বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নাফিস,বড়লোক বাপের একমাত্র ছেলে। টাকা পয়সা কোন কিছুর কমতি নাই। আবার একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ছে। বড় লোকের ছেলেদদের বন্ধু একটু বেশি থাকে,কেননা তাদের টাকা অনেক বেশি থাকে।
"
"
"
"
নাফিস দেখতে অনেক স্মার্ট। তার আবার গার্ল ফ্রেন্ড আছে অনেক। কেউ ভার্সিটি তে পরে কেউ বা আবার ফেসবুকের আবার কেউ বা তাকে দেখে ভালবাসছে, কাউকে আবার তার ভাল লাগছে এমন।
"
"
"
"
সবাই কম বেশি তার ফোনে কথা হয়, এর মধ্যে সে সব থেকে বেশি ভালবাসে তার বান্ধবী রিম্পা কে। রিম্পা ও তাকে অনেক বেশি ভালবাসে।
"
"
"
নাফিস সবাই কে একটু একটু ভালবাসলেও রিম্পা কে নিজের থেকে বেশি ভালবাসে।
"
"
"
একদিন নাফিস আর রিম্পা তাদের গাড়ি নিয়ে ঘুরতে বের হইছে, নাফিস রিম্পার সাথে কথা বলতে বলতে খেয়াল করেনি সামনের দিকে। হঠ্যাৎ সামনে তাকাতেই নাফিস দেখল এক লোক গাড়ির সামনে প্রায়,কিছু বুঝে উঠার আগেই নাফিস ব্রেক করল কিন্তু গাড়ী লোকটাকে ধাক্কা দিল।
লোকটা ছিটকে পরে গেল, ভাগ্য ভাল গাড়ির স্পিড কম ছিল। নয়ত গাড়িরচাকা লোকটার গায়ের উপর দিয়ে চলে যেত।
"
"
"
আসেপাশের লোকজন জড় হল নাফিস সুবিধা না বুজে বলল লোকটাকে গাড়িতে তুলেতে।
লোকজন আর নাফিস মিলে লোকটাকে গাড়িতে তুলল।এর পর নাফিস আর রিম্পা নিয়ে হাসপাতালে গেল কিন্তু লোকটার অনেক রক্ত বের হচ্ছিল।
"
"
"
ডাক্তার বলল A- রক্তের গ্রুপ লাগবে। কিন্তু রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না।
নাফিস এর রক্তের গ্রুপ A- কিন্তু সে রক্ত দিবে না কেননা লোকটা দেখে মনে হচ্ছিল গরিব। সে হাসপাতালেই আনত না যদি পাব্লিক না থাকত ওই খানে। আরো লোকটা ছিল ভিন্ন ধর্মের মানে চাকমা হয়ত।
"
"
"
পরে অনেক খুঁজে নাফিস রক্ত মেনেজ করে দিয়ে কোন মত লোকটাকে রেখে চলে আসল। এমন কি তাকে একবার সরি ও বলেনি।
"
"
"
২মাস পর.......................
"
"
"
"
নাফিস রিম্পা দুইজন সেই ঘটনা ভুলে গেছে। দেখতে দেখতে রোজার ঈদ চলে আসল নাফিস আর রিম্পা চিন্তা করল তারা সব বন্ধু বান্ধবী মিলে বান্দরবন থেকে ঘুরে আসবে ঈদে।
নাফিস ও রাজি হল। ঠিক হল ঈদের আগের দিন তারা যাবে গাড়ি ২টা থাকবে।
নাফিস দেরই গাড়ি কিন্তু কিন্তু একটায় নাফিস আর রিম্পা আর বাকি বন্ধুরা একটায়।
"
"
"
তারা রওয়ানা দিল। অনেক সময় যাবার পর তারা বান্দরবন চলে আসল। পাহাড়ি রাস্তা একটু আঁকাবাঁকা নাফিস এর চালাতে একটু সমস্যা হচ্ছে,অনেক টাইম এক ভাবে গাড়ি চালাইছে তো তাই।
"
"
"
"
কিছু দূর যেতেই এক আচমকা মোর থেকে গাড়ী ব্রেক ফেল করে পাশের একটা খাদে পরে যায়।
কিছু করতে পারছিল না নাফিস।দেখল রিম্পার জ্ঞান নাই অনেক আঘাত লাগছে।
"
"
"
তাদের বন্ধুরা এসে গাড়ি থেকে তাদের বের করল। নাফিস সিট বেল পরা ছিল তাই তার কিছু না হইলেও একটু চোট পাইছিল।কিন্তু রিম্পার জ্ঞান নাই। আর অনেক রক্ত বের হচ্ছে মাথা ফেটে।
"
"
"
"
অন্য গাড়িতে করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। ঈদের আগে হওয়ায় তেমন ডাক্তার ছিল না। জরুরী বিভাগে যারা ছিল তারা বলল রক্তের দরকার কিন্তু রম্পার গ্রুপের রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না। কারো সাথে মিলছে না।
"
"
"
নাফিস সারা হাসপাতাল ১ফোঁটা রক্তের জন্য চোখের জল ফেলছে কিন্তু নাই।
শেষে বাইরে বের হয়ে এক দোকানে গিয়ে মানুষের কাছে রক্ত খুঁজতে লাগল।
কিন্তু না নাই,
"
"
"
পিছন থেকে নাফিস এর ঘারে হাত, নাফিস পিছনে ফিরে তাকাল।
দেখল ১টা চাকমা ছেলে আর তার বাবা হবে। নাফিস এর কেমন চেনা চেনা লাগছিল মুখ টা কিন্তু মনে করতে পারছিল না।
লোকটা বলল চিনতে পারছ বাবা?
