বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি ঘটনাটা আমার এক চাচার কাছ থেকে শুনা।তিনি পেশায় মাঝি।তিনি সারারাত নৌকা চালান।ঘটানর দিন তিনি নৌকায় বসে গান গাইছিলেন।হঠাৎ গরম বাতাস বইছে।যেখানে আজ গরমের দিন।তিনি ভাবলেন বাড়ি চলে যাবেন।কারণ যাত্রী নেই।এত রাতে যাত্রী আসবে কোথা থেকে।রাত ২টা এমন সময় তিনি দেখলেন দূর থেকে কে যেন সাদা পাঞ্জাবি পরা,মাথায় পাগড়ি পরা লোক তাকে বলেন কাশিম পুর যাবে।তিনি বলেন যাব তবে ভাড়া বাড়িয়ে দিতে হবে।লোকটি নৌকায় বসল।নৌকা চলতে শুরু করল।লোকটি বসার পর থেকে নৌকাটি খুব ভারী মনে হচ্ছে।নৌকার এক পাশ পানিতে কাত হয়ে রয়েছে।যেখানে ১৫-২০ বসলেও নৌতা কাত হয় না সেখানে তিনি একজন বসেই নৌকার এ রকম হলো।তিনি তেমন গুরুত্ব দিলেন না।একটু পরে লক্ষ করেন লোকটির দুই হাতে ৬ করে মোট ১২ আঙুল এবং লোকটি তার আঙুল গুলো গুণছে।তিনি তেমন মন দিলেন না।নৌকা যখন নদীর মাঝখানে তখন লোকটি বলল থামো।মাঝি বলল আপনি না কাশিমপুর যাবেন।লোকটি বলল এখানেই আমি নামব। বলেই পানিতে ঝাপ দিলেন আর ঝাপ দেওয়ার আগে চাচাকে বলেন তোকে মারিনি বেচে গেছিস,তোর ছেলে হয়েছে দেখতে খুব সুন্দর।তিনি ভয়ে দ্রুত নৌকা চালিয়ে বাড়ি গেলেন।বাড়ি গিয়ে তিনি শুনেন তার ছেলে হয়েছে।ছেলেকে তিনি কোলে নিয়ে আদর করেন।কিন্ত একটা জিনিস দেখে তিনি আর ভয় পেয়ে যান। সেটা হলো ঐ লোকটার মতো তার ছেলেরও ৬ করে দুই হাতে ১২ টি আঙুল।এরপর থেকে তিনি আর কখনো রাতে নৌকা চালান নি।এই আমার ঘটনা কেমন হল কমেন্ট করবেন।খোদা হাফেজ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now