বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ফিরে পাওয়া ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X *** ফিরে পাওয়া ভালোবাসা*** . . ...স্নিগ্ধাকে আমি আবার দেখবো জানতাম। কিন্তু এইখানে পুনরায় দেখবো সেটা জানতাম না।আমার দিকে কেমন ঘন ঘন তাকাচ্ছে।আমার বেশ লজ্জা লাগছে।উঠে চলে যাব যে সেটাও হচ্ছে না। যেহেতু আয়োজকদের একজন তাই থাকতেই হচ্ছে শেষ পর্যন্ত। স্নিগ্ধাকে বেশ ভালো লাগছে।চেয়ারে পা দুলিয়ে দুলিয়ে বসে আছে। চুল ছেড়ে দিয়েছে।কপালে কালো টিপ স্থান পেয়েছে। আর কোনো সাজ নেই,সাজের প্রয়োজন নেই। কিছু কিছু নারী আছে যাদেরকে স্বাভাবিকভাবে থাকলে ভালো লাগে,সাজের প্রয়োজন হয় না;স্নিগ্ধা তেমন। আবার কিছু কিছু নারী আছে যাদের সৌন্দর্য দেখতে হলে সামান্য সাজার প্রয়োজন হয়। যেমন ধরুন কপালে টিপ দিবে,চুল খোপায় বেধে দিবে, চোখে কাজল দিবে, ঠোঁটে আলতো লিপিস্টিকের ছোঁয়া। . এসব ভাবতে না ভাবতে যখন বাস্তবে ফিরলাম,মনে হলো আমি যাকে অনুসরণ করছি সে আর নেই এখানে।আমার মাঝে কেমন যেন উদাসীনভাব চলে আসলো। আমি হারিয়ে ফেললাম নাতো! আমি কি করবো ঠিক বুঝতে পারছিনা।উঠে যাবো? খুঁজবো? আমি আবিষ্কার করলাম আমি নিজেকে বেহায়াপনার চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গেছি।কি দরকার মেয়েটার পিছু পিছু নতুন করে পড়ে থাকা।অবশ্য মানুষের কাছে নিজের আবেগের দাম অন্য যেকোনো কিছু থেকে অনেক বেশি। আবেগের কাছে মানুষ অনিচ্ছা সত্ত্বেও বারবার পরাজিত হয়।আমি যেহেতু অনেক আবেগী মানুষ,তাই আবেগকে জিতিয়ে দিতে আমি নিজের অজান্তে অনেক কিছুই করে ফেলতে পারি,যেটা আমার ভাবনাতীত । . আমার চিন্তার আকাশে মেঘ জমাটবদ্ধ হওয়াটা নিমিষেই বন্ধ হয়ে গেলো, স্নিগ্ধা কেমন মিষ্টি অথচ হালকা হেসে হেসে স্টেজে প্রবেশ করলো। আগে যেখানে বসেছিলো সেখানে বসলো না। ফাঁকা সিট পেয়ে একদম আমার সরাসরি বসলো। আমার হৃদয়ের মাঝে কেমন যেন মৃদু ঢেউ খেলে গেলো। আমার দিকে এখন আর আড়চোখে তাকাতে হবে না সরাসরি তাকাতে পারবে;কেউ বুঝবে না। আমার মাঝে যে হঠাৎ করে অনেক আনন্দ চলে আসলো, আমি সেটা বেশ ভালোভাবেই উপলব্ধি করতে পারছি। স্নিগ্ধা যতক্ষণ বসা ছিল ততক্ষণই আমার দিকে তাকিয়েছিল, তাই আমি স্নিগ্ধাকে দেখতে পারছিলাম না।চোখে চোখে তাকিয়ে থাকা সে বড় সাহসিক কাজ,আমি পারি না। কিন্তু স্নিগ্ধা যখন কবিতা পাঠ করতে আসলো তখন স্টেজের অপর প্রান্তে তাকিয়ে তাকিয়ে খুব সুন্দর করে ঘুছিয়ে পাঠ করলো,আমার দিকে একবারো তাকালো না। মনের মাঝে অভিমানগুলো কেমন যেন লুকোচুরি খেললো।কবিতা পাঠ শেষ করে স্নিগ্ধা একটা গানেও অংশগ্রহণ করলো। অবশ্য কবিতা যেভাবে পাঠ করলো খুব সহজেই ভালো স্থান পেয়ে যাবে। . অডিটোরিয়াম থেকে বের হওয়ার পর আমি অনুধাবন করলাম অতি মূল্যবান কিছু একটা রেখে আসছি।আমি বার বার বেশ অবাক হচ্ছি নিজের মূর্খতা দেখে! আমি কেন নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছিনা! ফাংশন থেকে সামান্য দূরে ফাংশনকে কেন্দ্র করে মেলা বসেছে।তার পাশেই প্রকাণ্ড বড় একটা গাছকে চারদিকে ঘুরিয়ে বসার জায়গা করা। সেইখানে বসে বসে কিছু একটা যেন ভাবছি,কি ভাবছি নিজেও জানিনা।আমার মাথায় কেবল একটাই নাম "স্নিগ্ধা "।আমার মাথায় কেবল পুরাতন কিছু স্মৃতি ভেসে বেড়াচ্ছে,,যেই স্মৃতিগুচ্ছ বর্তমান ভাবনাগুলোকে ছিড়ে ছিড়ে খাচ্ছে,আমার অজান্তেই! কেউ একজন যেন আমার পাশে এসে বসলো। আমি ভালো করেই বুঝতে পারছি সেটা স্টেজের সেই স্নিগ্ধাই হবে,হবার কথা।আমি যে মনে মনে অপেক্ষা করছিলাম তোমার, তুমি বুঝতে পারো না সেটা? মনে মনে বললাম। -- ভালো লাগেনি তোমার তাইনা? স্নিগ্ধা কেমন অধিকার নিয়ে কথাটা আমাকে বললো।ভালো অবশ্যই লেগেছে। আমি কিছু বললাম না।মেলার দিকে অনেকটা আলসেমি ভাব নিয়ে একবার চোখ বুলালাম। -- কেমন আছো? স্নিগ্ধা উত্তর না পেয়ে আবার বললো।এবারো উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করলাম না।স্নিগ্ধা পাশে বসে আছে,সেই জিনিসটা ভেবে ভেবে কেমন নিজেকে রাজা রাজা মনে হচ্ছে।ইচ্ছে করলেই পাশে বসা রমণীর উপর কর্তৃত্ব করতে পারবো,হাতে হাত ছুঁয়ে দিতে পারবো! স্নিগ্ধা উঠে পড়লো, আমি হাত ধরে ফেললাম। আমি এবার সত্যি সত্যি অবাক না হয়ে পারলাম না।আমি স্নিগ্ধাকে বাঁধা দিচ্ছি! স্নিগ্ধা আমার দিকে অনেক মায়া নিয়ে তাকালো।আমি বললাম... -- মেলায় ঘুরবে? -- তোমার সাথে? আমি স্নিগ্ধার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে মাথা নেড়ে সায় দিলাম।স্নিগ্ধার হাত থেকে হাত এখনো ছাড়িনি।নরম ওই হাত থেকে ইচ্ছে হচ্ছে না ছাড়তে।আমি কি অধিকারটাই না খাটাচ্ছি,স্নিগ্ধাও ছাড়িয়ে নেবার কোনো প্রয়োজনবোধ করছে না,আমি সেটা বেশ আগ্রহ নিয়েই লক্ষ্য করছি। স্নিগ্ধার মাঝে অনেক উদাসীন ভাব প্রকাশ পাচ্ছে যেটা আমার মাঝে পেয়েছিল স্নিগ্ধাকে আজ দেখেই। প্রায় দুমাস আগে এরকমভাবে স্নিগ্ধাকে দেখে আমার বড়ই ভালো লেগেছিল। আমাদের কলেজে আশপাশের কয়েকটা কলেজ নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছিল।আমি সেচ্ছাসেবী ছিলাম বিধায় প্রতিযোগীদের স্টেজে ঢুকা বের করার দায়িত্বে ছিলাম।প্রতিযোগীদের মাঝ থেকে একটা মেয়েকে লক্ষ্য করলাম,বেশ নার্ভাস হয়ে বসে আছে।হাতের কাগজে বারবার চোখ বুলাচ্ছে।কিন্তু কিছুতেই আত্মবিশ্বাস ঠেকাতে পারছে না,তাই বারবার কাগজে তাকাচ্ছে আর নিজের ভুল ধরছে।সেটা বিষয় নয়।মেয়েটিকে কেমন ভালো লাগছে দেখতে! বাকিসকল মেয়ে প্রতিযোগী অনেক সাজসজ্জা করে এসেছে।কিন্তু মেয়েটি সাধারণ, অত্যান্ত সাধারণভাবেই এসেছে।চুলগুলো ছেড়ে দিয়েছে।বাতাসে দুল খেতে খেতে মুখে এসে ঠেকছে,সরিয়ে দেবার ব্যর্থ চেষ্টা করছে।কপালে একটা কালো টিপ,ব্যাস ওইটুকুই। আমার জানামতে এরকম মেয়েরা প্রচণ্ড রকমের আবেগী হয়, খুব পরিষ্কার মনের হয়। কি মনে করে যেন আমি মেয়েটিকে বলে ফেললাম... "তুমি ঠিকবে না।বাড়ি থেকে প্র্যাকটিস নিয়ে আসা উচিৎ। এখানে প্র্যাকটিসের জায়গা নয়।" আমার কথাশুনে মেয়েটি কেমন অদ্ভুত চোখে তাকালো।এমন ভঙ্গি করলো যেন আমার কথা খুব গুরুত্বসহকারে নিয়েছে।মেয়েটি উঠে চলে গেলো।আমি বেশ অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম।আমার কারণে একজন প্রতিযোগী চলে যাবে।তাছাড়া ওরা আমাদের অতিথি। আমি বাইরে এসে দেখলাম মেয়েটি টিম বাসে মাথা নিচু করে বসে আছে।দেখে খুব মায়া লাগলো। পাশে এসে বসলাম।মেয়েটি আশ্চর্য চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো। আমি ইতস্তত করে বললাম.... -- আমার কথাটায় মন খারাপ করে চলে আসছেন? মেয়েটি মাথা নেড়ে সায় দিয়ে মাথা নিচু করে নিচের দিকে নিষ্পলক চেয়ে রইলো।কি সহজ সরল স্বীকার! আমি আবার বললাম... -- প্রস্তুতি ভালো হয়নি,তাইনা? -- হু। -- এসেছেন যখন তখন অংশগ্রহণ করেই যান না। কি বলেন? মেয়েটি আমার দিকে কেমন অসহায় দৃষ্টিতে তাকালো।তারপর বললো... -- যদি না পারি।স্টেজে যাইয়া ভুলে যাই! তখন কি হবে? আমি কাগজ দেখে দেখে পাঠ করতে পারবোনা। আমি একটু হাসলাম।মেয়েটি কিরকম শাষণ ভঙ্গিতে আমার দিকে তাকালো।আমি হাসি বন্ধ করে হাত দিয়ে বুঝালাম ভুল হইছে।মেয়েটি বললো... -- খুব মজা লাগছে,তাইনা? আমার নার্ভাসনেসের কারণ কিন্তু আপনিই।আপনি ওভাবে অডিটোরিয়ামে চেয়ে ছিলেন আমার দিকে তারপর নার্ভাস হওয়ার মতো একটা কথা বললেন।