বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঘটনাটা বি -বাড়িয়া জেলার কসবায় ঘটে।ঘটনাটা ১০০% সত্যি।এটি একটি পরিতক্ত কূয়া নিয়ে।এটি আগে হিন্দুরা ব্যবহার করত।তারা যখন ১৯৭১ সালে পালিয়ে যায়,তখন আর এটি কেউ ব্যবহার করে নি।আমার দাদা-চাচারা বলে ৭১ সালে নাকি পাকবাহিনিরা মানুষ মেরে এই কূয়াটাই ফেলেদিত।তারপর থেকে এটির নাম মরা কূয়া মানুষে বলত।অনেকে বলে এখােন নাকি মাঝেমাঝে কান্নার আওয়াজ পাওয়া যায়।মানুষ দিনের বেলাও এখান দিয়ে কম যাওয়া আসা করে। রাতের বেলা কেউই কের না।ঘটনায় চলে যায়।ঘটনাটা আমাদের গ্রামের জমির চাচারর সাথে ঘটে।তিনি একদিন খবর পান তার গরু নাকি পােশর গ্রামের কে যেন আটকে রেখেছে।তাই তিনি গরু আনতে গেলেন।পাশের গ্রামের যাওয়ার একটাই রাস্তা। ঐ কূয়ার পাশ দিয়ে যেতে হবে। তিসি আবার খবর পান মাগরিবের একটু আগে।তিনি রওয়ানা দিলেন।তখন সন্ধা ঘনিয়ে এসেছে।হঠাত পেছন থেকে আওয়াজ আসে এই যে ভাই। তিনি কি।আপনি কোথায়।তখন জমবর চাচা বলে পাশের গ্রামে।লোকটি বলে আমিও পাশের গ্রামে যাচ্ছি।সেখানে আমার।ভাবলামআপনার সাথে একসাথে চলে যাই।আর জানেনই তো জায়গাটা ভালো না।লোকটি চাচার সাথে নানা কথা বলতে চলছে।যখন তিনি কূয়ার সামনে চলে আসেন। তখন লোকটি চাচার শরিরে ধরল। লোকটির হাত খুবই ঠান্ডা।চাচা ভয় গেলেন।লোকটি তখন চাচকে বলেন চলেন ঐ কূয়াে সামনে একটি বসি।চাচা মুখে কোনো কথা বের হচ্ছে না। লোকটি চাচাকে নিয়ে কূয়ায় নিয়ে গেলেন।চাচা দৌড় চেষ্টা করেন।।কিন্ত পারছেন না।চাচা দেখেন লোকটি অনেক লম্বা, মরা মানুষ পচে যেরকম ঠিক সেইরকম দেখতে চাচার দবকে তেড়ে আসছে। চাচা তখন কিছু করার নেই।হঠাত তার মনে পড়ে জিন বা ভুতেরা মাটির কমপক্ষে একহাত উপরে থাকে। তারা মাটি ছুতে পারে না।তখন তিনি মাটিতে শুয়ে পড়েন।জিন বা ভুতটি তাকে বলে তুই বেচে গেছিস,তা না হলে তোর ঘাড় মটকাতাম।চাচা সকাল না হয়া পযর্ন্ত শুয়ে রইলেন তারপর মানুষেরা তাকে চিনতে পেরে বাড়ি নিয়ে দিয়ে এল।পরদিন তাকে হুজুরের কাছে নিয়ে যাওয়া হল। সব শুনে হুজুর তাকে বলেন নামাজ পড়তে। তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে।এই হল আমার ঘটনা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now