বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হঠাৎ কারো ডাকে নিজেকে ফিরে পেলাম। বাসার পাশের দোকানের মালিক সোহেল ভাই ডাকছে।
‘কোথায় যাচ্ছো এতরাতে? আর বৃষ্টিতে ভিজছো কেন?’
ঠান্ডার তীব্রতা কেবল বুঝতে পারলাম। দু’এক জন আমার দিকে তাকিয়ে আছে দেখে লজ্জাও পেলাম। নিজের বাসা পেড়িয়ে কিছুটা চলে গেছিলাম। উত্তর না দিয়ে একটু হাসি এঁকে ফিরলাম বাসার দিকে।
বাড়ি ফিরলাম রাত যখন পৌনে দশটা বাজে। বাড়ির সব আলো নিভানো। ঘরের দরজায় দাড়িয়ে শব্দ করবো এমন সময় দেখলাম দরজা খোলাই আছে। অবাক হলাম। তাড়াহুড়ো করে ভিতরে ঢুকলাম। সুইচ বোর্ডের দিকে দ্রুত এগিয়ে যেতেই ঘরের বাতি জ্বলে উঠলো। বাবা-মা, ইশিকা বসে আছে বিছানায়। সাথে একজন।
‘সেই বিকাল থেকে ঐশী আপু এসে বসে আছে তোমার অপেক্ষায়, আর তুমি?’ ইশিকা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলায় তাকালাম ঐশীর দিকে। হ্যা, এই পোশাকেই আসার কথা ছিল বিলের পাড়ে বিকাল ৪টায়। আমার এমন গুটিয়ে যাওয়া অবস্থা দেখে হাসলো সবাই। বুঝে উঠার আগেই ঘরে শুধু ঐশী আর আমি।
এগিয়ে আসলো ঐশী। শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখের কি যেন মুছে দিলো। হাতটা ধরে বসিয়ে দিলো।
‘বলেছিলাম বিলের পাড়ে যাবো না, কিন্তু একবারও বলিনি কোথাও যাবো না। আমাকে বুঝতেও পারলে না?’
আমার উত্তরের আশায় থাকলো না ঐশী। গত কয়েক মাসে আমার দেয়া প্রতিটি ম্যাসেজের, আকাঙ্ক্ষার প্রতিদান দিলো ও, সাথে এক বিকেলে দেখা না হওয়ার প্রায়শ্চিত্র। আমার ভেজা কাপড়ের স্পর্শে বর্ণিল কাশফুলের মৃত্যু ঘটিয়ে সে যে এক ভালোবাসাময়ী নারীতে পরিণত হতে চাইছে সেটা বোঝার ক্ষমতা আছে দেখেই তাকে ভালোবাসার অধিকারটা আমার আছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now