেঁটে আমার পা দুইটা ব্যাথায় চুরমার হয়ে যাচ্ছে। অতঃপর প্রথম ব্যক্তি ভাত-তরকারী সব একাই রান্না করে বললোঃ- এসো ভাই খাবার খেয়ে নেই। তখন দ্বিতীয় ব্যক্তি বললোঃ অনেকক্ষণ থেকে তোমার সব কথাই অমান্য করে আসছি। আর কত অমান্য করা যায়? বার বার অমান্য করতে আমার লজ্জা লাগছো দাও অন্তত খাবারটা খেয়ে নেই ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আমাদের দেশের কিছু মানুষ
→ আমাদের দেশের কিছু মানুষ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now

১৭টা জোনাকিপোকা এবং তুমি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X . . গতকাল একটা গিটার কিনেছি। নিজের টাকা দিয়েই। চাকরীর প্রথম বেতন পেয়েছিলাম আর ওটা দিয়ে পরিবারের সবার জন্যই কিছু না কিছু কিনেছি। নিজের জন্য শুধু নীল রঙের একটা গিটার কিনলাম। গিটার বেশ ভালো বাজাতে পারি। সেই সাথে গানটা ও মোটামুটি পারি।একটা ইচ্ছে ছিলো গিটার কিনার সেটা আজ সফল হলো।বাবা অবশ্য অনেক বকাঝকা করেছো। কেনো এ বাদ্যযন্ত্র কিনলাম। মায়ের ঠোটের কোণে হাসি কারণ বাবাকে এখনও আমি ভয় পাই তা ভেবে। , গিটারটা নিয়েই বেড়িয়ে পড়লাম। আমাদের পেছনের বিল্ডিং এর পরেই আছে একটা ছোটখাটো মাঠ সেখানেই বন্ধুরা মিলেই আড্ডা দেয়। আজ ও সেই আড্ডা তে যাচ্ছি। অবশ্য আমি সেখানে একটু বেশিই যায়।একটা মেয়ে প্রিয়ন্তি নামে তাকে খুব ভালো লাগে আমার। মাঝে মাঝে মাঠ থেকে দেখা যায় বেলকনিতে হাটাহাটি করছে। শুধু একটু দেখার জন্য কত রোদ, কত বৃষ্টির দিন যে দাঁড়িয়ে থেকেছি তার কোনো হিসেব নেই। আজ গিটার হাতে একটু ভাব বেড়ে গেলো। আজ খুব জোরে গান গাইবো। তাকে মুগ্ধ করবো গান গেয়ে। মাঠে যেতেই বন্ধুরা গিটার নিয়ে কাড়াকাড়ি আমি চেয়েছি পাশের বিল্ডিং এর বেলকনির দিকে। যদি সে আসতো,, ইশশ! কি যে ভালো লাগতো। , আড্ডা চললো দীর্ঘসময়। আর আমার চোখ রইলো তার আসার দিকে। আড্ডা শেষ হয়ে গেলো। আসলো না শেষে। সব শেষে চলে আসলাম। এর কয়েকদিন পর আবার সন্ধ্যায় আসলো। এদিন পেলাম তার দেখা। গান গেয়ে যাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিলো সে আমার গান শুনছে। গলার জোর যেন বেড়েই চলছিলো। সেদিন মনে সুখ নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। এভাবেই চলতে লাগলো সময়। সে আসে বেলকনিতে আমি গান গেয়ে যায় আনমনে। , একদিন রাস্তায় তার সামনে পরে গেলাম। কখনও এতটা কাছাকাছি হয় নি। সে বলে উঠলো, --হ্যালো নীল গিটারের মালিক।গান কিন্তু বেশ ভালো গান আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না এ কি হতে যাচ্ছে। --আপনি কি গান শুনেন নাকি? --না শুনলে কি আর আপনাকে এখানে আটকায়। --ধন্যবাদ --শুধু ধন্যবাদ দিলে কি হবে। প্রশংসা করেছি এর জন্য আমাকে একদিন গান শুনাতে হবে পছন্দ মতো ভেবে পাচ্ছিলাম না এ কি হতে যাচ্ছে --হ্যা আচ্ছা। তো কবে? --আজ বিকেলে --কোথায়? --লেকের পাড় ভাবতেই অবাক লাগছিলো। এ কি ঘটে গেলো আর কি ঘটতে যাচ্ছে। আজ এত কাছে আবার গান শুনাতে হবে , সূর্য পশ্চিমে হেলে গিয়ে বিকেল আনলো। আর আমার সময় হলো যাওয়ার। নীল পান্জাবীটা পড়ে, গিটারটা হাতে নিয়ে চলে গেলাম লেকের পাড়। গিয়েই দেখলাম বসে আছে আমার মনের মাঝে থাকা রুপসীটা। তার কাছে যেতেই সে একটা মুচকি হাসি দিলো। সে বললো --বসেন।সুন্দর লাগছে খুব জবাবে আমিও বললাম, --আপনাকে ও অনেক সুন্দর লাগছে।