বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
------লাভ এক্সপ্রেস-----
-কোথাই আছো তিথি? (রাহুল)
-এইতো ক্লাসের ভিতরে ক্লাস করছি। (তিথি)
-একটু মাঠে আসতে পারবে।
-কেনো কি হয়েছে ।
-একটু সমস্যা হয়েছে।
-নতুন করে ঝামেলা বাধিয়েছো।
-এটা ঝামেলা না একটি ছেলেকে মেয়েটি
মারছিলো প্রতিবাদ করাই ঝামেলাটা শুরু হয়েছে।
-আচছা দাড়াও ওখানে আমি আসছি ।
-----
---
-কি ব্যাপার রাহুল কি সমস্যা।
-দেখো এরা আমাকে এখানে আটকিয়ে রাখছে
যেতে দিচেছ না।
-কি ব্যাপার আপু তুমি রাহুল কে আটকিয়ে রাখছো
কেনো। (তিথি)
-সে আমাকে মেরেছে।
-মানে কি?
-সে আমাকে গালে জোড়ে করে কষে একটা
ঠাপ্পর মারছে।
-কেনো মারছে সেটা তো বলো।
-একটা সামান্য বাচচার কারনে মারছে।
-আপু রাহুল কোন বাচচার প্রতি অত্যাচার দেখলে
নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না ।
ও যেটা করছে সেটা ভুলেই করে ফেলেছে।
-না এর আমি শেষ দেখে ছাড়বো। সে আমাকে
মারল আর আমি তো ছেড়ে দেবার পাত্র না।
-আপু বেশি বাড়াবাড়ি করার দরকার নাই যেটা হয়ে
গেছে ওটা নিয়ে নাড়াচারা করার দরকার টা কি?
-তোমার থেকে শিখতে হবে না আমাকে।
(মেয়েটি)
-রাহুল চলো (তিথি
-ওকে কোথাও নিয়ে যাবে না (মেয়েটি)
-রাহুল এসো বলছি। (তিথি)
-না সে যাবে না (মেয়েটি)
-আমি রাহুলকে নিয়ে যাচিছ যদি পারো তাহলে
আটকাও। (তিথি)
রাহুল চলো,তিথি রাহুলের হাত ধরে রাহুলকে টানতে
টানতে নিয়ে চলে গেলো সেখান থেকে।
-কেউ কিছুই বললো না, তবে আমার বিষয়টা ভালোই
লাগছিলো ।মেয়েরা অপরাধ করলে ছেলেরা
সেটা সমাধান করে আবার ছেলেরা অপরাধ করলে
ছেলেরাই সমাধান করে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে
পুরাই উল্টা। আমার যে কোন সমস্যা তিথিই সমাধান
করে।
-----
---
রাহুল তোমাকে না কতোবার বলেছি কোন
ঝামেলাই জড়াবে না।
-কি করবো বলো,একটা নিরিহ ছেলের উপর বিনা
অপরাধে তাকে নির্যাতন করছে আমি সেটা চুপ
করে দেখবো।
-তাই বলে মেয়েটার গায়ে হাত তুলবে তুমি?
-রাগ টা কন্ট্রোল করতে পারি নি।
-আমিও তো তোমাকে কত ঝালিয়েছি কতো
অপমান করেছি কই একদিনও তো গায়ে হাত
তুলনী।
-সবার উপর রাগ করতে নেই।
-আচছা ঠিকাছে যেটা করেছো এমনটা আর করবে
না।
আমি না থাকলে তোমার কি হতো জানো?
-হুম জানি তো। তবে তুমি যেখানেই থাকো আমার
জন্য তোমাকে আসতেই হবে।
-কি ভাবে বুঝলে আমি আসবো।
-তোমার প্রতি আমার বিশ্বাস আছে।
-বাসাই যাও পরে ফোনে কথা বলবো। আর এমন টা
করো না রাহুল।
-মনে থাকবে।
---
----
-আমাকে ধরে এনেছেন কেনো (রাহুল)
-কেনো এনেছি সেটা এখুনি জানতে পারবি।
-কিরে তোর নাম কি?
-রাহুল।
-কি করিস।
-পড়াশোনা করি ।
-তিথিকে চিনিস।
-হ্যাঁ চিনি।
-ওর সাথে কিসের সম্পর্ক তোর।
-সেটা আপনাকে বলবো কেনো। আমাকে
ছেড়ে দিন তিথি জানতে পারলে আপনাদের খবর
করে দিবে ।
-তাই নাকিরে,?
-কেউ ওর গায়ে হাত দিবি না যদি দিস তাহলে আমি
নিজেকে শেষ করে দিবো।
-কি বলছিস তিথি(ভাইয়া)
-হ্যাঁ ভাইয়া ঠিকি বলছি ওর গায়ে যেনো একটি ফুলের
টোকাও না পরে।
তোমরা ওকে তুলে এনেছো কেনো।
-তোর সাথে কালকে ঘুরছিলো তাই।
-আমি ওকে ভালোবাসি ভাইয়া।
-কি বলছিস তুই।
-হ্যাঁ সত্যি বলছি।
-ওই ওকে ছেড়ে দে।
-চলো রাহুল।
-কোথাই যাবো?
-আমাদের বাড়িতে আজকে বাবা মায়ের সাথে
তোমাকে পরিচয় করিয়ে দেবো।
-কিছু বলবে নাতো তারা।
-না কিছুই বলবে না, কারন আমি যেটা বলি তারা সেটা
শুনে?
আর এটা আমার ভাইয়া।
-তোমার ভাইয়া গুন্ডা নাকি।(রাহুল)
সাথে সাথে তিথির ভাইয়া রাগী লুক নিয়ে তাঁকালো
আমার দিকে কিন্তু কিছু বলতে পারলো না। কারন তিথি
সামনে আছে।
পরে দুজনেই সেখান থেকে চলে আসলাম।
ভাবছি কি কারনে তিথির এতো ক্ষমতা, আর এই জন্য
সবাই তিথিকে ভয় পাই। দেখা যাক তিথির বাবা মা কি বলে,
মনে তো হয় মেয়ের বিয়েটা আমার সাথেই
দিবে। একমাত্র মেয়ে বলে কথা।
-------
----
-------সমাপ্ত-------
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now