ভয় পাবোনা? আমি এবার বেশ জোরেই হাসলাম।মেয়েটি দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করছে।দেখতে বেশ ভালোই লাগছে। . স্নিগ্ধার হাতে হাত রেখে ঘুরতে অন্যরকম ভালো লাগছে।..." কিছু কিনবে" কথাটা বলে স্নিগ্ধার দিকে তাকালাম।স্নিগ্ধ া অল্প হাসলো।তারপর বললো.. -- না।আচ্ছা আমি যে আবার আসবো তুমি জানতে? -- না। --কেন? -- তোমাকে বিরক্ত করবো,সেটা ভেবে আসবে না। আমি এইটুকুই ভেবেছিলাম। স্নিগ্ধা অদ্ভুত চোখে তাকালো।আবার একটু হাসলো।তারপর বললো... -- আমাকে একটা খোপা কিনে দিবা? আমি স্নিগ্ধার কথায় মৃদু হাসলাম।স্নিগ্ধা র আবদার করার ধরণটা বেশ ভালো লাগলো। আমি কুপা কিনে স্নিগ্ধার হাতে দিতে বললো... -- পড়িয়ে দিবে কি? আমি বিব্রতকর অবস্থায় পড়লাম। স্নিগ্ধা অধিকার খাটাতে সুযোগ করে দিচ্ছে।আমি বললাম.... -- বলছো কি,মেলায় এতো মানুষ।তাছাড়া তোমাদের টিমের অনেকেই আশেপাশে। -- দিবে কিনা তুমি? আমি অনেক লজ্জা নিয়ে পড়িয়ে দিলাম। স্নিগ্ধা আবার বললো... --আমি কিছু খাব।সকাল থেকে খাইনি কিছু। -- আচ্ছা।তবে আমার কিছু কথা আছে। -- জানি কি বলতে চাইবা।আগে খাব,পরে ওসব কথা। স্নিগ্ধার কথায় কিঞ্চিৎ হাসলাম। সেইদিন আমি অনুষ্ঠান শেষে মেয়েটির টিম বাসের পিছু পিছু যাই।যখন মেয়েটি তার বাসার সামনে নামলো।আমিও থেমে গেলাম।মেয়েটি বেশ অবাক হলো আমাকে তাদের সাথে আসতে দেখে।মেয়েটি কিছু না বলে বাসায় ঢুকে গেলো। মেয়েটির প্রতি হুট করে এতো আগ্রহ কেন জন্ম নিলো আমি নিজেও জানিনা।মাঝে মাঝে মেয়েটির কলেজে ঘুরতে যেতাম। উদ্দ্যেশ্য ছিল মেয়েটিকে দেখা।মেয়েটি বুঝতে পারতো কিন্তু কিছু বলতো না।উল্ল্যেখ্য, মেয়েটির বাসার পাশেই কলেজ ছিল।এভাবে একদিন আমাকে দেখে আমার সামনে এসে বললো... -- কি চান।আপনাকে প্রথমে ভালো মনে করেছিলাম তাই কথা বলেছিলাম। সেই সুযোগ নিয়ে এখন পিছনে ঘুর ঘুর? আমি চুপ হয়ে গেলাম।এতো সুন্দর শান্তশিষ্ট মেয়ের মুখে এমন কথা মানায় না।অবশ্য আমারই দোষ, উদ্দ্যেশ্যহীনভা বে কলেজে যাওয়া একজনকে টার্গেট করা; এতে প্রশ্ন জাগবেই।আমি চলে আসলাম। আমি কয়েকদিন যাইনি।কয়েকদিন না যাওয়াতে বুঝেছিলাম মেয়েটার প্রতি দূর্বলতার আসল কারণ।তারপর আবার নিয়ম করে যাই,মেয়েটি ব্যাপারটা ভালো করে বুঝতে পেরে উদাসীন থাকতো।তবে এই যাত্রায় মেয়েটা সমাধান চাইলো।আমি দূর থেকে মেয়েটিকে লক্ষ্য করছি,কিন্তু মেয়েটি আমার দিকে আসছে,আমি অবাক হয়ে যাই।