বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রাতুল

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X - কিরে রাতুল,তোর পাশে মেয়ে এটা কে? -আমাদের কলেজে পড়ে,নাম সিন্থিয়া।জোস না? -জোস তো বুঝলাম।আচ্ছা আমার একটা কাজ করে দে.. -কি রিলেশান করাই দেওন লাগবো? -তোর কল্লা!যাস্ট ফ্রেন্ডশিপ করাই দিবি। -ওহহো!!বন্ধুত্ব থেকেই তো সব শুরু.. -তুই জানস রাতুল,আমার প্রেম-প্রীতি এসব ভাল লাগে না।বাট তুই তো... -হইছে হইছে ভাই,করাই দিব ফ্রেন্ডশিপ, নট এ বিগ ডিল! -অকে বেবি!.লাভিয়্যু -ইসস,মুখে লাগাম রাখ হালা! -হাহাহা!! ওহ হ্যা আমার পরিচই তো দেওয়া হল না।আমি আহনাফ,এইবার অনার্স শেষ বর্ষে। মা বাবার বড় সন্তান,একটা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি থেকে বিলং করা সাধারন ছেলে মাত্র। --রাতুলের সাথে এই কথোপকথন টা ৫ বছর পুরানো।তখন আমি উচ্চ মাধ্যমিক পরীহ্মার্থী। রাতুলের সাথে আমার স্কুল জীবন হতে বন্ধুত্ব। কলেজ ভিন্ন হলেও আমাদের ফ্রেন্ডশিপ এ হের ফের হয় নি!... . . ওর কলেজ ফ্রেন্ড সিন্থিয়া। ছবি দেখলেই মেয়েটার প্রতি কেমন জানি মোহ কাজ করে.. রাতুলের সাথে কথা বলেই সিন্থিয়াকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালাম। ঘন্টা দুয়েক এর পরে এক্সেপ্ট ও করল। পরে জানতে পারলাম,রাতুলের কিছু বলার আগেই রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট করেছে.. বুঝলাম মেয়েটা মিশুকী আর সরল মনের। . . কিভাবে কথা বলা শুরু করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। আইডি ঘেটে দেখলাম মেয়েটা এমা ওয়াটসন এর বড় ফ্যান। তাই নক করলাম অন্যরকম করে..... - হাই এমা ওয়াটসন! কি খবর? উত্তর পেতেও দেরি হল না.. -কি! এমা ওয়াটসন? কোথায় আমি আর কোথায় ও! হাহাহা!! - না আপনি তার অনেক বড় ফ্যান। তাই এই নামে ডাকা আরকি... - কিভাবে জানলেন? -জানলাম আরকি একভাবে.. - হুম বুঝেছি,আইডি ঘেটে একেবারে ডাল বানিয়ে ফেলেছেন। তাই তো জানলেন!! -আমি ভক্সদ খেয়ে গেলাম, তাই 'জি' বলা ছাড়া আমার কোনো উপায় ছিল না.. -ওপাশ থেকে একটা হাহা ইমো আসল। --- আমি কি বলব ভেবে পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ বললাম... - আচ্ছা আমরা তো সমবয়সী, আপনি করে বলছি কেন? তুই করে বলি? - হ্যা,অবশ্যই!( সিন্থিয়া) সত্যি বলতে আমার কোন ইচ্ছাই ছিল না এরকম কথা বলতে বলতে বন্ধুত্ব সম্পর্কটাকে অন্যদিকে মোড় নেওয়ার। আমি ভালোবাসা-রিলেশান এগুলোতে ততটা আগ্রহী ছিলাম না। আমি কেবল বন্ধু বানাতে ভালোবাসতাম... --- এভাবে ১-১.৫ মাস আমরা চ্যাট করি। অনেক ফ্রী ও হয়ে উঠি আমরা। প্রত্যেক গল্পের মত আমার সাথেও এমনটা হলো,যেটা আমি কখনো চাইনি। ধীরে ধীরে তার প্রতি দূর্বল হতে লাগলাম। সিন্থিয়ার জন্য আমার মধ্যে ভালোলাগা তৈরি হল... চিন্তা করলাম এটা একটা মোহ মাত্র,কিছুদিন পর ঠিকই চলে যাবে। এই মোহ বা টান কিছুদিন পর ফুরিয়ে গেলেও পারত।কিন্তু ফুরালো না... মাসের পর মাস তার প্রতি এতটাই দূর্বল হয়ে গিয়েছিলাম যে তাকে ছাড়া এক মুহুর্ত চিন্তা করা কঠিন হয়ে দাড়াল... বুঝতে পারলাম সিন্থিয়াকে ভালোবেসে ফেলেছি। কিন্তু তাকে কখনো এই ভালোবাসার মর্মগ্রহন করতে দেয়নি... সিন্থিয়া একটি ধনী পরিবার থেকে বিলং করে। বাবা অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার। নিজের ফ্ল্যাট-গাড়ি সবই আছে।কোনো অভাব নেই.. কঠিন হলেও সত্যটা মেনে নিয়েছিলাম যে এই ভালোবাসার ভবিষ্যৎ নেই।আর হবেও বা কি করে, সিন্থিয়া আমাকে বন্ধুর চেয়ে বেশি মনে করত না.. বয়ফ্রেন্ড ছিল না, ভালোওবাসত না কাউকে। আগে একজনের সাথে সম্পর্ক ছিল। ছেলেটি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকে ভালোবাসা কে প্রচুর ঘৃণা করত.. . . --- এভাবে দেখতে দেখতে চার মাস কেটে গেল।টুক-টাক ফোন এ কথা হতো।তাও বেশিহ্মনের জন্য না.. সিন্থিয়ার হাসিটা ছিল খুবই সুন্দর। যদিও ততদিনে সরাসরি হাসতে দেখিনি।কন্ঠ শুনেছি মাত্র.. অনেক সুন্দর করে হাসত মেয়েটা... আমি সবসময় হাসি-খুশি থাকতাম আর একটা ভাল বন্ধুর মত অভিনয় করতাম।অভিনয় টা ভালই পারতাম। ভালোবাসাটাকে সুপ্ত করে রেখে দিতাম নিজের মধ্যে। ভয় পেতাম সিন্থিয়া কে ভালোবাসার কথা বলতে... বন্ধুত্ব নষ্ট হবে, ওর বন্ধুবান্ধব রা শুনলে আমাকে নিয়ে কথা বলবে বা তাকে হারানোর ভয়ে... -- নাহ এগুলোর একটার ও ভয়ে না.. আমি ভয় পেতাম সার্থপর হতে,ভয় পেতাম বিশ্বাসঘাতকতা করতে। একজনের পাশে থেকে,তার সাথে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে,খারাপ সময়ে সান্ত্বনা দিয়ে যে বন্ধুত্ব নামক ওয়াদা করেছিলাম সেটা ভেঙে দিয়ে চাইতাম না সম্পর্কটাকে অন্যদিকে বিচ্যুতি ঘটাতে। সিন্থিয়ার সাথে এমন প্রতারনার অধিকারটা হয়ত আমার ছিল না.... . . . সিন্থিয়ার সাথে বন্ধুত্বের পর থেকে কখনো দেখা করি নি। তাই ভাবলাম একবার দেখা করে নি। দেরি না করেই কল দিলাম.... - হ্যালো সিন্থি? - হ্যা বল - তোর সাথে দেখা করব। ফ্রি থাকবি বিকালে? - হ্যা থাকব। কিন্তু সন্ধ্যার পরপরই বাসায় ফিরতে হবে,নয় আম্মু বকবে.. - আচ্ছা সমস্যা নাই। সন্ধ্যার পর পরই বাসায় ফিরে যেতে পারবি। - অকে,তো বল কই দেখা করবি? - আমার পছন্দের জায়গাটাতে.. - কোনটা তোর পছন্দের জায়গা আবার? - কিরে ভুলে গেলি? বলসিলাম না বাটালি হিল! - অহ ভুলে গেসিলাম। আচ্ছা তাইলে ৫ টায়। আমি মেইন রোড এ থাকব.. - ওকে দেখা হবে তাইলে.. - জী। এখন বাই! --- বিকাল ৪:৩০। সিন্থিয়ার সাথে এই প্রথম কোথাও যাচ্ছি। তাও একটা সাদা-মাটা শার্ট, গাবাডিং,দুই ফিতার নরমাল স্যান্ডেল আর পকেটে পঞ্চাশ টাকা নিয়ে.. রোডে আসতেই দেখি সিন্থিয়া চলে এসেছে। হলুদ লং কামিজ আর খোলা চুলে ভালাই লাগছিল দেখতে.. কাছে যেতেই ঝাটকি খেলাম.. - এই তোর আসতে এতখন লাগে? - না মানে একটু... - হয়েছে,আর বলতে হবে না। এবার চল উপরে.. -অকে,আফটার য়ু... ..হাটছি পাশাপাশি.. বাটালি হিলের উপরে উঠার রাস্তাটা অন্যরকম। ঘুরে ঘুরে উঠতে হয়। এটাকে অনেকে জিলাপি পাহাড় ও বলে.. রাস্তার চারপাশে গাছের সারি,সাপের মত করে রাস্তা উপরে উঠছে। উপরের জায়গাটাও ভীষণ সুন্দর... দুইজন উপরে এসে বসলাম। দিনটা বৃহস্পতিবার,তাই মানুষজন ও কম। পিছনে দুইজন মধ্যবয়ষ্কা লোক কসরত করছে,তিন চারটা পথশিশু দৌড়াচ্ছে,দূরে চা-ওয়ালা চাচা বসে বিড়ি টানছে... উপরে উঠলে পুরো দহ্মিন-পশ্চিম চট্রগ্রাম দেখা যায়.. দূরে সমুদ্র, তার কিছু উপরে আস্তে আস্তে করে ডুবে যাচ্ছে রক্তিম সূর্যটা। দুজনেই বসে বসে সূর্যের নিভে যাওয়া দেখছি... হঠাৎ করে চা-ওয়ালা চাচা এসে আমাদের সূর্য দর্শনে ছেদ দিলেন... - কিরে মামা চা লাগবো? - হ্যা চাচা,দুইটা দিয়েন (আমি) - নারে খাবো না আমি,তুই খা! (সিন্থিয়া) - ওরে ন্যাকা রে! এক কাপ খাইলে তুই কালো হয়ে যাবি না। নে খা চুপ করে! -- (সিন্থিয়া কেমন যানি বিরক্ত হয়ে কাপ টা নিল)... হাতে চায়ের কাপ ধরে দুইজনেই সূর্যের নির্বাসন দেখছি। দেখছি কিভাবে আমার মত সূর্যটাও সব বিসর্জন দিয়ে নিভে যাচ্ছে!... হঠাৎ বললাম.. - সিন্থি তোকে কিছু কথা বলতে চাই। কিন্তু শর্ত আছে, মাঝখানে তুই চাইলেও কিছু বলতে পারবি না... - আচ্ছা ঠিকাছে। - সত্যি তো? - হ্যা বাপ,সত্যি! বলা শুরু করলাম... দেখ সিন্থিয়া,আমি একটা মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। আমাদের মধ্যবিত্তদের না অনেক জড়তা আছে। অনেক কিছু চাইলেও করতে পারি না, অনেক হ্মেত্রেই "না" নামক ফোবিয়া কাজ করে। এমন অনেক কিছুই আছে যা আমাদের কপালে জোটে না... তার মধ্যে একটা কি জানস? - সেটা হচ্ছে ভালোবাসা.. ভালোবাসা হয় আমাদের কিন্তু তা নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখতে পারি না। আজ তোকে একটা কথা না বললেই নয়,আর বাধ্য হচ্ছি বলতে... --- সিন্থিয়া ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞাসু দৃস্টি তে তাকিয়ে থাকে - সিন্থিয়া তোকে না আমি অনেক অনেক বেশি ভালোবাসি.. সিন্থিয়া কথাগুলো শুনে অনেকটাই অবাক হয়.. - জানি তুই এটা শুনার জন্য প্রস্তুত ছিলি না। কিন্তু বলতেই হল আমাকে(খানিকটা হেসে)। আর তোকে এসব নিয়ে চিন্তা করার দরকার নাই।আমি কোনো দাবি রাখছি না, বলছি না আমাকে ভালোবাসতে। অন্যদের মত রোমান্টিক লাইন বলে প্রোপোজ ও করছি না,না করছি কোন প্রকার সম্বোধন। কারন আমি জানি,তোকে এই কথা গুলো বলা বৃথা। আমি আর তুই সমবয়সী। সমবসীয়ও না,তুই আমার চেয়ে একমাস আঠারো দিনের বড়... একটা সচ্ছল আর উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ের সাথে আমাকে কখনোই মানাবে না। আমার পড়ালিখা শেষ হতে না হতেই দেখা যাবে তোর বিয়ে হয়ে গেছে.. ততদিনে একটা সুন্দর ফুটফুটে সন্তানের মাও হবি তুই... কখনো কোনো শপিং মল বা কোনো রিসেপ্সান এ দেখা হবে তোর সাথে। মিথ্যে হাসি নিয়ে তোর কোলের বাচ্চাটার গাল টেনে বলব-"একদম তোর মত হইসে" তুই ও দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বলবি-" ও তাই?" যখন আমি কোনো চাকরির খোঁজে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করে স্যান্ডেলের তলা হ্ময় করব। ঠিক তখনই তুই কোনো সুন্দর হেরিটেজ সাইটে নিজের ফ্যামিলি নিয়ে সময় কাটাতে ব্যস্ত থাকবি.. যখন আমি তীব্র রোদে দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করব,ঠিক সেই সময় তুই প্রাইভেট কারের ড্রাইভার কে বলবি-" রোদ আসছে,গ্লাস তুলে দাও " -- বাস্তবতা কঠিন জেনেও তোকে ভালোবেসেছি। জানি আমরা কখনো এক হব না,তাও নিঃস্বার্থ ভালোবেসেছি... বন্ধুত্বের মান-মর্যাদা, বিশ্বাস,ভেঙে দিয়ে আমি কখনই চাইব না এই বন্ধুত্বকে ভালোবাসা নামক গন্ডিতে আবদ্ধ করতে। সেই লোভী মানসিকতার মানুষ আমি নই... ভালোবাসার মানুষ যেন ভালো থাকুক এটা আমি চাই.. আগেও কখনো এগুলো নিয়ে জোরাজুরি করি নি,আশা করি সামনেও করব না। একপাশ দিয়ে শুধুই ভালোবাসব..... . . . কথা বলতে বলতে খানিকটা চোখে পানিও এসে গিয়েছিল। আমি আজ ও চিন্তা করি, সিন্থিয়া চুপ করে এত কিছু কিভাবে শুনেছিল!!! বুঝা যাচ্ছিল তার চোখেও পানি এসে ভীড় করেছে... কাপের চা কখন শেষ হলো বুঝতেও পারি নি। পশ্চিম আকাশে সূর্যটা আর নেই,শুধু আভাগুলো পুরো আকাশ জুড়ে আলোকিত হয়ে আছে.... চা এর টাকাটা চুকিয়ে সিন্থিয়াকে বললাম.. - চল এবার উঠি,অনেকহ্মন চেঁচালাম। এবার বাসায় চল,নয় তোর আম্মু বকবে.. - সিন্থিয়া নিঃশব্দে মাথা নাড়িয়ে সায় দেয়.. এরপর থেকে আর কথা বলি নি। শুধু রিক্সা ডেকে দেওয়ার সময় বাই বলেছিলাম.. সেও হাসিমুখে হাত নেড়ে বিদায় দিয়েছিল... . . . মনে মনে আগে থেকেই ঠাই করে রেখেছিলাম যে এটাই শেষ দেখা এবং শেষ কথা... চিন্তা করছিলাম যে সিন্থিয়া কে এগুলো বলে ভুল করেছি। নিজেকে অপরাধী ও মনে হত,ইভেন এখনো মনে হয়... তাও কখনো কখনো ভাবি যাই করেছি ঠিক করেছি... বাসায় এসে নাম্বার চেঞ্জ করি,আইডিটাও বন্ধ করে দেই। যাতে কোনো রকম তার সাথে কন্টাক্ট না করতে পারি.. আমি চাইনি ভালোবাসাটাকে তার প্রতি আরো দূর্বল করতে.. ৬ মাস পর দেখি সিন্থিয়ার আইডিটা আর নেই,নাম্বারটাও অফ.... এভাবে পাঁচ- পাঁচটা বছর কেটে যায়।অনেক মনে পড়েছে তার কথা,অনেক কেঁদেছি ও। তারপর ও বাস্তবতার কাছে মাথা নত করে মেনে নিয়েছি সবকিছু... রাতুলের কাছে শুনেছি সিন্থিয়ার বিয়ে হয়েছে। স্বামীসহ অস্ট্রেলিয়ায় থাকে.. মাস দুয়েক আগে কন্যা সন্তানের মা ও হয়েছে সে। শুনে ভালোই লাগল... তার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা। ---সুখে থাকুক সিন্থিয়া,তৃপ্ত থাকুক ভালোবাসা। --Nabeel khan(Necromancer)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রাতুলের নতুন স্কুল

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now