বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভয়ানক একটি লাশের কাহিনী

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (০ পয়েন্ট)

X আমি এখন যে ঘটনাটা শেয়ার করতে যাচ্ছি সেটা এক রিকশাওয়ালা আর এক লোকের ঘটনা । ঘটনাটি ঘটেছিল দোহার থানার চরজয়পাড়া নামক গ্রামের এসপি বাড়ির সামনের সেই রাস্তায়। যেখানে একটা কালভার্ট আছে আর তার ঠিক পাশেই আছে বড় একটা ঝোপ। এখন আমি সেই জায়গার আরও একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা সম্পর্কে তুলে ধরছি। এই ঘটনাটি ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় ৭/৮ বছর আগে। একদিন এক রিকশাওয়ালা রাতে এক প্যাসেঞ্জারকে নিয়ে সেই রাস্তা দিয়ে আসছিল। রাত তখন প্রায় আনুমানিক এগারোটা কি সাড়ে এগারোটার মতন হবে। আমরা জানি যে গ্রামে ৯টা/১০টার দিকেই প্রায় বেশিরভাগ মানুষ ঘুমিয়ে পরে। তাই সেই সময়টায় সেখানে একেবারেই জনমানবহীন ছিল। তারা দুজনই সেই রাস্তা ধরে যাচ্ছে। এমন সময় তারা কিছুটা দূর থেকে হঠাৎ সাদা কিছু একটা লক্ষ করে। তারা যখন সেই কালভার্টের কাছাকাছি জায়গায় গেল, তখন তারা দেখল যে কালভার্টের উপর সাদা কাপর পরা একটা লাশ শুয়ে আছে। এরপর তারা দুজনেই রিক্সা থেকে নেমে লাশটির কাছে যায়। তারা দুজনেই অবাক হয়ে গেল, যে এত রাতে এইখানে একটা লাশ কে রেখে গেল! লোকটি রিকশাওয়ালাকে বলল, হয়তো কেও লাশটিকে এখানে ফেলে রেখে গেছে। চল আমরা লাশটিকে নিয়ে দাফনের বেবস্থা করি। কিন্তু রিকশাওয়ালা এতে আপত্তি জানালো। সে লোকটিকে বলল, আমাকে আমার ভাড়া দিয়ে দেন। আমি এইসব লাশ নিয়ে যেতে পারবনা। লোকটি তাকে বলল, ঠিক আছে তোমাকে ভাড়া ১০০ টাকা বেশি দেব। একথা শুনে রিকশাওয়ালা লাশটি নিতে রাজি হয়। তবে রিকশাওয়ালা লোকটিকে শর্ত দেয় যে, লাশটি আপনাকেই তুলতে হবে। লোকটি বলল, ঠিক আছে তাই হবে। তারপর লোকটি লাশের কাছে গিয়ে মুখের কাপর তুলতেই দেখতে পায় লাশটি চোখ খোলা অবস্থায় তাকিয়ে আছে। অর্থাৎ কেউ চোখ খোলা অবস্থায় মারা গেলে যেমনটা দেখা যায় ঠিক তেমন। এতে সে একটু ভয় পেয়ে যায়। এরপর সে লাশটির গায়ের কাপরের আরও কিছু অংশ সরাতেই দেখতে পায় লাশটির শরীরের পশমগুলো বেশ বড় বড়, যা কোন সাধারণ মানুষের থেকে একেবারেই আলাদা। অর্থাৎ পশমগুলো ছিল ঠিক ভেড়ার শরীরের পশমের মত। এটা দেখে লোকটি চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। আর সেই রিকশাওয়ালা এক চিৎকার দিয়ে সেখান থেকে দৌড়ে চলে যায় আর এক বাড়ির সামনে গিয়ে পরে। তার কথা শুনে লোকজন সেখানে যায়। কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেখানে কোন লাশ পাওয়া যায়নি। এমনকি সেই লোকটিকেও সেখানে আর পাওয়া গেল না। পরদিন সকালে সেই কালভার্টের নিচে সেই লোকটির লাশ পাওয়া যায়, কাদায় অর্ধেক গাড়া অবস্থায়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভয়ানক একটি লাশের কাহিনী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now

16 December

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Partho (০ পয়েন্ট)

X গল্পটি লিখুনঃ ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় দিবসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন ।এইদিন আমরা পুরোপুরি শত্রুমুক্ত হই ।এর জন্যে প্রাণ দিতে হয় ৩০ লক্ষ মানুষ ।এদিনে সারা বাংলাদেশ এক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সবাই অনেক ভাবে সহায়ত করে ।তারা আশ্রয় দিয়ে,তথ্য দিয়ে.আরো নানা ভাবে । মুক্তিযুদ্ধে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর মানুষেরাও নানাভাবে সহায়তা করে ।আমরা তাদের চিরদিন স্মরণ করে যাবে ।আমরা তাদের অনেক ভালোবাসি ।বীরশ্রেষ্ঠরা তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে এদেশকে স্বাধীন করে ।আমরা তাদের ভালোবাসব ,স্মরণ করব ।।।।।।আমাদের দেশে মাত্র সাত জন বীরের জাতি রয়েছে মানে মাত্র সাত জন বীর শ্রেষ্ঠ রয়েছে ।।।।তারা হলেনঃ ১.ক্যাপ্টেন মহীজদ্দীন জাহাঙ্গীর ।। ২.ল্যান্সনায়েক নূর মুহাম্মদ শেখ ।। ৩.ল্যান্সনায়েক মুন্সী আবদুর রউফ।। ৪.ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান।। ৫.সিপাহী হামিদুর রহমান ।। ৬.সিপাহী মোস্তফা কামাল ।। ৭.ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মোদ রুহুল আমিন । . .তারা এক মহান বীরগাথার রচয়ীতা ।আমি যদি তখন থাকতাম তাহলে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতাম ।মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করতাম।তথ্য দিয়ে ।আশ্রয় দিয়ে।শত্রু সর্ম্পকিত তথ্য দিয়ে।লড়াই চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়ে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ 16 December

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন