বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জিরাফ কিভাবে লম্বা গলা পেল

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (০ পয়েন্ট)

X অনেক অনেক দিন আগে আফ্রিকা মহাদেশে জিরাফদের গলা ছিল খুবই ছোট। এতই ছোট যে মানুষের গলা থেকেও এক ইঞ্চির মত ছোট ছিল। জিরাফেরা এটাকেই স্বাভাবিক বলে মনে করতো। কিন্তু একটা ঘটনার পরেই জিরাফের গলা লম্বা হয়ে গেল। গ্রীষ্মের এর দুপুরে কিছু জিরাফ পরিবার একসাথে পিকনিকে গেল। সব বাচ্চা জিরাফেরা খেলা ধুলা করছিল আর বড়রা গল্প করছিল। টিম নামে এক ছোট্ট জিরাফ তার মামাতো ভাই বোন টিনা আর মারগারেট এর সাথে বল নিয়ে খেলা করছিল। তারা একজনের মাথার উপর দিয়ে বল ছুঁড়ে খেলা করছিল। কাছেই একটা দুষ্টু জিরাফ খেলা করছিল। তার নাম এল্ভিন। টিম, টিনা আর মারগারেটের খেলা দেখে এল্ভিনের মাথায় হঠাত একটা দুষ্টু বুদ্ধি আসলো। কিছুক্ষণ খেলার পরে তিনজন বিশ্রাম নেয়ার জন্যে পাশেই একজায়গায় বসে গল্প করতে লাগলো। ঠিক তখনই এল্ভিন চেঁচিয়ে বলে উঠল “দেখো দেখো তোমাদের বল নেই!” সবাই তাকিয়ে দেখলো তাদের বল এল্ভিন উপরে ছুঁড়ে গাছের উঁচু ডালে আটকে ফেলেছে। ছোট্ট টিম তার বলের এই অবস্থা দেখে কাঁদতে শুরু করলো। কান্না থামিয়ে সে হঠাত বলল, “টিনা তুমি আমাকে উঁচু করো তাহলে আমি গাছ থেকে বল নামিয়ে আনতে পারবো।” এরপরে টিম টিনার উপরে ভর করে গাছ থেকে বল পারার চেষ্টা করল কিন্তু বলের নাগাল পেতে আরো একটু উঁচু হওয়া দরকার ছিল। টিম মারগারেটকেও বলল টিনাকে উঁচু করতে। মারগারেট ও তাদের নিচ থেকে উঁচু করে ধরলে টিম বলের নাগাল পেল। কিন্তু হঠাত করেই মারগারেটের পা পিছলে গেল অমনি মারগারেটের উপরে থাকা টিনাও পড়ে গেলো, টিমের হাতের ধাক্কায় বলও গাছ থেকে পড়ে গেলেও টিম এর গলা গাছের দুই ডালের মধ্যে আটকে গেলো। ছোট্ট টিম গাছের দুই ডালের মধ্যে আটকে ঝুলতে থাকলো। টিনা আর মারগারেট বাকি জিরাফদের ডেকে আনলো, এবার সবাই মিলে টিমের পা ধরে টেনে নামাতে চেষ্টা করলো। উপস্থিত সব জিরাফ অনেক টানা টানা করার পরে টিমকে গাছের ডাল থেকে নামাতে পারলো কিন্তু সবাই আশ্চর্য হয়ে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখলো। সবাই দেখলো যে টানাটানিতে টিমের গলা অনেক লম্বা হয়ে গেছে। কিন্তু সবাই আবিষ্কার করলো যে গলা লম্বা হওয়ার কারনে টিম অনেক সুবিধা পাচ্ছে, সে গাছ থেকে অনেক সহজেই খেতে পারছে, এমনকি গাছের উঁচু ডল থেকে পাতা খেতেও তাকে লাফ দিতে হয় না আর টিমও তার লম্বা গলা দিয়ে উঁচু থেকে আফ্রিকার অনেক দূরের দৃশ্য দেখতে পেত। এরপরে সবাই এই সুবিধা পেতে উঁচু গাছের সাথে গলা ঝুলিয়ে টেনে গলা লম্বা করে ফেলল। ব্যাস এরপর থেকেই জিরাফের গলা হয়ে গেলো সবার থেকে লম্বা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিরাফ কিভাবে লম্বা গলা পেল।
→ জিরাফ কিভাবে লম্বা গলা পেল

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now

১০৩ ডিগ্রি জ্বর

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ASMAUL HOSEN (০ পয়েন্ট)

X মেয়েরা যে কত্ত স্বার্থপর হয় তা বান্ধুবি বর্নার সাথে দুইদিন চলাফেরা করলেই বুঝা যায়। ১০৩° জ্বর নিয়া শুয়ে আছি, এইসময় বর্নার কল..... -হ্যালো -কেমন আছিস? -ভালো না রে..... ১০৩ ডিগ্রি জ্বর। -আহারে.... আমি যদি এখন তোর পাশের বাসায় থাকতাম অনেকগুলা ফলমূল নিয়া তোকে দেখতে আসতাম। -ওয়াও ! হাউ সুইট। -তোর মাথায় পানি দিয়ে দিতাম। -এত্ত ভালো তুই? -তুই তো বুঝলি না আমাকে । তারপর আমার নিজের ওর্না দিয়ে তোর মাথা মুছে দিতাম। -এত্ত ভালোবাসিস আমাকে? -হুম... তুই যদি বুঝতি আমায় তাহলে আর অন্য কারো সাথে প্রেম করতি না। -অনেক আফসোস হচ্ছে রে। আচ্ছা আর কি কি করতি আমার জন্য? -তোর মাথায় জলপট্টি দিয়ে দিতাম। একটু পর পর চেঞ্জ করে দিতাম। -হাউ লুমান্টিক। -হুম..... তোরে নিজ হাতে খাওয়ায়ে দিতাম। -আমি তো আর আবেগ ধরে রাখতে পারছি না রে। -সাড়ারাত জেগে থাকতাম তোর পাশে। -এখনি চলে আয় না প্লিজ। -তারপর তোরে ধমক দিয়া দিয়া ঔষোধ খাওয়ে দিতাম। -কান্দা আইয়া পড়ছে রে। -আমি পাগলের মত সাড়াক্ষন তোর কেয়ার করতাম। -দোস্ত... আই লাবুু, আমার মনে হয় জ্বর ছাইড়া দিছে রে। -তারপর যখন তুই সুস্থ হয়ে উঠবি তখন তুই খুশি হয়ে ৫ হাজার টাকা দিয়ে আমাকে একটা ড্রেস গিফট করে বলবি "তুই আমার জন্য এত্তকিছু করছস, এই ঋন আমি কখনো শোধ করতে পারবো না তাই আমার পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র উপহারটুকু নিলে আমি খুশি হবো" ****ও আম্মা তুমি কই??? চার পাঁচটা থার্মোমিটার আমার মুখে ডুকাই দাও..... আমার মনে হয় জ্বর ১০৩ডিগ্রি থেকে ৩০১ডিগ্রি হয়ে গেছে****


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ১০৩ ডিগ্রি জ্বর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন