বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি সিয়াম।সবে মাত্র ইন্টার এ পা দিয়েছি।অন্য দশটা ছেলের মত দিন গুলা ভালই কাটছিল।নতুন কলেজ,নতুন ফেন্ড, আরকি লাগে।এর মধ্য পড়ল ঈদ।আমি ঈদের সময় বেড়াতে গেলাম নানুবাড়ি।নানুবা
ড়িতে আমার খালাত বোনের সাথে তার কাজিন আসছিল।আমি ততটা গুরুত্ব দিলাম না।আমি মেয়েদের সামনে নার্ভাস হয়ে যাই।বিকেলবেলা তারা চলে যাচ্ছিল।যাওয়ার সময় সে একটা হাসি দিয়েছিল।হাসিটা দেখে আমি মুগ্ধ।একটা মানুসের হাসি যে এতটা সুন্দর হতে পারে তা আমার জানা ছিল না।এবার তার দিকে ভালভাবে লক্ষ করলাম।মেয়েটা ছিল অতি সাধারন। কোন সাজগোছ ছিলনা।কিন্তু তার চেহারাটা ছিল পছন্ড মায়াবি। তারা চলে গেল।ওহ মেয়েটার নাম ও তো বলা হলনা।তার নাম ছিল ঝরনা।সে ছিল সত্তিই ঝরনার মত অপরুপা।কিন্তু আমার কাছে রেখে গেল সেই মন ভুলানে হাসিটা।
এরপর দীর্ঘ ৫ মাস কেটে গেল।তারসাথে আর কোন যোগাযোগ নেই।এর মধ্যে আমার ছোট মামার বিয়ে ঠিক হল।বেশ ধুমধাম করে বিয়েটা হল।আমরা কনে নিয়ে বাসায় চলে এলাম।কনে কে গাড়ি থেকে নামানোর সময় এইটা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।হটাৎ ভাইয়া কেমন আছেন শব্দটা শুনে ফিরে থাকালাম।দেখে আমি পছন্ড অবাক হলাম।সেই মেয়েটা।সাথে সেই মন ভুলানে হাসি।আবার ও দেখা তার সাথে সেই বিকেলবেলা। তাই আমি তার নাম দিলাম শেষ বিকেলের মেয়ে।বেশ ভালবাবেই দুইটা দিন কাটল।একটা মানুস যে কতখানি মিসুক হতে পারে তাকে না দেখলে আমি জানতাম না।আমার সাথে অনেক ক্লোজ হয়।দুইদিন পর আমি বাসায় চলে আসি।কারন আমার সামনে ছিল পরীক্ষা।ঝরনা ও চলে গিয়েছিল।আমি বাসায় ফিরে আসলাম।এসে ঝরনাকে পছন্ড মিস করতে লাগলাম।আমি বুঝতে পারলাম।আমি শেষ বিকেলের মেয়েটার প্রেমে পড়লাম।আমি ঠিক করলাম মেয়েটার সাথে যখন আবার দেখা হবে তাকে বলব মনের কথাটা।
এরপর দীর্ঘ এক বছর পর মেয়েটার সাথে দেখা হল তার নানুর বাড়িতে।আমি অনেক চেস্টা করলাম। কিন্তু পারলাম না বলতে।চলে আসলাম। যত দিন গড়াচ্ছে আমি ততই দুর্বল হচ্ছিলাম মেয়েটার উপর। কিন্তু বলতে পারছিলাম না।মেয়েটার মামার বিয়ে ঠিক হল।আমাদের নিমন্ত্রণ করল।আমি ঠিক করলাম এইবার ঠিকই বলব।আমি একটা ফুল নিয়ে গেলাম।কিন্তু এইখানে চারপাশে এত পরিচিত ছিল কিন্তু বলতে পারিনি।আমার ছোট ভাইয়ের দিয়ে ফুলটা পাটিয়েছিলাম।সে নিয়েছিল।পুরোটা সময় ফুলটা তার হাতে ছিল।হয়ত সে ও আমায় পছন্দ করে।কোথাই জানি পড়েছিলাম মেয়েদের অনুমান শক্তি ছেলেদের নিশ্চিয়তা ছেয়ে শক্তিশালী। হয়ত সেও বুঝতেছে আমি তার প্রতি দুর্বল।আর বলা হল না।
এর ৫ মাস পর আবার দেখা। মেয়েটা জেএসসি এক্সাম দিয়ে বেড়াতে আসছিল আমার খালাত বোনের সাথে আমার নানুর বাড়ি।মেয়েটা আমার সাথে সব সময় ইজিলি কথাবার্তা বলত।হয়ত আমাকে বলার সু্যোগ দিয়েছিল।কিন্তু আমি সাহসের অভাবে পারিনি বলতে।
এর দুই মাস পর হটাৎ রাস্তায় তার সাথে দেখা। সে বাসায় যাচ্ছিল।আমাকে দেখে দাড়াল। আমি তাকে বল্লাম আমি তাদের বাসার ওইদিকে যাচ্ছি। আমরা একসাথে গেলে কি সমস্যা হবে।সে বল্ল না।আমি মুলত তার সাথে কথা বলার সু্যোগ খুজছিলাম।হটাৎ সে আমায় বল্ল একটা ছেলেকে কইবার সু্যোগ দিলে ভালবাসার কথা বলতে পারবে।আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না।সে আবার বল্ল ভালবাসি কথাটা বলতে এতদিন লাগে।আমি বল্লাম তুমি জানতে আমি তুমায় ভালবাসি।সে বল্ল হ্যা।আমি বল্লাম তুমি কি আমায় ভালবাস।সে বল্ল ভাসত।এখন সে আরেকজন কে ভালবাসে।আমি আর থাকতে পারলাম না।আমি হাটতে শুরু করলাম।সে আমায় ডাক দিল।আর বল্ল আজ ও কি বলতে পারবেনা ভালবাসি।আমি আবার পিরে আসলাম। জিজ্ঞেস করলাম মানে কি।সে বল্ল আজ যদি না বলি তাইলে সে আর অপেক্ষা করবে না।অন্য কাউকে ভালবাসবে।আমি হাটু গেড়ে বসলাম।আর বল্লাম শেষ বিকেলের মেয়ে তুমায় আমি পছন্ড ভালবাসি।সে আমাকে জড়িয়ে দরে বল্ল আমিও তুমায় অনেক বেশি ভালবাসি।
অবশেষে আমি পেলাম আমার শেষ বিকেলের মেয়েকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now