ভাবি নি আপনার পাশাপাশি এভাবে বসার সুযোগটা হবে আমার। --কেন আমি কি কোনো নায়িকা নাকি ..ইচ্ছে হচ্ছিলো বলে দেয়। "হ্যা,তুমি আমার নায়িকা," --দেখতে সুন্দর মনে হচ্ছে তো তাই --এবার কিন্তু একটু বেশি হয়ে গেলো অবশেষে গান ধরলাম, তুমি আকাশ আঁকছো নাকি বৃষ্টি দেখছো নাকি আমায় ভেবে কোনো রুপকথায় ডুবছো... দীর্ঘ সময় আড্ডা আর গান চললো। অবশেষে যাওয়ার পথে বলে গেলো, "এরকম দিন, এমন মুহুর্ত আরো চাই আমি, দেবেন কি আমায়?" হ্যা সূচক মাথা নাড়লাম।মনে হচ্ছিলো কিছু একটা হবে। দেখি স্বপ্নটার পূর্ণতা দিতে পারি কিনা। , একটু একটু করে তার প্রিয় একজন হয়ে উঠলাম। বন্ধুত্ব শুরু হলো। শুরু হলো আনন্দ হাসির মুহুর্ত। সারাদিনরাত ই ফোনে আড্ডা চলে। বিকেলবেলা বেড়িয়ে পড়ি আবার কোনো এক অজানা গন্তব্যের উদ্দ্যেশে সাথী হয় প্রিয়ন্তি আর আমার নীল গিটার টা। সময় যত যেতে লাগলো তার প্রতি আমার ভালোবাসাটা জাগ্রত হতে লাগলো। একসময় মনে হলো ভালোবাসাটার পূর্ণতা দরকার।প্রকাশ দরকার।ভয়ে থাকি সর্বদা যদি বন্ধুত্বটা যায় হারিয়ে। ভেঙ্গে যায় যদি আমার আশা, স্বপ্ন। , হাজার সংশয় দূরে ঠেলে ভেবে সিদ্ধান্ত নিলাম এবার বলেই দেবো তারে। ভালোবাসি যে কতটা আমি।অনেক চিন্তা ধারার পর বের করলাম কিভাবে প্রপোজ করবো। একরাতে জোনাকি ধরলাম বোতলে সর্বমোট ১৭ টা ধরতে পেলাম। এর বেশি আর পারলাম না। বোতলে ভরলাম সবগুলোকে আর সেই সাথে ছোট একটা কাগজে লিখে দিলাম "ভালোবাসি তোমায় অনেক বেশি" "দীর্ঘদিনের সুপ্ত কথা দিলাম আজ বলে বুঝে নিও তুমি আমায় ভালোবাসার তরে" চিরকুটটা বোতল বন্দী করে। নিয়ে চললাম তার কাছে। তার বেলকনির উপরে গাছ দিয়ে উঠলাম।বোতলটা রেখে ফোনে টেক্সট করলাম,বেলকনিতে এসো।আর আমি গাছের অন্ধকারে গেলাম। , দেখতে পেলাম সে আসলো। বোতলটা তার চোখে পড়তেই এগিয়ে গেলো। তার অবাক চাহনি আর আমার বুকের ভেতর কাঁপনি। কি জানি কি হয়। সে বোতলের মুখটা খুললো একটা দুটো করে জোনাকিপোকা বের হচ্ছিলো সে অবাক হয়ে দেখতে লাগলো। ঠোটের কোণে তার হাসির রেখা। আমি শুধু তাকে দেখেই যাচ্ছিলাম আনমনা হয়ে।সে চিরকুট হাতে নিলো। আর আমি তখন আমার বাসায় চলে আসলাম। বুক কাঁপছিলো কি জানি কি হয়। একটু পর মোবাইলে টেক্সট পেলাম, "কাল একটু দেখা করো" সময় জানিয়ে দিলো। চিন্তায় পড়ে গেলাম। কি হবে, কি হবে। কপালে কি আছে আল্লায় জানে। , রাতে ঘুম হলো না ঠিকমতো।সকাল ৭ টায় দেখা করতে হবে। রওনা দিলাম তার সাথে দেখা করতে।লেকের পাড় গিয়েই দেখলাম সে বসা, মেয়েটির চোখে খুব মায়া। ঐ চোখদুটি দেখে সারাজীবন মনে হয় কাটিয়ে দিতে পারবো আমি। তার পাশেই বসতে বলে উঠলো, --ধন্যবাদ --কেন? --কালকের ব্যাপারটার জন্য কিন্তু --কিন্তু কি? --আগে বলো নি কেন? --কি? --ভালোবাসো যে আমায় --ভয় ছিলো মনে --আর এখন? --সাহস একটু পেয়েছি --তো বলছো না কেন? --কি? --ওই গাধা আই লাভ ইউ --কিহহ --ভালোবাসি আমিও তোমায় --আসলেই? --তোমার মাথা --হা হা হা।লাভ ইউ প্রিয়ু --লাভ ইউ টু তাসু --হা হা হা --হি হি হি। গান ধরো একটা? --গিটার তো নাই --গিটার ছাড়া গাও ...অতঃপর গান ধরলাম ...অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন পেলাম খুঁজে এ জীবনে আমার আপনজন.........★


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ১৭টা জোনাকিপোকা এবং তুমি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন