বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিস্ময়কর রাজপুত্র সাফায়্যার– (৩য় পর্ব)

"রূপকথা " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X এক ছাত্র শিক্ষকের কাছে বলল, ওস্তাদজি, রিকশিম যদি রাজার কাছে নালিশ করে তাহলে আমাদের শাস্তি হবে না ? শিক্ষক বললেন, না। মহারাজ অনেক ভালো মানুষ। পাঠশালায় যা কিছু হবে তা নিয়ে তিনি মাথা ঘামাবেন না। কারণ এখানে ওস্তাদরা আছেন। রিকশিমবাড়িতে গিয়ে রানীকে সব খুলে বলল। রানী বললেন, মন খারাপ করো না, রিকশিম। তুমি আগে ওদের বন্ধু হও। তবেই তোমার সাহায্য ওরা নেবে। যাদের অভাব নেই তারা যদি তোমার বন্ধু না হয় তাহলে কেন তোমারটা তারা নেবে ? ওদের কার কিসের অভাব আছে সেটা জানার চেষ্টা কর। সাফায়্যার তোমার চেয়ে দুই বছরের বড়। সে তোমার চেয়ে বেশি বুঝবে এটাই তো স্বাভাবিক। রানীর কথা কিংবা রিকশিমের ইচ্ছেমতো সব কিছু হবে না এটাই তো নিয়ম। মানুষ যা ভাবে তা সব সময় হয় না। দুবছর চলে গেল কিন্তু রিকশিম কাউকে সাহায্য করতে পারল না। সাফায়্যারের মনে হতে লাগল তার এত জনপ্রিয়তা তার ভাইকে দিন দিন মানসিকভাবে দুর্বল করে দিচ্ছে। এতে তার জন্য রিকশিমের মনে ঈর্ষা জন্ম নিতে পারে। তাই সে ঠিক করল এর পর থেকে রিকশিমের দ্বারাই সবাইকে সাহায্য করাবে। সাফায়্যার রানীর সামনে দাঁড়িয়ে রিকশিমকে বলল, আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি, এরপরে আমি আর কাউকে সাহায্য করব না। কারো কিছু প্রয়োজন হলে আমি তোমাকে বলব। তুমি তাকে সাহায্য করবে। রিকশিম এবং রানী খুব খুশি হলেন। সাফায়্যারেরধারনা, মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে এটাই নিয়ম। তার বাবা তাকে যত উপদেশ দেন একটাও সে অগ্রাহ্য করে না। সে জানে যে তার বাবা তার কল্যাণ কামনা করেন। বাবার কথার বাইরে গিয়ে যদি কোনো বিপদ হয় তাহলে তিনি তাকে সাহায্য করবেন না। সাফায়্যারপাঠশালা থেকে এসে রিকশিমকে বলল, এক লোকের স্ত্রী অনেক দিন ধরে অসু¯থ। আমি তার বাড়িটা তোমাকে চিনিয়ে দেব। তুমি তাকে একজন কবিরাজের ব্যব¯থা করে দেবে। : কিভাবে ? : কবিরাজকে বলবে অমুক বাড়ি যাবেন, টাকা-পয়সা যা লাগে আমি দেব। : আমার সাহায্য তারা নেবে তো ? : নেবে। : আপনি কী করে এতটা নিশ্চিত হলেন যে আমার সাহায্য তারা নেবেই ? : আমার মন বলছে। রানী বললেন, তোমার মন কেন বলছে সেটা আমি জানতে চাই, সাফায়্যার। তুমি কি ঐ চাষীর বাড়িতে গিয়েছিলে ? : জি না, মাতাজি। পাঠশালায় যাওয়ার পথে চাষী আমাকে বলল। : পাঠশালায় যাওয়ার পথে তুমি মানুষের সুখ- দুঃখ শোন, না ? : জি, মাতাজি। সেটা দোষের কিছু নয়। প্রজাদের দুঃখ দূর করে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। : তুমি কি আমাকে জ্ঞান দিচ্ছ ? : জ্ঞান দিচ্ছি না, মাতাজি। এগুলো পিতাজি পছন্দ করেন। : ভালো কথা। ঐ গরিব লোকটার সাথে তোমার কোথায় দেখা হয়েছিল ? : পাঠশালায় যাওয়ার পথে। সে বিষকাটালি পাতা পানিতে কচলায়। সেই পানি স্যাঁতসেঁতে মাটিতে ফেলে। মাটির ভেতর থেকে কেঁচো বেরিয়ে আসে। সেই কেঁচো বিক্রি করে। বড়শির টোপ হিসেবে কেঁচো ব্যবহার করা হয়। মানুষ কাপড়ে সাবান দিয়ে কাঁচে। সাবানের পানি মাটিতে পড়ে। মাটির ভেতর থেকে কেঁচো বের হয়। বাড়ি বাড়ি হেঁটে সে কেঁচো সংগ্রহ করে। এই তার আয়ের একমাত্র উৎস। সে অন্য কোনো কাজ পারে না। তার স্ত্রী বিছানা থেকেই উঠতে পারে না


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now