বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কিছু গল্পের নাম হয় না
লেখক:-নিশ্চুপ বালক(আহনাফ নিল)
,,
সাথী:-তুই আর কখনও আমার সাথে কোনোরকম যোগাযোগ
করার চেস্টা করবি না।তুই এমন হবি তা আমার কল্পনার বাহিরে ছিল।
আমাকে একদম বিরক্ত করবিনা।আমার আসলে তোকে চিনতেই
ভুল হয়েছে।
,,
আমি নিল।আর উপরের কথাগুলো যে বলল তার নাম সাথী।আমার
সবচেয়ে ভাল বন্ধু।শুধু বন্ধুই নয় আমি ওকে ভালবাসি সেই কবে
থেকে।আমি যে ওকে ভালবাসি সেটা ওকে হাজারবার হাজারভাবে
বোঝানোর চেস্টা করেছি কিন্তু ও কেন জানি কখনই বোঝার
চেস্টা করেনা।ওর সাথে আমার পরিচয়টা অদ্ভুতভাবে হয়েছিল
আর তা এই ভার্চুয়াল জগৎের মাধ্যমে।
,,
লেখালেখির সুবাধে অনেকেই অনেক রকম মেসেজ করত।
আমি তার যথাসাধ্য রিপ্লাই চেস্টা করতাম।কিন্তউ একদিন একটা
মেসেজ দেখে আমার চোখ মোবাইলের ডিসপ্লেতে
আটকে যায়।একটি মেয়ে আমাকে বকা দিয়েয়ে মেসেজ
দিচ্ছে।আর সেই মেয়েটিই ছিল সাথী
,,
আমি:-আপনি আমাকে বকা দিচ্ছেন কেন?
সাথী::--ওইই তোররে বকা দিমু না ত কি করমু?
:::--আপনি কিন্তু আমাকে অপমান করতেছেন!!!
:::---ওই ফ্রেন্ডশিপ এ আবার অপমান কিসের রে?
:::---কিসের ফ্রেন্ডশিপ, কে ফ্রেন্ড?
::---কেন?আমি তোর ফ্রেন্ড আর তুই আমার
:::---আমি ত আপনাকে চিনিও না।তাহলে ফ্রেন্ড হলাম কখন?আর
আমি ত এই প্রথম কথা বলতেছি
::---তাহলে চিনে নে।আমার নাম সাথী।বাড়ি নারায়নগন্জ।ইন্টার
সেকেন্ড ইয়ার।২ বোন ১ ভাই।আর ফ্রেন্ড হতে গেলে কি
১ বছর কথা বলা লাগে নাকি।
::--না,,ঠিক তা না
::---আর কিছু না।আজ থেকে তুই আর আমি ফ্রেন্ড।আর
আমাকে তুই করে বলবি।এবার তোর ডিটেইলস বল।
::-নিল।ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার।বিভাগ:-ব্যাবসায় শিক্ষা।বাড়ি:-বি-বাড়িয়া।
আমি একাই।ভাই বোন নাই
::--থ্যানক্স
,,
এভাবে ওর কাছে পরাজিত হয়ে ও আমার মনে ওর বন্ধুত্বের
জায়গাটা দখল করে নেয়।সাথী আমার অনেক কেয়ার করত।
তবে শাশন করত অনেক বেশি।ওর শাশন গুলো খারাপ লাগত না।
কিছুদিন পর ওর ছবি দেখে আমি পুরাই টাস্কি।একটা মেয়ে
এতসুন্দর কেমনে হয়।আসলে আমি মনে হয় বাড়িয়ে
বলতেছি,কারন ও যে আমার প্রেয়সী।ওর প্রত্যেকটা কাজ
আমাকে বারবার মুগ্ধ করত।বন্ধু হিসেবে ও বেশি কিছু চাইত না।শুধু
পাচ ওয়াক্ত নামায আর খারাপ বন্ধুদের পরিত্যাগ করা। এখন আমার
অনেক পরিবর্তন হয়েছে।পাচ ওয়াক্ত নামায পড়ি।আগের মত
সিগারেট ও খায়না।আমার পপরিবর্তনে বাবা মা অনেক খুশি।আর এর
পুরো ত্রেডিট টাই সাথীর আমি যে ওকে ভালবাসতাম,সেটা ছিল
অপ্রকাশিত ছিল,কারন আমার একটা ভয় ছিল যে,প্রপোজ করার পর
ও যদি আমার সাথে আর কথা না বলে।কিন্তু অনেক
ভেবেচিন্তে দেখলাম প্রপোজ করে দেয়াটাই বেটার।তার
কিছুদিন পরে,,,,,,,,
,,
সাথী::--কিরে,কি করিস?
আমি::--তেমন কিছুনা।তুই?
:::---হুমায়ুন আহমেদ এর একটা বই পড়লাম।পুরো মোডটাই
চেন্জ হয়ে গেছে।
::---আচ্ছা তোকে একটা কথা বলার ছিল।
::--পারমিশন নেয়ার কিছু নেয়।বলে ফেল
:::---আগে তুই আমার কসম খেয়ে বল যে, কথাটা বলার পর আমার
সাথে রাগ বা কথা বলা বন্ধ করতে পারবিনা।
::--ওকে।প্রমিজ।আর তাছাড়াও,আমি কি আমার জান টার সাথে কথা না
বলে থাকতে পারি?
::--আমি তোকে ভালবাসি,সাথী
::'--সেইম টু ইউ।বন্ধু বন্ধুকেকে ভালবাসবেনা এটা কখনও হয়
নাকি
:::---আমি তোকে ভালবাসি,তোকে বিয়ে করতে চাই
::--তুই কি পাগল হয়ে গেছিস নিল?কি বলতেছিস এগুলা
::--পারলে ভেবে দেখিস
::--আমি তোকে সবসময় একটা ভাল বন্ধুর মত দেখছি।বাদ দে।
মাথা থেকে এসব নামা।সামনে এক্সাম।পড়াশুনায় মনোযোগী হ।
,,
তারপর আর ও কিছু বলেনি।সরি,আপনাদের বলাই হয়নি,প্রপোজ
করার আগে ওর সাথে আমি গিয়ে একবার দেখা করেছিলাম।ও
ছবির থেকেও অনেক সুন্দর ছিল।তারপর ওকে অনেকবার
বারবার আমি এই কথাটা বলেছি।কিন্তু বরাবরই এড়িয়ে গেছে।আর
ফোনে বললে ফোন কেটে দিত।আমি অনেক কস্ট
পেতাম।আর সেই কস্টের সাক্ষী শুধুমাত্র আমার
চোখগুলো। কারন মাঝে মাঝে রাতে ওর কথা মনে হলেলে
চোখগুলা অশ্রুসিক্ত হয়ে যেত।
,,
কিছুদিন পর,,,,,
আমি আমার আরেকটা ফেসবুক ফ্রেন্ডের সাথে মজা করতেছি
,
আমি::--দুস্ত আমি না তোকে অনেক ভালবাসি রে।সারাদিন খালি মাথায়
তোর চিন্তা থাকে
ফ্রেন্ড::--আমি আজই সাথী কে সব বলে দিবব!!!
::---বল গিয়ে।সাথী আমার কে,,ও আমার কি করতে পারবেবে
:::--ও কিন্তু এগুলো শুনলে অনেক রাগ করবে।
::;--ও রাগ করলে আমার কিছু আসে যায়না।
::--ওকে। দেখা যাক
,,
আমি ভাবছিলাম হয়ত ও ফান কররতেছে।কিন্ত ও সিরিয়াস ছিল।আর ও
সাথীকে আরও বাড়িয়ে বলে।আর সাথী আমাকে ভুল বুঝে।
,,
সাথী:-তুই স্নিগ্ধা(সেই ফ্রেন্ড)কে প্রপোজ করছিস?
আমি:::--হুম।কিন্তু ফান করে
::--এখন আমি জেনে গেছি তাই ফান হয়ে গেছে।আসলে
তোরা সবছেলেরা একিরকম। একটাকে না পেলেলে
আরেকটার পিছনে ঘুরিস।তোকে আমি ভাল ভাবছিলাম।কিন্তু তুইও
ওদের তই।যাও তোর প্রতি একটু একটু করে ভালবাসা গুলো জমা
হচ্ছিল।তা তুই নিজেই শেষ করে দিলি।
আমি::--আমি সত্যি বলছি(কথা শেষ হবার আগেই)
সাথী:- তুই আর কখনও আমার সাথে কোনোরকম
যোগাযোগ করার চেস্টা করবি না।তুই এমন হবি তা আমার কল্পনার
বাহিরে ছিল।আমাকে একদম বিরক্ত করবিনা।আমার আসলে
তোকে চিনতেই ভুল হয়েছে।
,,
তারপর থেকে ওর নাম্বার বন্ধ।ফেসবুক আইডিও ডিয়েক্টিভ।আমি
পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম।ওর কলেজের সামনেও অনেকদিন গেছি।
একদিন ওকে পেয়েও যায়।
,,
আমি::--আমি সত্যি বলছি,আমি ঔদিন ওর সাথে ফার করেছিলাম।
কিন্তু ও আমাকে ওর পায়ের জুতো দেখিয়ে বলে যে আবার
ওর সামনে গেলে ও আমাকে জুতো দিয়ে মারতে বাধ্য
হবে।
,,
এতটা অপমান সহ্য করার মত ক্ষমতা আমার ছিললনা।তারপর থেকে
আমার প্রত্যেকটা রাতের কস্টের সাক্ষী ছিল শুধু আমার বা-হাতটা
যাতে অসংখ্য কাটার দাগ।আগে রক্ত দেখলে ভয় লাগত।এখন
আমার নিজের রক্ত দেখলে অনেক আনন্দ লাগে।কিন্তু
এভাবে আর কতদিন।বাবা মা কে শুধু শুধু কস্ট দিয়ে লাভ কি।ওরা
তো কোনো দোষ করেনি।তাই সিদ্বান্ত নিলাম যে
পৃথথীবির উপারটাই আমার কস্ট মুছে দেয়ার একমাত্র রাস্তা।
,,
অনেকগুলা ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে নিলাম।অনেক ঘুম পাচ্ছে।
কিন্তূ এখন ঘুমালে মেসেজটা লিখবে কে।মোবাইলাটা হাতে
নিরলাম।সাথীর নাম্বার টা খুজে বের করলাম।একটা মসেজ লিখে
সেন্ড করলাম।মেসেজটা ছিল এইরকম,
,,
যানিনা তুমি আমাকে কি ভাবো।তবে তোমাকে আমি সত্যিইই
অনেক ভালবাসতাম।আমি ঔদিন স্নিগ্ধার সাথে আসলেই ফান করছিলা।
তুমি আমাকে ভুল বুঝলা।তাও তোমাকে অনেক ভালবাসি।পারলে
আমার কবরটার পাশে এসে একবার দাড়াইও।তাহলে আমি মনে করব
তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছ।,,,
,,
আর একটা চিঠি বাবা মায়ের কাছে লিখলাম।আর পারছিনা।চোখদুটো
অনেক টানেছর,প্রচন্ড ঘুম আসতেছে।
,,
ভুলক্রটি ক্ষামর চোখে দেখবেন
,,
লেখক:-নিশ্চুপ বালক(আহনাফ নিল)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now