মেয়েটির সাথের কেউ একজন বললো,,, স্নিগ্ধা যাইস না। আমি তখন জানলাম স্নিগ্ধা নাম মেয়েটার।বেশ সুন্দর নাম।যেমন দেখতে,নামটাও তেমন।কাছে এসে বললো.... -- তুমি কিন্তু অনেক বেশি করে ফেলছো।আমি জানি তুমি কি চাইতেছো।কিন্তু সেটা সম্ভব না। জোর করে ভালো ফলাফল আসেনা।আশাকরি আর বিরক্ত করবে না।কথা কানে গেলো? না যাওয়াতে হবে? আমি মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললাম।যাওয়াতে হবেনা।বুঝে গিয়েছি।আর হবেনা।আমি মাথা নিচু করে চলে আসি। ফিরেও থাকাইনি একবার। . আমি আর যাইনি।অনেকটা ভুলেই গিয়েছি।কিন্তু আরেকবার দেখা হবার অপেক্ষায় ছিলাম।জানিনা কিভাবে হবে কিন্তু নিশ্চিত ছিলাম হবেই।সেটা আজ হয়ে যাবে জানতাম না।আমি মনে করেছিলাম আমাদের কলেজে আসবে না অনুষ্ঠানে,কিন্তু এসে গেলো। স্নিগ্ধাকে প্রায় একমাস পর দেখে তাই আমি আমিতে নেই। -- তুমি খাচ্ছ না কেন? স্নিগ্ধা আমার দিকে প্রশ্নসূচক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো।আমি হাসলাম, আমি বললাম.. -- তোমার খাওয়া দেখছি।আর ভাবছি। -- জানো তোমাকে ওইদিন মানা করার পর সেইদিন খুব অস্বস্তিতে দিন কেটেছিল। সারাটাদিন আমি তোমাকে নিয়ে ভাবছিলাম।কেন ভাবছিলাম নিজেও জানিনা। তারপর তুমি আর না আসাতে আমার মোটেও ভালো লাগছিলো না,আমি সত্যি দূর্বল হয়ে পড়েছি। অপেক্ষায় ছিলাম আবার দেখা হবার। স্নিগ্ধা কথাগুলো বলে লজ্জামাখা মুখ নিয়ে মাথা নুয়ে রাখলো।আমি স্নিগ্ধার মুখ উপরের দিকে তুললাম। তারপর বললাম.... -- তাহলে আমি একা নই? -- জানিনা কিছু। আমি কিছু বলতে যাব স্নিগ্ধা আমাকে চুপ হতে বলে নিজে বললো... -- চলো তোমাদের কলেজের সবটা ঘুরে দেখবো।হাত ধরে উঠাও। আমি স্নিগ্ধার দিকে তাকিয়ে রইলাম।মৃদু হাসার চেষ্টা করলাম।স্নিগ্ধার মায়ায় নতুন করে পড়লাম, আমি অবাক হচ্ছি আশার প্রদীপ নতুন করে জ্বলে উঠলো। -- কি হলো।উঠাও না।ছাড়বে না হাত কিন্তু। আমি স্নিগ্ধার হাতটা ধরে উঠালাম।ছাড়বো না হাতটা। . Written by: Shuvro Sobuj (ss)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ফিরে পাওয়া ভালোবাসা
→ ফিরে পাওয়া ভালোবাসা
→ হারিয়ে ফেলা ভালোবাসা ফিরে পাওয়া
→ ফেইসবুকের মেয়েটা (ফিরে পাওয়া ভালোবাসা)
→ একটি মৃত ভালোবাসা ফিরে পাওয়া
→ হারিয়ে ফেলা ভালোবাসা ফিরে পাওয়া
→ হারিয়ে ফেলা ভালোবাসা ফিরে পাওয়া

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now