বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জলপরী– (২য় পর্ব)

"রূপকথা " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X আরমান চৌধুরী বিয়ের পর শারমীন কে পড়াবে বলে কথা দিলেও মায়ের জন্য পারেনি। তার বড্ড শখ ছিলো তিতির পাখি মত রঙীন স্বপ্নময় জীবনের। নিজে যা পারেননি মেয়ের চোখে সেই নিজেকে খুঁজে নেন। এখন থেকেই স্বপ্ন পূরণের ভিত টা গড়ে দিতেই তার এই আপ্রাণ চেষ্টা। কিছু বলছোনা কেন আম্মু? শারমীন কে চুপ করে ভাবতে দেখে মুনা বলে উঠে। তুই যে আমার তিতির পাখি, তাই তোকে আদর করে তিতু ডাকি ।কেন তোর পছন্ধ না? তিতির পাখি? মুনা অবাক হয়ে আনন্দে লাফিয়ে উঠে। তবে যে সুজি এমন করে বলে? সুজিটা কে? সুজয়? ছি মা এভাবে বলতে হয়না। ও মজা করে আর কি তোর সাথে। আচ্ছা মা তিতির পাখি কি উড়তে পারে? পাখি যখন উড়তেইতো পারার কথা তাইনা? শারমীন উদাস কন্ঠে বলে উঠে। আস্তে করে মেয়ের চুলে বিলি কেটে দিয়ে উঠে পড়েন। এখানে থাকলে এখন বিচ্ছুটার হাজারটা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। যার অধিকাংশই তার জানা নেই। কি করে থাকবে ?পড়া শুনার তেমন সুযোগ কি পেয়েছেন তিনি? তবে মেয়েটা তার খুবই মেধাবী। একটু গার্ড দিতে পারলে খুব ভালো রেজাল্ট করবে। মা চলে আসতে মুনা আবারো ছবি আঁকতে শুরু করে, তার না দেখা তিতির পাখিটা আঁকে। অনেকটা হাঁসের বাচ্চার মত হয়ে যায়। ইস্ ওর যদি একটা তিতির পাখি থাকতো। জলপরী থেকে এইবার তিতির পাখি হতে ইচ্ছে করে ওর। আবার ভাবে চাইলেও কি সে উড়তে পারবে? কিন্তু সাঁতারটা শিখতে তো চাইলেই পারা যায়। যদিনা মা রাজি হয়। পরদিন আরমান চৌধুরী আসলে মুনা গলা জড়িয়ে এক জোড়া হাঁসের বাচ্চা চায়। মেয়ের আবদার খুব একটা ফেলতে পারেননা তিনি। শারমীনের বকাবকি সত্বেও পরদিন তুলতুলে এক জোড়া হাসের বাচ্চা এসে তার আদরের মিনির হাতে তুলে দেন। দেখো আম্মিনি এগুলো নিয়ে কিন্তু বেশিক্ষণ থাকা চলবেনা। পড়া শুনা করতে হবে ঠিকমত। আমার মিনিটাকে যে অনেক বড় ডাক্তার হতে হবে। বলেই মেয়েকে আদর করে বেরিয়ে যান তিনি। মেয়ের খুশি দেখে তার মনটা ভরে যায়। মুনা ওদেরকে দুহাতে কোলে তুলে নিয়ে বলে আম্মু হাঁসবাবুদের গোসল করাই না,লাগবেনা। আমি করাবো দুপুরে, তুই যা গোসল করে স্কুলে। মুনা মুখটা কালো করে বাথরুমে গোসল করতে ঢুকে। ওকে পুকুরে গোসল করে দেয়া হয়না,গ্রামে থেকেও তার শহুরে জীবন ভালো লাগেনা। মা কেন বুঝেনা তার ও সাঁতার কাটতে ইচ্ছে করে ওদের মত। পুকুরে না নামলে যে সাঁতার শিখতে পারবেনা এটাও বুঝেনা মা ।বড়রা এত বোকা হয় কেন? শারমিন নিজেও পুকুরে করেননা খুব একটা । মোটর দিয়ে পানি তুলে বাথরুমেই করে নেন। মেয়ে হওয়ার পরই এটার ব্যাবস্থা করেছে চৌধুরী। তার পিচ্চি পরীটা পুকুরে নামা শিখে গেলে কখন কি হয়ে যায়, খুব ভয় তার। পুকুরের চারপাশেও বাঁশের বেড়া দিয়েছিলেন তখন মেয়ের জন্য। মুনা ছোট থেকে খুব বেশি চঞ্চল ছিলো। অবশ্য এখন খুব বেশি শান্ত আর লক্ষি হয়ে গেছে। তাও একটি মাত্র মেয়ে বলে সবসময় চোখে চোখে রাখা ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now