আমি সেই, তোমার গাড়ির সাথে যার এক্সিডেন্ট হইছিল।
লোকটা তার ছেলেকে বলছে বাবা জানিস এই ছেলেটার গাড়ির সাথে আমার ধাক্কা লাগে, একটা এক্সিডেন্ট আর কি।
কিন্তু জানিস এই ছেলে আবার রক্ত দিয়ে আমায় সুস্ত করছে।
তা বাবা তুমি কই ছিলা তার পর আর দেখলাম না যে। তোমাকে একটা ধন্যবাদ দিতে চাইছিলাম।
"
"
"
লোকটার কথা শুনে নাফিস অবাক,যে সে হয়ত তাকে রক্ত দেয়নি এইটা জানে না।
বা সে গরিব বলে তাকে ঘৃণা করছে।
কিন্তু এখন এর কাছেই নাফিস সাহায্য চাইবে কারন এই খানে তার কেউ পরিচিত না।
"
"
"
লোকটাকে বলল চাচা আমার এক বান্ধবী এক্সিডেন্ট করছে, রক্ত লাগবে কিন্তু পাচ্ছি না।
কি গ্রুপ জানতে চাইল লোকটা বলল B+ লোকটা বলল আমার ছেলের এই গ্রুপ চল ও দিবে।
"
"
নাফিস এখন আর ধর্মের দিকে, গরিব এর কথা ভাবল না, তার রিম্পাকে বাঁচাতে হবে।
সেই চাকমা ছেলের রক্ত দিয়ে তার রিম্পা বাঁচল।
পরে নাফিস তার অহংকার ফল বুজল।
আর লোকটাকে সব খুলে বলে তার কাছে মাফ চাইল।
নাফিস বাড়িতে ফিরে এখন থেকে খুব সাধারন মানুষ হল।
আর ৩মাস পর পর রক্ত দান করত।
"
"
"
"
"
★★★নোটঃ সবাই একটু দেখুন ৩মাস পর আমাদের শরীরের রক্ত নতুন করে সৃষ্টি হয়।পুরানো রক্তের মুল্য থাকে না।
কিন্তু আমরা যদি ৩মাস এর মধ্যে রক্ত
দিয়ে দেই সেই রক্ত আবার কারো জীবন বাঁচাতে পারে।
তাই সবাই কে অনুরোধ প্লিজ রক্ত দান করুন যদি সম্ভব হয়।
"
"
"
আর কিছু পাব্লিক আছে রক্ত দিতে পারেন না কিন্তু কোন পেজে রক্ত চেয়ে হেল্প পোস্ট চাইলে আপনি সেই খানে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে রাখেন আরে ভাই রক্ত যার লাগবে তার প্রিয়জন কি ফেসবুকের পোষ্ট দেখতে আসবে কে কে দিছে রক্ত দিতে চায়।
আপনি এক মিনিট ফোন দিলে কয় টাকা আর নষ্ট হবে।
"
"
"
আবার কিছু মানুষ আছে এড দিয়ে রাখে অন্য পেজের। আরে ভাই পারলে শেয়ার করুন নিজের পেজের পাব্লিসিটি করতে চাইলে পেজ প্রোমোট করুন।
আরো লাইকার, এড মি কমেন্ট তো বাদই দিলাম।
আশা করি এর পর সবাই কে রক্ত দিতে উৎসাহ করবেন।নিজে দিবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now